সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩

জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছে সরকার: এনামুল হক এনাম

পটিয়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি | প্রকাশিতঃ ৩১ মে ২০২৬ | ১১:১৫ পূর্বাহ্ন


বিএনপি সরকার জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে কাজ করছে এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্বাস্থ্যসেবা নিয়ে যে পরিকল্পনা গ্রহণ করেছেন, পটিয়া সমিতি ঢাকার উদ্যোগ তার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ বলে মন্তব্য করেছেন পটিয়া আসনের সংসদ সদস্য এনামুল হক এনাম।

শনিবার বিকেলে পটিয়া সদরের আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় অডিটোরিয়ামে পটিয়া সমিতি-ঢাকার উদ্যোগে আয়োজিত এক বিশেষ স্বাস্থ্যসেবা কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

এনামুল হক এনাম পটিয়া সমিতি ঢাকার বিভিন্ন সামাজিক, মানবিক ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের প্রশংসা করে আরও বলেন, সরকার মাদক ও কিশোর গ্যাং প্রতিরোধেও কার্যকর ভূমিকা পালন করছে। পটিয়া সমিতি ঢাকা দীর্ঘদিন ধরে পটিয়ার মানুষকে একত্রিত করার পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। বিশেষ করে চিকিৎসা ক্ষেত্রে তাদের এই উদ্যোগ অত্যন্ত প্রশংসনীয়। ভবিষ্যতেও পটিয়া সমিতির সকল উন্নয়নমূলক ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে সর্বাত্মক সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আশ্বাস দেন তিনি।

রাজধানীতে বসবাসরত পটিয়াবাসীর কল্যাণে গঠিত এই সমিতির কর্মসূচিতে পটিয়া সমিতি ঢাকার সভাপতি মো. আলী নাওয়াজের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক মো. নুরুল ইসলামের সঞ্চালনায় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম সাউদার্ন ইউনিভার্সিটির রেজিস্ট্রার এ এফ এম মোদোচ্ছের আলী।

অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যসেবা উপকমিটির আহ্বায়ক ডা. মোহাম্মদ জামাল উদ্দিনের নেতৃত্বে চিকিৎসক দলের সদস্য হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডা. রেহানা আক্তার, ডা. শিহাব আফসার খান, ডা. আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ, ডা. মো. আবু তালেব এবং ডা. নাজমুল হুদা। তারা আগত রোগীদের স্বাস্থ্যসেবা প্রদান ও চিকিৎসাবিষয়ক বিভিন্ন পরামর্শ দেন।

সভাপতির বক্তব্যে মো. আলী নাওয়াজ বলেন, রাজধানী ও দেশের বিভিন্ন স্থানে অবস্থানরত পটিয়াবাসীর মধ্যে পারস্পরিক সম্প্রীতি বৃদ্ধি, সামাজিক বন্ধন সুদৃঢ় করা এবং মানবিক সহায়তা কার্যক্রম সম্প্রসারণে সমিতি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। স্বাস্থ্যসেবা খাতে এ উদ্যোগের ধারাবাহিকতা ভবিষ্যতেও বজায় থাকবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

এ সময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত বিভিন্ন পেশাজীবী, সাংবাদিক, সমাজসেবক ও সাধারণ পটিয়াবাসী মত প্রকাশ করেন যে, সমাজের সুবিধাবঞ্চিত ও অসহায় মানুষের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে চিকিৎসকদের স্বেচ্ছাসেবামূলক অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ ধরনের জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে এবং সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যসেবা প্রাপ্তি আরও সহজ হবে বলে অংশগ্রহণকারীরা আশা প্রকাশ করেন।