সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩

তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশের ১৮ কোটি মানুষ ঐক্যবদ্ধ: জিয়াউর রহমান জিয়া

একুশে প্রতিবেদক | প্রকাশিতঃ ২৩ জুন ২০২৬ | ৭:৪৬ অপরাহ্ন


বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি জিয়াউর রহমান জিয়া বলেছেন, পলাতক খুনি হাসিনার ফ্যাসিবাদী রাজনীতি বাংলাদেশে আর চলবে না। সুশীল গুপ্ত ষড়যন্ত্রের রাজনীতি জনগণের প্রকৃত সমস্যাকে আড়াল করে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছে। একটি সুস্থ গণতান্ত্রিক ও উন্নত রাষ্ট্র গঠনের জন্য প্রয়োজন মুক্তচিন্তা, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, জবাবদিহি ও আইনের শাসন নিশ্চিতকরণ।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) সকালে যুবদল কেন্দ্র ঘোষিত সাংগঠনিক সপ্তাহ উপলক্ষে অপপ্রচার ও শিষ্টাচারবহির্ভূত রাজনীতির বিরুদ্ধে দেশব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে চট্টগ্রামে এক বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের আওতাধীন বায়েজিদ বোস্তামী থানা ও পাঁচলাইশ থানা যুবদলের উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিলটি নগরীর ২ নম্বর গেট ষোলশহর থেকে শুরু হয়ে মুরাদপুর হয়ে বহদ্দারহাট মোড়ে গিয়ে শেষ হয়। সেখানে অনুষ্ঠিত প্রতিবাদ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে জিয়াউর রহমান জিয়া এসব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, বিএনপির চেয়ারম্যান মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশের ১৮ কোটি মানুষ আজ ঐক্যবদ্ধ। তারেক রহমান প্রদত্ত ৩১ দফার আলোকেই দেশ পরিচালিত হচ্ছে। কোনো বিদেশি দেশের আদর্শের রাজনীতির চর্চা এ দেশের মানুষ ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করেছে।

চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাবেক সভাপতি মোশাররফ হোসেন দীপ্তির সভাপতিত্বে ও চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ শাহেদের পরিচালনায় বিক্ষোভ সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জাতীয়তাবাদী যুবদল কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি মাহফুজুর রহমান মাহফুজ ও ফেরদৌস আহমেদ মুন্না।

অনুষ্ঠিত বিক্ষোভ সভায় বক্তারা বলেন, বীর চট্টলার মাটি জাতীয়তাবাদী আদর্শের ঘাঁটি। ফ্যাসিস্ট খুনি হাসিনাবিরোধী আন্দোলনে চট্টগ্রামের যুবদলের নেতাকর্মীরা বিপ্লবী ভূমিকা পালন করেছেন। অতীতের ন্যায় অপপ্রচার ও শিষ্টাচারবহির্ভূত রাজনীতির বিরুদ্ধে চট্টলার রাজপথে যুবদল ভ্যানগার্ডের ভূমিকা পালন করবে। পরাজিত অপশক্তি ও গুপ্ত দেশবিরোধী যেকোনো ষড়যন্ত্র রুখে দিতে যুবদলকে সর্বদা প্রস্তুত থাকতে হবে।

বক্তারা আরও বলেন, যুব ঐক্য ও প্রগতির ধারক-বাহক জাতীয়তাবাদী যুবদল। বীর চট্টলার রাজপথে দীর্ঘ লড়াই-সংগ্রামে যুবদল বারবার পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে। এ দেশের মানুষ খুনি হাসিনার ফ্যাসিবাদী রাজনীতি আর তথাকথিত সুশীল গুপ্ত রাজনীতি ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করেছে, যার বড় প্রমাণ গত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। বিএনপি চেয়ারম্যান মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের নেতৃত্বে জাতীয়তাবাদের সূর্যসৈনিকেরা দেশবিরোধী যেকোনো ষড়যন্ত্র রুখে দিতে বদ্ধপরিকর।

এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাবেক সিনিয়র সহসভাপতি ইকবাল হোসেন, সাবেক সহসভাপতি সাহাব উদ্দিন হাসান বাবু, মোহাম্মদ মুসা, অরূপ বড়ুয়া, মোহাম্মদ আলী সাকী, সাবেক সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক মোশাররফ হোসাইন, আবদুল্লাহ আল টিটু, রাশেদুল ইসলাম লেবু, দীপংকর ভট্টাচার্য, তৌহিদুল ইসলাম রাসেল, সেলিম উদ্দিন রাসেল ও এরশাদ হোসেন।

এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক এমদাদুল হক বাদশা, গুলজার হোসেন, রাজন খান, ওমর ফারুক, জমিরউদ্দিন আহমেদ মানিক, সাবেক সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য জিল্লুর রহমান জুয়েল, মহিউদ্দিন মুকুল, সাবেক সহসম্পাদক কোরবান আলী, মো. শাহেদুল ইসলাম, মো. জহিরুল ইসলাম জহির, হাফেজ কামাল উদ্দিন, জাহাঙ্গীর আলম বাবু, সিরাজুল ইসলাম শিকদার ও হামিদুল হক চৌধুরী।

সমাবেশে আরও অংশ নেন সাবেক সদস্য প্রফেসর সাইদুল হক শিকদার, কলিম উল্লাহ, শাবাব ইয়াজদানী, হাবিব উল্লাহ খান, জাহেরী মাসুদ, শাখাওয়াত হোসেন টিপু, বায়েজিদ বোস্তামী থানা যুবদলের সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মঞ্জুর আলম মঞ্জু, পাঁচলাইশ থানা যুবদলের সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক শেখ রাসেল, চান্দগাঁও থানা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মোরশেদ কামাল, সেলিম উদ্দিন সেলিম, মো. আইয়ুব, রিদওয়ান হোসেন জনি, শহিদুল ইসলাম কুট্টি, মিল্লাত হোসেন, হুমায়ুন আহমদ, গিয়াস উদ্দিন, আলী আজম মাসুম ও মোহাম্মদ ফরহাদ।

পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন বায়েজিদ বোস্তামী থানা যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক নেজাম উদ্দিন, ওবাইদুল, সাবেক ৪ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের আহ্বায়ক আবু বক্কর বাবু, মোহাম্মদ ইস্কান্দার, মোহাম্মদ আকতার, ৭ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সাবেক আহ্বায়ক জাবেদ হোসেন, ৩ নম্বর পাঁচলাইশ ওয়ার্ড যুবদলের সাবেক আহ্বায়ক মো. হাসান, আনোয়ার হোসেন, মোজাম্মেল এবং ৭ নম্বর পশ্চিম ষোলশহর ওয়ার্ড যুবদলের সাবেক সদস্যসচিব সোলাইমান হোসেন মনা প্রমুখ।