সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩

‘ফটিকছড়ি উত্তর’ উপজেলা ঘোষণায় ভূজপুরে আনন্দ মিছিল

ফটিকছড়ি (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি | প্রকাশিতঃ ৩ জুলাই ২০২৬ | ৭:১২ অপরাহ্ন


ফটিকছড়ির ভূজপুর থানার পাশে সদর দপ্তর নির্ধারণ করে ‘ফটিকছড়ি উত্তর’ নামে নতুন উপজেলা ঘোষণায় এলাকায় আনন্দ মিছিল ও শোকরানা মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলার সদর ইউনিয়ন ভূজপুরে পৃথক দুটি কর্মসূচির মাধ্যমে এই আনন্দ উদ্‌যাপন করেন স্থানীয়রা। এ সময় সরকারপ্রধানসহ সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে মিষ্টি বিতরণ করা হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রথম কর্মসূচিটি সকাল ৯টায় কাজিরহাট বাজারে অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় ৪ নম্বর ভূজপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান উপজেলা ঘোষণার পর প্রথমবারের মতো এলাকায় এলে তাকে পুষ্পমাল্য দিয়ে বরণ করা হয়। পরে সেখান থেকে একটি আনন্দ মিছিল বের হয়ে বাজারের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

সমাবেশে বক্তারা জানান, ২০০৭ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া ছয়টি ইউনিয়ন নিয়ে ভূজপুর থানা ঘোষণা করেছিলেন। দীর্ঘ ১৯ বছর পর থানার পাশেই উপজেলা সদর দপ্তর নির্ধারণ করে ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলা ঘোষণা করায় তারা বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

এলাকাবাসী জানান, ভূজপুর থানার রূপকার খালেদা জিয়া প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, ক্ষমতায় এলে ভূজপুরবাসীকে যথাযথ মূল্যায়ন করা হবে। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করায় তারা আনন্দিত।

একই দিন জুমার নামাজের পর কাজিরহাট বাজারে ইসলামী ব্যাংকের সামনে দ্বিতীয় কর্মসূচি হিসেবে দোয়া ও শোকরানা মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। মাহফিলে নতুন উপজেলা ঘোষণার জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনা করা হয়।

দোয়া মাহফিলে ভূজপুর থানা প্রতিষ্ঠায় যারা অর্থ, শ্রম ও ভূমি দিয়ে সহযোগিতা করেছিলেন, তাদের স্মরণ করা হয়। পাশাপাশি সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মাগফিরাত কামনা করা হয়। এ সময় দ্রুত উপজেলা নির্বাহী প্রশাসক নিয়োগের মাধ্যমে প্রশাসনিক কার্যক্রম শুরু এবং অবহেলিত এই জনপদের সমস্যা সমাধানের দাবি জানানো হয়।

উভয় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এমএসএইচ শাহজাহান চৌধুরী শিপন, মাহাবুল আলম আযাদ, রিজোয়ান চৌধুরী, মাওলানা জুনাইদ বিন জালাল, বিএনপি নেতা মাহাবুর আলম আযাদ, মাওলানা জসিম উদ্দিন, মাওলানা আবু তালেব, ব্যাংকার ফজলুল করিম, ইব্রাহিম মেম্বার, জসিম মীর, লোকমান হোসেন মেম্বার, হাফেজ এমদাদ, মোহাম্মদ জাহেদ হাসান, মাওলানা মুহিব্বুল্লাহ আমিনী, বিএনপি নেতা মুনসুর চৌধুরী, জহির উদ্দিন বাবর, এম. নিজাম উদ্দিন, মোহাম্মদ ফয়েজ, সংবাদকর্মী মাওলানা আসগর সালেহী, নুরুল আলম গুরামিয়া মেম্বার, মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন, মাওলানা এরশাদ বিন জালাল, বখতিয়ার তালুকদার, খায়রুল বশর, মীর সুমন, এমদাদ ইসলাম, আবু ওবাইদা, জয়নাল আবেদীন, ইলিয়াস তালুকদার, আখতারুজ্জামান রুবেল, মোহাম্মদ জামাল উদ্দিন, মাওলানা রফিক, মোহাম্মদ আমান উল্লাহ, মামুন বশর ভূইয়া, মোহাম্মদ তারেকুল ইসলাম, সেলিম রেজা, রিপন চৌধুরী, রহিম, নিজাম ও খালেদ।