
রাঙামাটির কাউখালী উপজেলায় টানা ভারী বর্ষণে পাহাড়ধসের তীব্র শঙ্কা দেখা দিয়েছে।
পাহাড়ের পাদদেশে ও ঢালে ঝুঁকিপূর্ণভাবে বসবাসকারী পরিবারগুলোর জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিতে মাঠপর্যায়ে তৎপরতা শুরু করেছে উপজেলা প্রশাসন।
মঙ্গলবার উপজেলার বিভিন্ন দুর্গম ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা পরিদর্শন করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাজিব হোসেন।
উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয় সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, কাউখালী উপজেলার চারটি ইউনিয়নের ২৬টি এলাকাকে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
এসব এলাকার মধ্যে কলমপতি ইউনিয়নের সুগারমিল ও মাঝেরপাড়া, ঘাগড়া ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ড, বেতবুনিয়া ইউনিয়ন সংলগ্ন পাহাড়ি ঢাল এবং ফটিকছড়ি ইউনিয়নের পাহাড়ের নিচের জনবসতি রয়েছে।
ইউএনও রাজিব হোসেন এসব প্রধান ঝুঁকিপূর্ণ স্থান পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি পাহাড়ে বসবাসরত নাগরিকদের দ্রুত নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যাওয়ার অনুরোধ জানান।
সম্ভাব্য দুর্যোগ মোকাবিলায় উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ইতোমধ্যে ৩৬টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
এছাড়া ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে রেড ক্রিসেন্ট ও ফায়ার সার্ভিসের সহায়তায় সতর্কতামূলক মাইকিং করা হচ্ছে।
ইউএনও জানান, পাহাড়ে বসবাসকারী প্রতিটি মানুষের জীবনের নিরাপত্তা দেওয়া প্রশাসনের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার।
পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এই সতর্কবার্তা বহাল থাকবে বলে জানান তিনি। দুর্যোগকালীন পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রশাসন সব ধরনের খাদ্য ও চিকিৎসা সহায়তা দিতে প্রস্তুত রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন ইউএনও।
পরিদর্শনকালে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের কর্মকর্তা এবং রেড ক্রিসেন্টের স্বেচ্ছাসেবীরা উপস্থিত ছিলেন।