সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩

যেভাবে ২,১৮৫টি চুক্তি এক এক করে পড়া হলো

শরীফুল রুকন | প্রকাশিতঃ ১৭ অগাস্ট ২০২৬ | ৫:৪৯ অপরাহ্ন


এই সিরিজের ভিত্তি সরকারেরই প্রকাশিত তথ্য- ফাঁস হওয়া কোনো নথি নয়। অথচ সেই প্রকাশিত তথ্য এক জায়গায় জড়ো করতেই লেগেছে কয়েক সপ্তাহ। কেন, তার ব্যাখ্যাটিই এই অনুসন্ধানের প্রথম আবিষ্কার।

ই-জিপি পোর্টালে চুক্তির তথ্য এক ক্লিকে নামানোর কোনো ব্যবস্থা নেই; প্রতি পাতায় দেখা যায় মাত্র ১০টি। ফলে ২০২৬ সালের মার্চ, এপ্রিল ও মে মাসে চট্টগ্রাম জেলায় সম্পাদিত প্রতিটি চুক্তির পাতা হাতে খুলে তথ্য তুলতে হয়েছে- ২ হাজার ১৮৫টি চুক্তি, ৮৩ হাজার ৬৮৬ সারির কাঁচা উপাত্ত।

এরপর তা সাজানো হয়েছে বিশ্লেষণযোগ্য ছকে, আর প্রতিটি চুক্তির পাতা স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা হয়েছে archive.ph-এ- যাতে পোর্টালের তথ্য পরে বদলে গেলেও মূল রেকর্ডটি থেকে যায়।

এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে ১৭ জুলাই পর্যন্ত পোর্টালে থাকা ১১ জেলার ৯১টি “অফলাইন চুক্তির” নথি।

যাচাইয়ের ছাঁকনি। প্রাথমিকভাবে ১৫ ধরনের “খটকা” ধরা হয়েছিল; যাচাইয়ের পর চূড়ান্ত হয়েছে ১৪টি। ২ হাজার ১৮৫টির মধ্যে ১ হাজার ৬৪৯টিতে অন্তত একটি খটকা মিলেছে।

একটি সীমারেখা। ই-জিপিতে কাজ শুরু ও শেষের তারিখ লেখা থাকে “প্রস্তাবিত” হিসেবে। তাই এই সিরিজে “খটকা” আর “প্রমাণিত লঙ্ঘন”- দুটিকে সবখানে আলাদা করে বলা হয়েছে। খটকা মানে প্রমাণিত দুর্নীতি নয়; মানে প্রশ্ন তোলার উপলক্ষ।

যাচাই করে দেখার সুযোগ। এই অনুসন্ধানের ভিত্তি হওয়া প্রতিটি চুক্তির টেন্ডার আইডি, সংকেতের হিসাব ও আর্কাইভ লিংকসহ পূর্ণ তথ্যভান্ডার প্রকাশিত হবে সিরিজের শেষ (পঞ্চম) পর্বের সঙ্গে, একসঙ্গে- যাতে পাঠক পুরো সিরিজের প্রতিটি দাবি নিজে মিলিয়ে দেখতে পারেন।

মূল প্রতিবেদন: ২৪৮ জন বনাম ২ জন: যে তুলনাটা আর কেউ করতে পারবেন না