সোমবার, ১৯ জানুয়ারি ২০২৬, ৬ মাঘ ১৪৩২

বোয়ালখালীর ইউএনও ভবনে ‘ব্যবসা প্রতিষ্ঠান’

| প্রকাশিতঃ ১৬ জুলাই ২০১৬ | ১:৩৯ অপরাহ্ন

13695946_1744465315843121_390861844_nচট্টগ্রাম: বোয়ালখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) ভবনের ভেতরে রয়েছে ২টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। একটির নাম উপজেলা ফটোস্ট্যাট এন্ড কম্পিউটার এবং অপরটির নাম জেসমিন ফটোস্ট্যাট। ফটোকপি ও স্টেশনারীর ব্যবসা করা হয় এ দুটি প্রতিষ্ঠানে।

সপ্তাহের শুক্র ও শনিবার এবং সরকারী বন্ধের দিন উপজেলা অফিস সমূহ বন্ধ থাকলেও সংরক্ষিত এলাকার ভেতরে অবস্থিত কম্পিউটার দোকান ২টির জন্য খোলা রাখতে হয় উপজেলার মেইন গেইট। ফলে বন্ধের দিন সেখানে বাইরের মানুষ যাতায়ত করতে পারেন সহজেই।

এসব প্রতিষ্ঠানে কম্পোজ ও ফটোকপি করতে গিয়ে সরকারী গুরুত্বপূর্ন নথি হারানোর ও অফিসের গোপনীয়তা ফাঁস হওয়ার আশঙ্কায় থাকেন ওই ভবনে থাকা উপজেলার বিভিন্ন সরকারী অফিসের কর্মকর্তারা। একই সাথে এ দুটি দোকানের কারণে ওই ভবনে অবাধ চলাফেরার করে সাধারণ জনগণ। ফলে নিরাপত্তা হীনতায় শংকিত থাকেন সরকারী কর্মকর্তারা।

উপজেলা সদরে অবস্থিত ইউএনও ভবনে রয়েছে ইউএনও অফিস। এছাড়াও ওই ভবনে রয়েছে উপজেলা চেয়ারম্যান অফিস, ভাইস চেয়ারম্যান অফিস ও উপজেলা নির্বাচনের অফিস, স্থানীয় প্রকৌশল অফিস, সমবায় অফিস, কৃষি অফিস, যুব উন্নয়ন অফিস, মৎস কর্মকর্তার অফিস, নির্বাচন অফিস, শিক্ষা কর্মকর্তার অফিসসহ একাধিক অফিস।

এসব প্রতিষ্ঠানে কম্পিউটার, ফটোকপি মেশিন থাকার পরও সেবা নিতে আসা জনগণকে ওই দুটি প্রতিষ্ঠান থেকে কম্পিউটার কম্পোজ, ফটোকপি এবং অন্যান্য কাগজপত্র ক্রয় করতে বাধ্য করে একশ্রেণির কর্মচারী।

অনুসন্ধানে জানা গেছে দোকানের মালিক উপজেলা চেয়ারম্যান অফিসের কম্পিউটার অপারেটর মো. শওকত আলম।

জানতে চাইলে উপজেলা চেয়ারম্যান অফিসের কম্পিউটার অপারেটর মো. শওকত আলম জানান, সব নিয়ম কানুন মেনেই তিনি এ দোকান নিয়েছেন। সরকারী কর্মচারী এভাবে দোকানের মালিক হতে পারে কিনা জানতে চাইলে তিনি নীরব থাকেন।

এব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কাজী মাহবুবুল আলম বলেন, কাগজপত্র না দেখে কিছু বলতে পারছি না। বিস্তারিত জানতে একদিন অফিসে এসে কথা বলুন।

উপজেলা চেয়ারম্যান আতাউল হকও বলেন, এব্যাপারে কিছুই জানি না। তবে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।