মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারি ২০২৬, ৭ মাঘ ১৪৩২

পুলিশের ভয়ে চুপ পদ পাওয়া যুবদল নেতারা!

| প্রকাশিতঃ ৬ অক্টোবর ২০১৮ | ১০:১৫ অপরাহ্ন

চট্টগ্রাম: দীর্ঘ ২৪ বছর পর চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হলেও তা প্রকাশে আগ্রহ নেই নেতাদের মাঝে। মূলত পুলিশের মামলা ও গ্রেফতার এড়াতে কমিটিতে ঠাঁই পাওয়া নেতারা চুপ থাকার কৌশল নিয়েছেন বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।

এর আগে গত ১ জুন মোশাররফ হোসেন দিপ্তীকে সভাপতি ও মো. সাহেদকে সাধারণ সম্পাদক করে চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের ৫সদস্য বিশিষ্ট কমিটি ঘোষণা করে কেন্দ্রীয় যুবদল। চার মাস পর গত ৪ অক্টোবর ২৩১ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে।

পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে আগের কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক মো. ইকবাল হোসেনকে সিনিয়র সহ সভাপতি, ছাত্রদল থেকে সদ্য বিদায়ী সহ সভাপতি মোশাররফ হোসেনকে যুগ্ম সম্পাদক ও এমদাদুল হক বাদশাকে সাংগঠনিক সম্পাদক করা হয়।

এ ছাড়া পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে আজমল হুদা রিংকু, নুর আহমেদ গুড্ডু, এসএম শাহ আলম রব, শাহেদ আকবর, এম এ রাজ্জাক ইকবাল হোসেন সংগ্রাম, ফজলুল হক সুমন, মনিরুজ্জমান কমল, মো. ইলিয়াছ, জাহাঙ্গীর আলম, আবদুল করিম, আবদুল গফুর বাবুল, দিদারুল ফেরদৌস, সাহাবউদ্দীন হাসান বাবু, ম. হামিদ, মো. মুছা, মিয়া মো. হারুন, মনিরুল হাসান সিদ্দিকী, হায়দার আলী চৌধুরী, নাসির উদ্দিন চৌধুরী নাসিম, হাসান মুরাদ, জসিমুল ইসলাম কিশোর, অ্যাডভোকেট ফিরোজ সহ ২৫ জনকে সহসভাপতি করা হয়েছে।

হাবিবুর রহমান মাসুম, সৈয়দ মঞ্জুর হোসেন, আমানুল্লাহ আমান, হুমায়ন কবির, মো. সেলিম, ইকবাল পারভেজ, ইঞ্জিনিয়ার রাশেদুল হাসান লেবু, আব্দুল্লাহ টিটু, এরশাদ হোসেন, দিপংকর ভট্টাচার্য, সেলিম উদ্দিন রাসেল, তৌহিদুল ইসলাম রাসেল, জিয়াউল হুদা জিয়া, শাহীন হাওলাদারকে ১৯ জনকে যুগ্ম সম্পাদক করা হয়েছে।

সহ সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে ফেরদৌস আলম, কামাল পাশা, আসাদুর রহমান পিটু, আজগর হোসেন, আলমগীর সিরাজ, সাজ্জাদ হোসেন সাজু, জাহাঙ্গীর আলম বাচা, ওসমান গণি, শাহজালাল পলাশ, মুজিবুর রহমান পলাশ সহ ১৮ জনকে সহকারী সম্পাদক পদে রাখা হয়েছে।

তিনটি থানার জন্য একজন করে মোট পাঁচজনকে সহ সাংগঠনিক সম্পাদক করা হয়েছে। জিল্লুর রহমান জুয়েলকে প্রচার সম্পাদক ও মাহবুবুর রহমানকে দেওয়া হয়েছে সহ প্রচার সম্পাদকের দায়িত্ব।

পূর্ণাঙ্গ কমিটির তালিকা প্রকাশে অনাগ্রহের কারণ জানতে শনিবার রাতে চট্টগ্রাম মহানগর যুবদল সভাপতি মোশাররফ হোসেন দিপ্তীর মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে সেটি বন্ধ পাওয়া গেছে।

তবে দলীয় সূত্র জানায়, সম্প্রতি ‘গায়েবি মামলা’ দিয়ে বিরোধীদলের নেতাকর্মীদের হয়রানি করছে পুলিশ। এখন যদি কমিটির তালিকা প্রকাশ করা হয় তাহলে তালিকা দেখে পুলিশ নেতাদের গ্রেফতার ও মামলা জড়াবে। এমন আশঙ্কা থেকেই পূর্ণাঙ্গ কমিটির তালিকায় কারা আছেন তা প্রকাশ করা হচ্ছে না।