একুশে ডেস্ক : আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, জাতীয় ঐক্যজোট হল একটি জগাখিচুড়ি। ঐক্য জোটের সাত দফা নতুন আরেক ষড়যন্ত্র।
বুধবার (১৭ অক্টোবর) নিজ নির্বাচনী এলাকার কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার বসুরহাটে কেন্দ্রীয় পূজামণ্ডপে শারদীয় শুভেচ্ছা বিনিময়ের সময় ওবায়দুল কাদের এসব কথা বলেন।
ওবায়দুল কাদের বলেন, খালেদা ও তারেক জিয়া ছাড়া বিএনপির আর কোনো নেতা নেই। খালেদা জিয়া কারাগারে এবং তাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান লন্ডনে পলাতক রয়েছেন। তিনিও ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত। দলে অনেক সিনিয়র নেতা থাকলেও তাদের বাদ দিয়ে বিএনপি ড. কামাল হোসেনের কাঁধে ভর করেছে। ঐক্যে শুরুতেই জোটের দুদলের দুই উইকেটের পতন হয়েছে। দুই উইকেটের পতনের পর বোঝা যাবে জোট থেকে আরও কত উইকেট ঝরে যাবে।
ওবায়দুল কাদের বলেন, আমাদেরও ১৪-দলীয় মহাজোট আছে, জাতীয় পার্টি আমাদের সঙ্গে আছে। তাদের সঙ্গে আমাদের সমঝোতাও আছে, তারা জোটেও আছে। সামনে জোটের এবং রাজনৈতিক মেরুকরণের গতিপ্রকৃতির ওপর নির্ভর করবে আমাদের ১৪ দল।
ওবায়দুল কাদের বলেন, আগামী ১৫ দিন পরই নির্বাচনের তফসিল। এর মধ্যে সাত দফা মানার কোনো যৌক্তিকতা নেই। ঐক্যজোট আসলে কি করবে সেটিই বলা মুশকিল। তারা আসলে নির্বাচন করবে, না নির্বাচন বানচাল করার জন্য এ জোট করেছে তা দেখার বিষয়।
ওবায়দুল কাদের বলেন, সাম্প্রদায়িক অপশক্তি যে রূপেই হোক এরা আপনাদের ও আমাদের শত্রু। এ অপশক্তির বিরুদ্ধে আপনাদের আমাদের নির্ভরযোগ্য ঠিকানা হলো বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা। আসুন আমরা সকলে মিলে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আপনাদের আমাদের সকলের অভিন্ন শত্রু সাম্প্রদায়িক অপশক্তিকে প্রতিহত করি, পরাজিত করি। আগামী নির্বাচনে এ অপশক্তিকে পরাজিত করে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশ গড়ে তুলি। আপনাদের যে কোনো সংকটময় মুহূর্তে শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগ আপনাদের পাশে ছিল, আছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে। আমরা আমাদের দলীয় নেতাকর্মীদেরও ২৪ ঘণ্টা আপনাদের পাশে থাকার জন্য নির্দেশ প্রদান করেছি
এ সময় নোয়াখালী জেলা প্রশাসক তন্ময় দাস, পুলিশ সুপার ইলিয়াস শরীফ, জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ও বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জা, সাংগঠনিক সম্পাদক ও কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বাদল প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
একুশে/ডেস্ক/এসসি