
ঢাকা : বিএনপি একটানা ১০ বছর ক্ষমতায় থাকলে আওয়ামী লীগের একটি নেতাও বেঁচে থাকত না বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য, যোগাযোগ ও প্রযুক্তি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়।
শনিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর পাঁচতারকা হোটেল রেডিসন ব্লুতে সুচিন্তা ফাউন্ডেশন আয়োজিত ‘রাজনীতির বর্তমান ও ভবিষ্যৎ’ শীর্ষক এক আলোচনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই মন্তব্য করেন।
সজীব ওয়াজেদ জয় বলেন, সন্ত্রাসী, জঙ্গী এবং ষড়যন্ত্রকারীদের গ্রেফতার করলে বিএনপি-ঐক্যফ্রন্ট নাখোশ হন। নালিশ করেন। ব্যারিস্টার মইনুল হোসেন গ্রেফতার হওয়ার পর ঐক্যফ্রন্ট নালিশ করল। আমি তো বলি তাদের শোকর করা উচিত। কারণ আওয়ামী লীগ, বিএনপি নয়। আ.লীগ যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করছে ট্রাইব্যুনাল গঠন করে। ১৫ আগস্ট, ২১ আগস্টের খুনীদের বিচার করেছে আদালতে। আওয়ামী লীগ বিএনপির মত খুনী নয়। অর্থমন্ত্রী শাহ এ এম এস কিবরিয়া, আহসান উল্লাহ মাস্টারসহ পাঁচবছরে শত শত নেতাকর্মীকে হত্যা করেছে বিএনপি। ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট একদিনেই হত্যা করেছে আ.লীগের ২৪ নেতাকর্মীকে। আমাদের মত টানা ১০ বছর ক্ষমতায় থাকলে আ.লীগের একজন নেতাকেও তারা বাঁচিয়ে রাখত না।
তারেক রহমানকে বিদেশ থেকে ফিরিয়ে এনে শাস্তির মুখোমুখি করা হবে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য, প্রযুক্তি ও যোগাযোগ উপদেষ্টা বলেন, তারেক জিয়াকে ফিরিয়ে আনবোই। যারা জঙ্গীগোষ্ঠীর সঙ্গে হাতমিলিয়ে ষড়যন্ত্র করছে তাদের কোনো ছাড় নেই।
এসময় যুদ্ধাপরাধী, জঙ্গীগোষ্ঠীর সঙ্গে হাতমিলিয়ে বিএনপির চেয়ারপারসন এবং তারেক রহমানকে রক্ষা করতে ড. কামাল হোসেন, মাহমুদুর রহমান মান্নাদের ভূমিকার সমালোচনা করেন জয়।
সুচিন্তা ফাউন্ডেশনের প্রধান সমন্বয়কারি অধ্যাপক মোহাম্মদ এ আরাফাতের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব নাসির উদ্দিন ইউসুফ বাচ্চু, মুক্তিযোদ্ধা-নারীনেত্রী রোকেয়া কবির, একাত্তর টেলিভিশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোজাম্মেল বাবু, প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমান কন্যা তানিয়া প্রমুখ বক্তৃতা করেন।
অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম, তথ্য, যোগাযোগ ও প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, আওয়ামী লীগের সাংস্কৃতিক সম্পাদক অসিম কুমার উকিলসহ রাজনীতি, সংস্কৃতাঙ্গনের বিশিষ্টজনরা উপস্থিত ছিলেন।
একুশে/এটি