
নিজস্ব প্রতিবেদকঃ একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সব জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে চট্টগ্রাম-৯ আসনে দলীয় মনোনয়ন পেলেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ব্যরিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল। তিনি চট্টগ্রামের প্রয়াত সাবেক মেয়র এ বি এম মহিউদ্দিন চৌধুরীর বড় ছেলে।
চট্টগ্রাম ১৬ টি নির্বাচনী আসনের মধ্যে তিনিই প্রথম রোববার সকাল ১০ টার দিকে দলীয় মনোনয়ন চিঠি গ্রহণ করেন। দলীয় মনোনয়ন পাওয়ার বিষয়টি একুশে পত্রিকা নিশ্চিত করে ব্যরিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল বলেন, চট্টগ্রামের গণমানুষের সংগ্রামে লিপ্ত ছিলেন আমার বাবা। তার সাথে লক্ষ লক্ষ নেতাকর্মীরা৷ এই মনোনয়নের মধ্য দিয়ে সে সমস্ত নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন করা হয়েছে যারা দুর্দিনে রাজপথে ছিলেন। এই আসনে আগে লাঙ্গল প্রতীক ছিল। নেতাকর্মীদের একটা প্রত্যাশা ছিল এখানে নৌকাকে আবার দেয়া হবে। এর মাধ্যমে নৌকার আদর্শের প্রতি একটা মূল্যায়ন হয়েছে।
এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরী জীবদ্দশায় জাতীয় রাজনীতি থেকে নিজেকে দূরে সরিয়ে রেখেছিলেন। আঞ্চলিক রাজনীতির এই প্রাণপুরুষ মন্ত্রীত্ব থেকে শুরু করে দলীয় নানা পদের সুযোগ পেয়েও তা গ্রহণ করেন নি৷ তবে পিতার পথে না হাঁটলেও, উত্তরাধিকার সূত্রে নওফেল দলে কেন্দ্রীয় নেতা হন। কিন্তু পদ পেয়ে নিজের সাংগঠনিক দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন বারবার। নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীকে বিজয় করে আনার পিছনে তার অবদান ছিল ব্যাপক। এই কারণে তরুণদের মধ্যে দলীয় প্রধানের আস্থাভাজন হিসেবে পরিণত হন। সাংগঠনিক কর্মকান্ডের পাশাপাশি গণমাধ্যমেও সক্রিয় এই তরুণ নেতা।
এদিকে চট্টগ্রাম-৩ আসনে ফের মনোনয়ন পেয়েছেন বর্তমান এমপি মাহফুজুর রহমান মিতা। তিনি সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে দলীয় নেতাকর্মী সহকারে মনোনয়ন চিঠি সংগ্রহ করেন।

চট্টগ্রাম-১২ আসনে মনোনয়ন চিঠি পেলেন বর্তমান এমপি সামসুল হক চৌধুরী। এর ফলে টানা তৃতীয়বারের মতো এই আসনে নৌকা প্রতীকের ধারাবাহিকতা অটুট রাখলেন তিনি।
অন্যদিকে চট্টগ্রাম-১৫ (সাতকানিয়া-লোহাগাড়া) আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়নের চিঠি হাতে পেয়েছেন ড. আবু রেজা মুহাম্মদ নেজাম উদ্দিন নদভী।
একুশে/আরএইচ