বুধবার, ২১ জানুয়ারি ২০২৬, ৮ মাঘ ১৪৩২

বিএনপির মনোনয়নে গোলকধাঁধা, এক আসনে একাধিক প্রার্থী!

| প্রকাশিতঃ ২৭ নভেম্বর ২০১৮ | ১১:২৩ অপরাহ্ন


চট্টগ্রাম: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে চট্টগ্রামের বিভিন্ন আসনে ৩-৪ জনকে প্রাথমিক মনোনয়নের প্রত্যয়নপত্র দিয়েছে বিএনপি; এতে গোলকধাঁধায় পড়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

এ পর্যন্ত যাদের মনোনয়নের বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া গেছে, তাতে দেখা যাচ্ছে এক আসনে একাধিক নেতাকে মনোনয়নের প্রত্যয়নপত্র দিয়েছে দলটি। একজনকে মূল প্রার্থী ধরে বাকিদের বিকল্প প্রার্থী হিসেবে প্রত্যয়ন দেয়া হয়েছে বলে দলীয় সূত্র জানিয়েছে।

চট্টগ্রাম-১ আসনে মনোনয়ন পেয়েছেন মো. মনিরুল ইসলাম ইউসুফ, নুরুল আমিন ও কামাল উদ্দিন আহমেদ। চট্টগ্রাম-২ আসনে ডা. খুরশীদ জামিল চৌধুরী ও ও মো. সালাহউদ্দিন মনোনয়ন পেয়েছেন।

চট্টগ্রাম-৩ আসনে মোস্তফা কামাল পাশা ও মোহাম্মদ নুরুল মোস্তফা খোকন। চট্টগ্রাম-৪ আসনে মোহাম্মদ আসলাম চৌধুরী ও সাবেক সচিব এ ওয়াই বি আই সিদ্দিকী।

চট্টগ্রাম-৫ আসনে মীর মোহাম্মদ নাছির উদ্দীন ও ব্যারিস্টার শাকিলা ফারজানা। চট্টগ্রাম ৬ আসনে গোলাম আকবর খোন্দকার ও গিয়াসউদ্দিন কাদের চৌধুরী পুত্র সামির কাদের চৌধুরী।

চট্টগ্রাম-৭ আসনে অধ্যাপক কুতুব উদ্দিন বাহার ও মুহাম্মদ শওকত আলী নুর। চট্টগ্রাম-৮ আসনে এম মোরশেদ খান ও আবু সুফিয়ান। এখানে এরশাদ উল্লাহও মনোনয়ন চিঠি পেয়েছেন বলে জানা গেছে।

চট্টগ্রাম-৯ আসনে শাহাদাত হোসেন, এমইবি গ্রুপের এমডি মো. শামসুল আলম ও নগর বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক সাইফুল আলম।

এছাড়া চট্টগ্রাম-১০ আসনে আবদুল্লাহ আল নোমানকে মনোনয়ন দেয়া হলেও একই আসনে মোশারফ হোসেন দীপ্তিকে বিকল্প প্রার্থী রাখা হয়েছে।

চট্টগ্রাম-১১ আসনে আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী একক প্রার্থী। চট্টগ্রাম-১২ আসনে গাজী মোহাম্মদ শাহজাহান জুয়েল ও ব্যবসায়ী এনামুল হক।

চট্টগ্রাম-১৩ আসনে সরওয়ার জামান নিজাম ও মোস্তাফিজুর রহমান। চট্টগ্রাম-১৬ আসনে জাফরুল ইসলাম চৌধুরী একক প্রার্থী।

দলীয় সূত্র জানায়, অনেক নেতার বিরুদ্ধে মামলা থাকায় সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে অধিকাংশ আসনে একাধিক প্রার্থীকে প্রাথমিক মনোনয়ন দিয়ে রাখছে বিএনপি।

নির্বাচনী আইন অনুযায়ী প্রাথমিক মনোনয়নের ক্ষেত্রে এক আসনে একাধিক প্রার্থীকে প্রত্যায়ন দেওয়ার সুযোগ থাকলেও প্রতীক বরাদ্দের আগে দলের পক্ষ থেকে মনোনয়নের চূড়ান্ত তালিকা নির্বাচন কমিশনে জমা দিতে হয়।

সেখানে যাদের নাম থাকবে, কেবল তারাই শেষ পর্যন্ত ধানের শীষের প্রার্থী হিসেবে বিবেচিত হবেন, বাকিদের মনোনয়নপত্র বাদ যাবে।

৩০ ডিসেম্বর ভোটের তারিখ রেখে ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ তারিখ ২৮ নভেম্বর। আর ৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রত্যাহার করা যাবে।