বুধবার, ২১ জানুয়ারি ২০২৬, ৮ মাঘ ১৪৩২

বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত প্রতিনিধি সম্মেলন

| প্রকাশিতঃ ২৮ ডিসেম্বর ২০১৬ | ৭:০১ অপরাহ্ন

চট্টগ্রাম: বাংলাদেশ ও ভারতের সীমান্তবর্তী জেলা প্রতিনিধিদের (ডিসি-ডিএম) দুইদিনব্যাপী দ্বিপাক্ষিক সম্মেলন চট্টগ্রামে শুরু হয়েছে। সম্মেলনে নিরাপত্তা জোরদারে সীমান্ত এলাকায় সড়ক নির্মাণ, সীমান্তে অপ্রয়োজনীয় উত্তেজনা ও সংঘর্ষ পরিহারসহ ১০টিরও বেশি আলোচ্যসূচি নিয়ে আলোচনা হয়।
এর আগে বুধবার সকাল ১০টায় নগরীর ‘মোটেল সৈকতে’ এই সম্মেলন শুরু হয়। বৃহস্পতিবার চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে এ সম্মেলন শেষ হবে।
সম্মেলনে আলোচ্যসূচির মধ্যে অন্যতম হচ্ছে- সীমান্ত এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার নির্মাণ, সীমান্ত হাট প্রতিষ্ঠা, সীমান্তে অপ্রয়োজনীয় উত্তেজনা ও সংঘর্ষ পরিহার, সীমান্ত এলাকায় করার জন্য সড়ক যৌথ ভূমি জরিপ সম্পন্ন করা, নারী ও শিশুপাচার রোধ, মাদক চোরাচালান রোধ, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, আন্তঃসীমান্ত অপরাধ ও সন্ত্রাস নিরোধ করা, বিজিবি-বিএসএফ’র যৌথ টহল জোরদার, সীমান্ত এলাকার নদ-নদীর বাধ ও বন্যা নিয়ন্ত্রণ করা, উভয় দেশের সংস্কৃতির আদান-প্রদান এবং জাল নোট রোধ করা।
সম্মেলনে উভয় দেশের তিনটি করে মোট ছয়টি সীমান্তবর্তী জেলার প্রশাসক, বিজিবি প্রতিনিধি, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটসহ তাদের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। উভয় দেশের এই ছয়টি সীমান্তবর্তী জেলা হল বাংলাদেশের-খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি ও মৌলভিবাজার এবং ভারতের উনাকাটি, ধলাই ও উত্তর ত্রিপুরা।
প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে সম্মেলনের উদ্বোধন করেন চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার রুহুল আমিন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রামে নিযুক্ত ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনার সোমনাথ হালদার। রুহুল আমিন ও সোমনাথ হালদার তাদের বক্তব্যে দুই দেশের সম্প্রীতি ও বন্ধন সবসময় অটুট রাখার জন্য একযোগে কাজ করে যাওয়ার আহ্বান জানান।
সম্মেলনে বাংলাদেশের পক্ষে নেতৃত্ব দিচ্ছেন খাগড়াছড়ির জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ ওয়াহিদুজ্জামান। অন্যদিকে ভারতের পক্ষে নেতৃত্ব দেন উনাকাটির জেলা ম্যাজিস্ট্রেট পি আর ভট্টাচার্য। বৃহস্পতিবার সকালে চট্টগ্রামের ‘মোটেল সৈকত’ হোটেলে দুই দেশের মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার কথা রয়েছে।