বুধবার, ২১ জানুয়ারি ২০২৬, ৮ মাঘ ১৪৩২

পটিয়ায় খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি ও সুস্থতা কামনায় দোয়া

| প্রকাশিতঃ ১৬ অগাস্ট ২০২৩ | ১০:০০ অপরাহ্ন


পটিয়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি : বেগম খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি ও সুস্থতা কামনা করে পটিয়া উপজেলা ও পৌরসভা বিএনপির উদ্যোগে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ (১৬ আগস্ট) বুধবার বিকেলে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল পটিয়া পৌরসভা বিএনপির আহ্বায়ক নুরুল ইসলাম সওদাগরের সভাপতিত্বে ও উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব খোরশেদ আলমের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত হয়।

এতে প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবু সুফিয়ান, প্রধান বক্তা ছিলেন জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক এনামুল হক এনাম।

দোয়া মাহফিলে বেগম খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি, দীর্ঘায়ু জীবন কামনা, প্রয়াত জিয়াউর রহমান ও আরাফাত রহমান কোকোর আত্মার মাগফেরাত কামনা করা হয়।

দোয়া মাহফিল পুর্ব সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি আবু সুফিয়ান বলেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশের একজন জনপ্রিয় নেত্রী। আজীবন গণতন্ত্রের জন্য আপসহীন সংগ্রাম করা এই মহিয়সী নারীকে এই সরকার অন্যায়ভাবে দীর্ঘদীন ধরে বন্দী রেখে মানবতাবিরোধী অপরাধ করেছে। দেশের তিনবারের সাবেক সফল প্রধানমন্ত্রী ৭৮ বছর বয়সী বেগম খালেদা জিয়া দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন জটিল রোগে আক্রান্ত হয়ে বর্তমানে পঙ্গুত্ব বরণ করার পরও সরকার তার উন্নত চিকিৎসার জন্য কোন ধরনের সহযোগিতা করেনি। একজন বয়োজ্যেষ্ঠ সম্মানিত নারীর প্রতি আওয়ামী লীগ সরকারের অমানবিক আচরণ লজ্জাজনক। অবিলম্বে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি দাবি করছি।

প্রধান বক্তা এনামুল হক এনাম বলেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এ দেশের গণতন্ত্রকামী জনতার মূর্তপ্রতীক। তাঁর আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তাকে সরকার ভয় পায়। আওয়ামী লীগ সরকার অবৈধভাবে রাষ্ট্র ক্ষমতাকে কুক্ষিগত করে রেখেছে। তাদের এই অন্যায় অবিচারের বিরুদ্ধে জনগণ ফুঁসে উঠেছে। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া কোন অন্যায়ের কাছে আপস করেননি।

দোয়া মাহফিলে আরও উপস্থিত ছিলেন পৌরসভা বিএনপির সদস্য সচিব গাজী আবু তাহের, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মফজল আহমদ চৌধুরী, পৌরসভা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আবুল ফয়েজ, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক মনির আহমদ সেলিম, মঈনুল আলম ছোটন, সাইফুদ্দীন আহমেদ, হাজী কামাল উদ্দীন, পৌরসভা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আবদুল মাবুদ, উপজেলা ও পৌরসভা বিএনপি নেতা হারুনুর রশীদ চৌধুরী, খলিলুর রহমান বাবু (চেয়ারম্যান), হাজী ইব্রাহিম সওদাগর, মাহবুব রহমান (চেয়ারম্যান), মাহবুব রহমান, আবদুর রহিম, শরীফ উদ্দীন চৌধুরী, আবদুল আলম মেম্বার, হাজী আবদুল মন্নান তালুকদার, মনজুর আলম মনজু, বোরহান উদ্দিন, মফিজুর রহমান, হাজী আবদুল মন্নান, এসএম হাবিব উল্লাহ, সেলিম সিকদার, এডভোকেট আবদুস সবুর, আহমদ কবির চৌধুরী, আবদুল ওহাব মুন্সি, মোঃ জাকারিয়া, বুুলবুল আহমেদ নান্নু, নাজিম উদ্দীন, মোঃ ইব্রাহিম, আবছার উদ্দীন, মিজানুর রহমান, জেলা যুবদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি – মোঃ শাহজাহান চৌধুরী।

আরও উপস্থিত ছিলেন- জেলা যুবদল নেতা – হামিদুর রহমান পিয়ারু, আল রায়হান সোহেল, নুরুল আলম, সিরাজুল ইসলাম তারেক, গাজী নজরুল ইসলাম, জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়াক রবিউল হোসেন রবি, সদস্য সচিব কামরু উদ্দীন সবুজ, যুগ্ম আহ্বায়ক এস এম নয়ন, শাহাদাত হোসেন, রেজাউল করিম মিজান, জেলা কৃষক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মীর জাকের, জেলা জাসাস সভাপতি নাসির উদ্দীন, উপজেলা যুবদল নেতা ইয়াসির আরাফাত ইয়াসিন, অহিদুল আলম চৌধুরী পিবলু, পৌরসভা যুবদল নেতা হাবিবুর রহমান রিপন, এস এম রেজা রিপন, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক ওবায়দুল হক রিকু, সদস্য সচিব মোহাম্মদ জাহেদ, পৌরসভা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব আবদুল কাদের, উপজেলা শ্রমিক দলের সভাপতি শাখাওয়াত হোসেন সাধারণ সম্পাদক আবু নোমান চৌধুরী লিটন, জেলা কৃষক দল নেতা ইউসুফ শাহ, শাহাদাত হোসেন পারভেজ, যুবদল নেতা ইকবাল সিকদার সুমন, মোহাম্মদ ইসমাইল, নাসির হাজারী, মোহাম্মদ সোলাইমান, গাজী দুলাল, মহিউদ্দিন ফারুক টিংকু, জালাল উদ্দীন ছোটন, মোজাম্মেল হক, আবদু ছবুর, আলমগীর, আবু তাহের, আবদুল আজিজ, মানিক, স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মিজানুর রহমান মায়া, ওমর ফারুক সানি, শফিকুল ইসলাম শফি, ছাত্রদল নেতা রবিউল হাসান সৌরভ, আলী হোসেন, মোহাম্মদ হাবিব, সেকান্দর হোসেন ডেভিড, মাঈনুদ্দীন হাসান শাকিল, মোহাম্মদ ফারুক, হাসান সিকদার, জুলফিকার, মো. কায়সার, মুন্না, রমজান, শাহীন, শিবলু, আবদুর রহিম প্রমুখ।