সোমবার, ১৯ জানুয়ারি ২০২৬, ৬ মাঘ ১৪৩২

চুকনগর বধ্যভূমিতে বঙ্গবন্ধু পরিষদের শ্রদ্ধা

| প্রকাশিতঃ ২০ মে ২০২৪ | ৫:৩৬ অপরাহ্ন


খুলনা : ঐতিহাসিক ‘চুকনগর গণহত্যা দিবস’ উপলক্ষে চুকনগর বধ্যভূমিতে পুষ্পমাল্য অর্পণ করে ১৯৭১ সালের ২০ মে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর নির্যাতন ও গুলিতে নিহত শহীদদের প্রতি বঙ্গবন্ধু পরিষদের পক্ষে শ্রদ্ধা জানিয়েছে খুলনা মহানগর বঙ্গবন্ধু পরিষদ।

সোমবার (২০ মে) সকালে খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার চুকনগর বধ্যভূমিতে পুষ্পমাল্য অর্পণ করা হয়।

এ সময় খুলনা মহানগর বঙ্গবন্ধু পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মকবুল হোসেন মিন্টু ও সাধারণ সম্পাদক মো. তৌহিদুর রহমান (তৌহিদ), সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা শ্যামল সিংহ রায় ও ডা. সামছুল আহসান মাসুম, অধ্যাপক ডা. বঙ্গ কমল বসু, অধ্যাপক ড. সোবহান মিয়া, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ডা. দীপংকর নাগ, প্রফেসর ড. মনিরুজ্জামান, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. রাফিজুল ইসলাম, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক স্বপন কুমার বিশ্বাস, কৃষিবিদ অধ্যাপক সরোয়ার আকরাম আজিজ, প্রকৌশলী হুসাইন মোহাম্মদ এরশাদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

একাত্তরে মহান মুক্তিযুদ্ধকালে সারা বছর ধরে বাংলাদেশে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ও তাদের দোসরদের দ্বারা সংঘটিত গণহত্যার তীব্র নিন্দা জানিয়ে এই চরম নির্মমতার স্বীকৃতি দিতে বিশ্ব সম্প্রদায়ের দীর্ঘ ব্যর্থতার কঠোর সমালোচনা করেন বঙ্গবন্ধু পরিষদের নেতৃবৃন্দ।

তাঁরা আরও বলেন, চুকনগরের গণহত্যা আরও ভয়াবহ এই কারণে যে এখানে এই দিন সকাল ১১টা থেকে বিকেল ৪টায় গুলি ফুরিয়ে যাওয়া পর্যন্ত ব্রাশফায়ার করে বর্বর হানাদার পাকিস্তানি মুছুয়ারা কমপক্ষে ১৩ হাজার মানুষকে হত্যা করে। তাই চুকনগরের গণহত্যা হলো স্বল্পতম সময়ের মধ্যে সংঘটিত পৃথিবীর বৃহত্তম গণহত্যা। পাকিস্তান সরকার ও একাত্তরে তাদের দেয়া ভুল তথ্যের আর অপপ্রচারের শিকার মুসলিম দেশগুলোর অসহযোগিতার কারণে একাত্তরের গণহত্যার কোনো স্বীকৃতি আজ অবধি পাওয়া যায়নি। বঙ্গবন্ধু পরিষদ জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে অবিলম্বে এই স্বীকৃতি দাবি করছে। আজকের মতো ভবিষ্যতেও বঙ্গবন্ধু পরিষদ এই দাবিতে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করবে।

ভবিষ্যতের এই সব কর্মসূচিতে দেশে-বিদেশে বঙ্গবন্ধু পরিষদের সবাইকে সক্রিয়ভাবে যোগ দিতে অনুরোধ জানান বঙ্গবন্ধু পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটি সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক আ ব ম ফারুক।