
বাংলাদেশে নিযুক্ত ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূত ইউসুফ এস ওয়াই রামাদান চট্টগ্রামে হেফাজতে ইসলামের আমির আল্লামা শাহ্ মুহিবুল্লাহ্ বাবুনগরীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন।
সোমবার সকালে তিনি চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার আল জামিয়াতুল ইসলামিয়া আজিজুল উলুম বাবুনগর মাদ্রাসায় যান।
হেফাজত আমিরের ছেলে মাওলানা মুফতি আইয়ুব বাবুনগরী বলেন, “ফিলিস্তিন রাষ্ট্রদূত সকালে মাদ্রাসায় পৌঁছালে তাকে হেফাজত ও মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে স্বাগত জানানো হয়।”
সাক্ষাতে রাষ্ট্রদূত হেফাজত আমিরের শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন এবং ফিলিস্তিনের সর্বশেষ পরিস্থিতি তুলে ধরে দেশটির জনগণের জন্য দোয়া চান।
সাংবাদিকদের ইউসুফ রামাদান বলেন, “দখলদার ইসরায়েলের আগ্রাসনের বিরুদ্ধে মজলুম ফিলিস্তিনের জনগণের পক্ষে সোচ্চার থাকায় কৃতজ্ঞতা জানাতে হেফাজত আমিরের সঙ্গে দেখা করতে এসেছি। বাংলাদেশের সরকার, জনগণ ও হেফাজত নেতারা সব সময় ফিলিস্তিনকে সমর্থন জুগিয়ে আসছে। আমি এ দেশের জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞ।”
হেফাজত সূত্র জানায়, সকালে রাষ্ট্রদূত মাদ্রাসা ক্যাম্পাসে পৌঁছালে আমিরের ছেলে মুফতি আইয়ুব বাবুনগরী তাকে অভ্যর্থনা জানান। পরে তিনি আল্লামা মুহিবুল্লাহ বাবুনগরীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে মিলিত হন। এসময় ইসলাম ও মুসলিম বিশ্বের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে মতবিনিময় হয়।
পরে রাষ্ট্রদূত মাদ্রাসার ছাত্র-শিক্ষকদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় বক্তব্য দেন।
এসময় অন্যদের মধ্যে মাদ্রাসার মুহাদ্দিস আল্লামা শাহ্ হাবিবুল্লাহ বাবুনগরী, হেফাজতের কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির আল্লামা শাহ্ আইয়ুব বাবুনগরী এবং সাহিত্যবিষয়ক সম্পাদক আল্লামা হারুন আজিজী নদভী উপস্থিত ছিলেন।
মাদ্রাসার জ্যেষ্ঠ শিক্ষক মুফতি ইকবাল আজিমপুরী বলেন, “রাষ্ট্রদূত ফিলিস্তিনের নির্যাতিত জনগণের পক্ষে হেফাজতের স্পষ্ট ভূমিকা ও মুসলিম উম্মাহর স্বার্থরক্ষায় আমিরের অবস্থানের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, গাজাবাসীর পক্ষে হেফাজত ভবিষ্যতে আরও জোরদার ভূমিকা রাখবে।”