
এশিয়ার অন্যতম মৎস্য প্রজননক্ষেত্র হালদা নদী থেকে ৩০ হাজার কেজি ডিম সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট প্রকল্প পরিচালক।
এই লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে ডিম সংগ্রহকারীদের সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাসও দিয়েছেন তিনি।
সোমবার চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে ‘হালদা নদী সংরক্ষণে জনসচেতনতা সৃষ্টি’ শীর্ষক এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে হালদা নদী প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজননক্ষেত্র উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা প্রকল্পের (দ্বিতীয় পর্যায়) পরিচালক মুহাম্মদ মিজানুর রহমান এ কথা জানান।
তিনি বলেন, “হালদা নদী দেশের জাতীয় সম্পদ, এই সম্পদ রক্ষা করা প্রত্যেকের নৈতিক দায়িত্ব। জনগণের সার্বিক সহযোগিতা ছাড়া শুধু প্রশাসনের পক্ষে হালদা রক্ষা করা প্রায় অসম্ভব।”
মিজানুর রহমান জানান, হালদা নদীর যাবতীয় কার্যক্রম পরিচালনার জন্য সত্তারঘাট এলাকায় একটি বহুতল ভবন নির্মাণ করা হবে। সেখান থেকেই নদী রক্ষার সব দাপ্তরিক কার্যক্রম পরিচালিত হবে।
হালদার নাম বিশ্বে ছড়িয়ে দেওয়ার পেছনে স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীদের কৃতিত্ব রয়েছে উল্লেখ করে তিনি भविष्यতেও তাদের সহযোগিতা কামনা করেন।
উপজেলা জ্যেষ্ঠ মৎস্য কর্মকর্তা মো. শওকত আলীর সভাপতিত্বে সেমিনারে বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মু. আবদুল্লাহ আল মামুন, প্রাণীসম্পদ কর্মকর্তা সুজন কানুনগো ও প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা নিয়াজ মোর্শেদ।
উপজেলা প্রাণী সম্পদ কার্যালয়ের প্রশিক্ষণ কক্ষে আয়োজিত এ সেমিনারে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন ফরহাদাবাদ ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান শফিউল আজম, মেখল ইউপি চেয়ারম্যান রাশেদুল আলম, হাটহাজারী প্রেস ক্লাব সভাপতি কেশব কুমার বড়ুয়া এবং জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত ডিম সংগ্রহকারী কামাল সওদাগর।