
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (চাকসু) নির্বাচনে ছাত্রশিবির সমর্থিত ভিপি প্রার্থীকে নিয়ে দুটি দৈনিকে প্রকাশিত সংবাদকে ‘ভিত্তিহীন, মনগড়া ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ আখ্যা দিয়ে এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে সংগঠনটি।
দৈনিক ইনকিলাব ও কালবেলায় প্রকাশিত প্রতিবেদনগুলো প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে ছাত্রশিবিরের চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখা।
মঙ্গলবার এক যৌথ বিবৃতিতে এই প্রতিক্রিয়া জানান চবি ছাত্রশিবিরের সভাপতি মোহাম্মদ আলী এবং সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ পারভেজ।
বিবৃতিতে তারা অভিযোগ করেন, শিবির সমর্থিত প্যানেলের ভিপি প্রার্থী ইব্রাহীম হোসেন রনীকে নিয়ে করা ওই প্রতিবেদনে সাংবাদিকতার ন্যূনতম নীতিমালা লঙ্ঘন করা হয়েছে।
নেতারা বলেন, “প্রতিবেদনে আমাদের ভিপি প্রার্থীকে অভিযুক্ত করা হলেও তার কোনো বক্তব্য নেওয়া হয়নি। এমনকি তার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়নি।”
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, প্রতিবেদনে ‘শিক্ষার্থীদের অভিযোগ’ উল্লেখ করে একাধিক অসত্য তথ্য দেওয়া হলেও কোনো শিক্ষার্থীর নাম বা সরাসরি বক্তব্য উল্লেখ করা হয়নি।
ছাত্রশিবিরের নেতারা প্রতিবেদনে উল্লিখিত কয়েকটি অভিযোগ খণ্ডন করে বলেন, “৫ আগস্টের পর রনীর নেতৃত্বে শিবির ক্যাম্পাস দখল করে নেয়—এই বক্তব্যের পক্ষে কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়নি। একইভাবে, ক্যাম্পাসে ১০টি গুপ্ত হামলার সঙ্গে শিবিরের সম্পৃক্ততার দাবিটিও নিছক অনুমাননির্ভর প্রোপাগান্ডা।”
বিবৃতিতে তারা আরও দাবি করেন, “৬ ফেব্রুয়ারি বিজয় ২৪ হলে শিবিরের নেতাকর্মীরা নৌকার প্রতীক ভাঙতে গেলে ছাত্রীদের সঙ্গে সংঘর্ষ বাধে—এই তথ্যটিও সম্পূর্ণ মিথ্যা ও যাচাইবিহীন বানোয়াট গল্প।”
মোহাম্মদ আলী এবং মোহাম্মদ পারভেজ আশা প্রকাশ করেন, সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যমগুলো তাদের ভুল স্বীকার করে প্রতিবেদন প্রত্যাহার করবে এবং ভবিষ্যতে এমন বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রচার থেকে বিরত থাকবে।
ছাত্রশিবিরের চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখার প্রচার সম্পাদক ইসহাক ভূঁঞা কর্তৃক বিবৃতিটি সংবাদমাধ্যমে পাঠানো হয়।