সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩

হাটহাজারীতে ৩১ কেন্দ্র ‘অধিক ঝুঁকিপূর্ণ’

হাটহাজারী (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি | প্রকাশিতঃ ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ | ৮:০৫ অপরাহ্ন


চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে আসন্ন সংসদ নির্বাচনের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) দুপুরের পর থেকে কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে কেন্দ্রে কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে ব্যালট বাক্সসহ নির্বাচনী সরঞ্জাম। অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের লক্ষ্যে উপজেলার ৩১টি কেন্দ্রকে ‘অত্যাধিক ঝুঁকিপূর্ণ’ হিসেবে চিহ্নিত করে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে প্রশাসন।

উপজেলা সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মু. আবদুল্লাহ আল মুমিন জানান, হাটহাজারী উপজেলার ১৪টি ইউনিয়ন, ১টি পৌরসভা এবং সিটি করপোরেশনের দক্ষিণ পাহাড়তলী ও বায়েজিদ (আংশিক) এলাকা নিয়ে গঠিত এই সংসদীয় আসনে মোট ভোটকেন্দ্র ১৪৩টি। এর মধ্যে ১০৫টি উপজেলা এলাকায় এবং ৩৮টি সিটি করপোরেশন এলাকায় অবস্থিত।

প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, ১৪৩টি কেন্দ্রের মধ্যে ৩১টি কেন্দ্রকে ‘অত্যাধিক ঝুঁকিপূর্ণ’ এবং ৮৩টি কেন্দ্রকে ‘অপেক্ষাকৃত ঝুঁকিপূর্ণ’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। বিশেষ করে রাউজান ও ফটিকছড়ি সংলগ্ন হালদা নদীর পাড় এবং পাহাড়ি এলাকায় অবস্থিত কেন্দ্রগুলোকে ঝুঁকিপূর্ণ তালিকায় রাখা হয়েছে। এসব কেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনের পাশাপাশি দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যদের শরীরে ‘বডি ওর্ন ক্যামেরা’ থাকবে। এছাড়া আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় ৯টি মোবাইল টিম মাঠে থাকবে।

নির্বাচনে মোট ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ৯৫ হাজার ১৪৬ জন। এর মধ্যে পুরুষ ২ লাখ ৫৪ হাজার ৬২৩ জন, নারী ২ লাখ ৪০ হাজার ৫২২ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ১ জন ভোটার রয়েছেন। এবার পোস্টাল ভোটের জন্য নিবন্ধন করেছেন ৬ হাজার ৭৭০ জন। ভোটগ্রহণের দায়িত্বে থাকবেন ১৪৩ জন প্রিসাইডিং কর্মকর্তা, ২৮৬ জন সহকারী প্রিসাইডিং কর্মকর্তা এবং ১ হাজার ১৪৪ জন পোলিং কর্মকর্তা।

নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ৭ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে বিভিন্ন জোনে ভাগ করে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এছাড়া নির্বাচনে পুলিশ, র‍্যাব, বিজিবি ও সেনা সদস্যরা টহলে থাকবেন। প্রতিটি কেন্দ্রে আনসার ও ভিডিপি সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। মোট ১ হাজার ৩৬৫ জন আনসার সদস্যের মধ্যে ৩১৫ জন অস্ত্রধারী এবং ৪২০ জন নারী সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন।

বুধবার দুপুরে উপজেলা পরিষদ চত্বরে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে ইউএনও মু. আবদুল্লাহ আল মুমিন নির্বাচনে দায়িত্ব পালনকারী পুলিশ ও আনসার সদস্যদের পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেন। তিনি জানান, জনসাধারণ যাতে নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারেন, সেজন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।