সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩

বাঁশখালীতে জামানত হারালেন হাতপাখার প্রার্থীসহ চারজন

জহিরুলের জয়ে লেয়াকত ফ্যাক্টর
বাঁশখালী (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি | প্রকাশিতঃ ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ | ১০:১১ অপরাহ্ন


ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-১৬ (বাঁশখালী) আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা সাত প্রার্থীর মধ্যে চারজনই তাদের জামানত হারিয়েছেন। নির্বাচনী বিধি অনুযায়ী মোট বৈধ ভোটের এক-অষ্টমাংশ ভোট না পাওয়ায় তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। তবে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা বিএনপি নেতা মোহাম্মদ লেয়াকত আলী সম্মানজনক ভোট পেয়ে জামানত রক্ষা করতে সক্ষম হয়েছেন।

বেসরকারিভাবে প্রাপ্ত ফলাফল বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, জামানত হারানো প্রার্থীদের প্রাপ্ত ভোট মোট প্রদত্ত ভোটের তুলনায় খুবই নগণ্য। জামানত বাজেয়াপ্ত হওয়া প্রার্থীরা হলেন—ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী হাফেজ রুহুল্লাহ (৩ হাজার ৯৭৮ ভোট), ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশ মনোনীত চেয়ার প্রতীকের প্রার্থী মাওলানা আব্দুল মালেক (৮১১ ভোট), গণঅধিকার পরিষদ (জিওপি) মনোনীত ট্রাক প্রতীকের প্রার্থী মো. আরিফুল হক (২৪১ ভোট) এবং বাংলাদেশ মুসলিম লীগ মনোনীত হারিকেন প্রতীকের প্রার্থী এহেছানুল হক (১০৪ ভোট)।

অন্যদিকে, এই আসনে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের পর বিজয়ী হয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম। তিনি ৮৯ হাজার ৯৬০ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মিশকাতুল ইসলাম চৌধুরী পাপ্পা পেয়েছেন ৮২ হাজার ২৩৭ ভোট।

নির্বাচনে বিএনপি ঘরানার স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ লেয়াকত আলী (ফুটবল প্রতীক) ৫৫ হাজার ৭১ ভোট পেয়ে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছেন। বিপুল সংখ্যক ভোট পাওয়ার কারণে তিনি তার জামানত রক্ষা করতে পেরেছেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, লেয়াকত আলীর এই বিপুল ভোট প্রাপ্তিই মূলত বিএনপির দলীয় প্রার্থীর পরাজয়ের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

বাঁশখালী আসনে মোট ভোটার ছিলেন ৪ লাখ ৪ হাজার ৫৫৯ জন। উপজেলার ১১২টি কেন্দ্রে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।