সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩

চকরিয়ায় শপিংমলে পুলিশের অভিযান, হাতেনাতে ধরা ৪ ছিনতাইকারী

চকরিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি | প্রকাশিতঃ ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ | ১২:৪৬ অপরাহ্ন


রমজানের ঈদ ঘিরে ক্রেতাদের নিরাপদ কেনাকাটা নিশ্চিত করতে কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার বিপণিবিতানগুলোতে নিরাপত্তা জোরদার করেছে পুলিশ। এরই অংশ হিসেবে শনিবার বিভিন্ন শপিংমলে বিশেষ অভিযান চালিয়ে চার ছিনতাইকারীকে হাতেনাতে আটক করা হয়েছে। সাধারণ মানুষের ভিড়ের সুযোগ নিয়ে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধেই চকরিয়া থানা পুলিশের পক্ষ থেকে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

শনিবার রাতে অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করে চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মনির হোসেন জানান, আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে শপিংমলগুলোতে ব্যাপক ক্রেতা সমাগম হবে। এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে ছিনতাইকারী ও বখাটেরা বিভিন্ন জায়গায় অবস্থান নিয়ে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড চালাতে পারে। বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে বিপণিবিতানগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিশেষ নজরদারি ও টহল বাড়ানো হয়েছে বলে মোহাম্মদ মনির হোসেন উল্লেখ করেন।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শনিবার রাতে টহল চলার সময় চকরিয়া নিউ মার্কেট, জনতা মার্কেট ও চকরিয়া সিটি সেন্টার এলাকা থেকে ওই চারজনকে ছিনতাইয়ের সময় হাতেনাতে আটক করা হয়। আটক ব্যক্তিরা হলেন—উপজেলার কাকারা ইউনিয়নের মাইজ কাকারা এলাকার আব্দুল্লাহ (২৬), সাহারবিল ইউনিয়নের মধ্যমপাড়া এলাকার রাহাত হোসেন (৩৩), চকরিয়া পৌরসভার সোসাইটি পাড়া এলাকার মো. আরমান (৪১) এবং চকরিয়া পৌরসভার বাজার পাড়া এলাকার মোহাম্মদ দিদারুল ইসলাম। আটককৃত এই চারজনের বিরুদ্ধেই প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে বলে ওসি মোহাম্মদ মনির হোসেন নিশ্চিত করেছেন।

এদিকে শনিবার রাতে চকরিয়া থানা পুলিশের মিডিয়া সেল থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে বিপুল ক্রেতা সমাগমকে কেন্দ্র করে উপজেলা সদরের মার্কেট ও অন্যান্য জনবহুল এলাকায় সাদা পোশাকের পাশাপাশি ইউনিফর্মধারী পুলিশ সদস্যদের নিয়মিত টহল এবং বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে। একই সঙ্গে যেকোনো সন্দেহজনক বা অপরাধমূলক কার্যকলাপ দেখলে তাৎক্ষণিকভাবে চকরিয়া থানা পুলিশকে জানানোর জন্য জনগণের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।

পুলিশের এই সময়োপযোগী উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন চকরিয়া মার্কেট মালিক সমিতি ও ব্যবসায়ী সমিতির কর্মকর্তারা। রোজার ঈদে বিপণিবিতানগুলোতে দোকানদার ও ক্রেতা সাধারণের নিরাপত্তা নিশ্চিতে পুরো মাসজুড়েই পুলিশের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত রাখার দাবি জানিয়েছেন তারা।