সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩

ভারতের প্রেসক্রিপশনে মাদ্রাসা শিক্ষা ধ্বংস করা হয়েছে: দক্ষিণ জেলা বিএনপির সভাপতি

জীবনে ‘অবস্থান’ তৈরি করুন, তারপর কথা বলুন! পটিয়ায় শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নোমান মোহাম্মদ
পটিয়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি | প্রকাশিতঃ ৯ এপ্রিল ২০২৬ | ৭:১৫ অপরাহ্ন


চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির সভাপতি ও পটিয়া শাহচাঁন্দ আউলিয়া কামিল মাদ্রাসার সহসভাপতি ইদ্রিস মিয়া বলেছেন, ভারতের প্রেসক্রিপশনে দেশের মাদ্রাসা শিক্ষাকে পরিকল্পিতভাবে ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। বিগত সময়ে মাদ্রাসা শিক্ষাকে মেরুদণ্ডহীন ও চরম অবহেলিত করে রাখা হয়েছিল।

আলহাজ্ব ইদ্রিস মিয়া বলেন, তারেক রহমানের যে অঙ্গীকার—মদিনা সনদ অনুযায়ী রাষ্ট্র পরিচালনা করা এবং ৩১ দফা অনুযায়ী রাষ্ট্র মেরামত করা—তার প্রভাব ইতিমধ্যে আপনারা টের পেয়েছেন। ইতিমধ্যে ফ্যামিলি কার্ড ঘরে ঘরে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে, কৃষি কার্ডও পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। বর্তমান সরকার শিক্ষার মানোন্নয়নে কাজ শুরু করেছে।

আজ বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে পটিয়া পৌর সদরের শাহচাঁন্দ আউলিয়া কামিল মাদ্রাসায় ২০২৪ সালের কামিল (স্নাতকোত্তর) শিক্ষার্থীদের বিদায়ী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইদ্রিস মিয়া এসব কথা বলেন।

ইদ্রিস মিয়া আরও বলেন, আমরা মনে করি মাদ্রাসা শিক্ষাকে প্রাধান্য দিয়ে সরকার শিক্ষার মানোন্নয়নে আরও বেশি কাজ করবে। এ সময় কৃতি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে ইদ্রিস মিয়া বলেন, বিসিএস পরীক্ষাসহ সরকারি বিভিন্ন পরীক্ষায় অংশ নিয়ে নিজেদের যোগ্যতার প্রমাণ রাখতে হবে এবং দেশের সেবায় নিয়োজিত হওয়ার শপথ নিতে হবে।

মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত সুপার মাওলানা সাইফুদ্দীন খালেদের সভাপতিত্বে এবং বিদায়ী শিক্ষার্থী সৌহরাব হোসেনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পটিয়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নোমান মোহাম্মদ। অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা ছিলেন মাদ্রাসার সাবেক সুপার মাওলানা মুখতার আহমদ।

এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে আরও বক্তব্য দেন অভিভাবক সদস্য এস এম বোরহান উদ্দীন, মাদ্রাসার শাইখুল হাদিস শহিদুল হক হোসাইনি, সহকারী অধ্যাপক সাদিকুর রহমান, সহকারী অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম, সহকারী অধ্যাপক হামিদুল হক এবং বিদায়ী শিক্ষার্থী আমিনুল ইসলাম।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নোমান মোহাম্মদ বলেন, জীবনে অবস্থানই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। কোনো কিছু বলতে বা করতে চাইলে উপযুক্ত অবস্থানে থাকলে তা অনায়াসে বলা বা করা যায়। তাই শিক্ষার্থীদের উচিত নিজেদের ভালোভাবে গড়ে তুলে সমাজের একটি ভালো অবস্থানে পৌঁছানো। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নোমান মোহাম্মদ আরও বলেন, নিজেকে যেকোনো নির্দিষ্ট বিষয়ে পারদর্শী করে তোলা এবং আলোকিত মানুষ হিসেবে গড়ে ওঠার জন্য পুঁথিগত শিক্ষার পাশাপাশি ব্যবহারিক দক্ষতাও অর্জন করতে হবে।