
বাঁশখালীর কিংবদন্তি ব্যক্তিত্ব মরহুম এমতাজুল হক চৌধুরীর স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে চট্টগ্রামে।
শনিবার (২ মে) বিকালে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের জুলাই বিপ্লব স্মৃতি হলে বাঁশখালী সচেতন নাগরিক ফোরামের আয়োজনে এ অনুষ্ঠান হয়।
অনুষ্ঠানে মরহুম এমতাজুল হক চৌধুরীর জীবন ও কর্ম নিয়ে প্রকাশিত স্মারকগ্রন্থ ‘স্মরণপত্র’-এর মোড়ক উন্মোচন করা হয়। আয়োজকদের পক্ষ থেকে মরহুমের পুত্র ও কালীপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান নিজাম উদ্দিন আহমেদ চৌধুরীর হাতে তার প্রতিকৃতি তুলে দেওয়া হয়।
সংবর্ধনা আয়োজন কমিটির আহ্বায়ক প্রফেসর ডা. সৈয়দ মেজবাহুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ অধ্যক্ষ আব্দুল আহাদ। বিশেষ সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম-১৬ (বাঁশখালী) আসনের সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ মাওলানা জহিরুল ইসলাম।
বক্তারা বলেন, এমতাজুল হক চৌধুরী তরুণ বয়সেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা ও সমাজসেবায় আত্মনিয়োগ করেন। বাঁশখালী ডিগ্রি কলেজ ও কালীপুর এজহারুল হক উচ্চ বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করে তিনি বাঁশখালীর শিক্ষা খাতকে আলোকিত করেছেন। স্বাধীনতার আগে তিনি কালীপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।
স্বাগত বক্তব্য দেন শীলকূপ ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও সংবর্ধনা আয়োজন কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক আকতার হোসেন। অঞ্জন কুমার দাশের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন বাঁশখালী সচেতন নাগরিক ফোরামের উপদেষ্টা অধ্যক্ষ এওয়াইএমডি জাফর, ইউএসটিসির সাবেক উপাচার্য প্রফেসর ডা. প্রভাত চন্দ্র বড়ুয়া, বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক ফেডারেশনের সাবেক সভাপতি প্রফেসর ড. সিদ্দিক আহমেদ চৌধুরী, সিভিল সার্জন ডা. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, বাঁশখালী ডিগ্রি কলেজের সভাপতি ও জেলা পিপি অ্যাডভোকেট মো. আশরাফ হোসেন চৌধুরী রাজ্জাকসহ বিভিন্ন পেশার বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।
অনুষ্ঠানে কালীপুর এজহারুল হক উচ্চ বিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবন নির্মাণে অবদানের জন্য শফিকুল আলম নিজামকে এবং সাহিত্যক্ষেত্রে অবদানের জন্য অঞ্জন কুমার দাশকে সম্মাননা স্মারক দেওয়া হয়।