
কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স অল্প সময়ের মধ্যেই ৫০ শয্যা থেকে পূর্ণাঙ্গভাবে ১০০ শয্যায় উন্নীত হচ্ছে। এ লক্ষ্যে প্রশাসনিক প্রস্তুতি শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উপসচিব কাজী শরীফ উদ্দিন।
সোমবার সকালে তিনি সহকর্মী উপসচিব মুহাম্মদ আবদুর রউফ ও কক্সবাজারের সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ ছাবেরকে সঙ্গে নিয়ে চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন করেন।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে উপসচিব কাজী শরীফ উদ্দিন বলেন, “আমরা আশা করছি, অল্প সময়ের মধ্যেই চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সব ধরনের সুযোগ-সুবিধাসহ পূর্ণাঙ্গভাবে ১০০ শয্যায় উন্নীত হবে। সেই লক্ষ্যে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে প্রশাসনিক কার্যক্রম শুরু হয়েছে।”
তিনি জানান, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের মাঝামাঝি অবস্থানে চকরিয়া একটি বৃহৎ উপজেলা। বান্দরবানের লামা ও আলীকদম এবং কক্সবাজারের পেকুয়া, কুতুবদিয়া ও মহেশখালীসহ পার্শ্ববর্তী ছয়টি উপজেলার মানুষও প্রতিদিন এখানে চিকিৎসা নিতে আসেন। এ বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে আমলে নিয়ে হাসপাতালটি ১০০ শয্যায় উন্নীত করার পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের টিএইচও ডা. জায়নুল আবেদিন জানান, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের নির্দেশনায় নির্বাচনী এলাকার চিকিৎসা সেবার মানোন্নয়নের অংশ হিসেবে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের উপসচিবরা হাসপাতাল পরিদর্শনে এসেছেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ২০১৯ সালে শুরু হয়ে ২০২২ সালে প্রায় ২৫ কোটি টাকা ব্যয়ে ১০০ শয্যাবিশিষ্ট নতুন ভবন ও চিকিৎসক-কর্মীদের আবাসন অবকাঠামো নির্মাণ সম্পন্ন হয়। তবে ১০০ শয্যা চালুর প্রশাসনিক অনুমোদন এখনো মেলেনি।
এ কারণে বিদ্যমান ৫০ শয্যার ব্যবস্থাপনায় প্রয়োজনীয় চিকিৎসক ও কনসালট্যান্ট না থাকায় রোগীর চাপ সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।