সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩

উন্নয়ন কাজ তদারকিতে সাংবাদিকদের এগিয়ে আসার আহ্বান এমপি হুমামের

রাঙ্গুনিয়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি | প্রকাশিতঃ ৬ মে ২০২৬ | ১২:২৪ অপরাহ্ন


চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ায় চট্টগ্রাম-কাপ্তাই সড়কের প্রশস্তকরণ কাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে।

মঙ্গলবার সকালে তাপবিদ্যুৎ এলাকা থেকে গোডাউন পর্যন্ত এই উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন করেন চট্টগ্রাম-৭ আসনের সংসদ সদস্য হুমাম কাদের চৌধুরী।

সড়ক ও জনপথ (সওজ) অধিদপ্তরের চট্টগ্রাম সড়ক বিভাগ প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রকল্পের ফলক উন্মোচন এবং মাটি কাটার মাধ্যমে কাজের সূচনা করেন সংসদ সদস্য। এ সময় সওজ বিভাগের ঊর্ধ্বতন প্রকৌশলী ও স্থানীয় রাজনৈতিক নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

উদ্বোধন শেষে নিজ বাসভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এমপি হুমাম কাদের চৌধুরী।

মতবিনিময়কালে তিনি বলেন, তাপবিদ্যুৎ এলাকা থেকে গোডাউন পর্যন্ত প্রশস্তকরণ কাজ শুরু হলেও তাদের মূল লক্ষ্য পুরো কাপ্তাই সড়ককে চার লেনে উন্নীত করা।

এ বিষয়ে সরকারের সংশ্লিষ্ট পর্যায়ে নিয়মিত নীতিগত আলোচনা ও সভা চলছে বলেও সাংবাদিকদের জানান তিনি।

কর্ণফুলী নদীর ওপর বহুল প্রতীক্ষিত ‘চন্দ্রঘোনা ফেরিঘাট সেতু’ নির্মাণের বিষয়েও কথা বলেন সংসদ সদস্য হুমাম কাদের চৌধুরী।

তিনি জানান, সেতুটির পরিকল্পনা ও দাপ্তরিক প্রক্রিয়া ইতিমধ্যে অনেক দূর এগিয়েছে। আগামী বছরের মধ্যেই এর নির্মাণকাজ শুরু হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

সেতুটি বাস্তবায়িত হলে চট্টগ্রাম, রাঙামাটি ও বান্দরবানের মধ্যে সরাসরি সড়ক যোগাযোগ স্থাপিত হবে। এটি পার্বত্য অঞ্চলের অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে মনে করেন এই জনপ্রতিনিধি।

রাঙ্গুনিয়া উপজেলায় একটি কারিগরি ইনস্টিটিউট স্থাপনের অগ্রগতি সম্পর্কেও মতবিনিময় সভায় আলোচনা হয়।

হুমাম কাদের চৌধুরী জানান, উপজেলা প্রশাসনের সহায়তায় এই ইনস্টিটিউটের জন্য প্রয়োজনীয় খাস জমি নির্ধারণ করা হয়েছে।

দ্রুতই এ প্রকল্পের কাজ শুরু হবে, যা স্থানীয় তরুণদের দক্ষতা উন্নয়ন ও কর্মসংস্থানে বিশেষ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করছেন তিনি।

উন্নয়ন কাজের স্বচ্ছতা ও গুণগত মান নিশ্চিত করতে সংবাদকর্মীদের ভূমিকার ওপরও গুরুত্ব আরোপ করেন এমপি।

ঠিকাদারদের ওপর উন্নয়ন প্রকল্পের দায়িত্ব দেওয়া হলেও কাজের গতি ও মান তদারকিতে সাংবাদিকদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে বলে মনে করেন তিনি।

নিয়মিত পর্যবেক্ষণ ও ‘চেক অ্যান্ড ব্যালেন্স’ বজায় রাখার মাধ্যমে উন্নয়ন কার্যক্রমকে আরও কার্যকর ও জনকল্যাণমুখী করা সম্ভব বলে মন্তব্য করেন হুমাম কাদের চৌধুরী।