
চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) আসনের সংসদ সদস্য এনামুল হক এনামকে সংবর্ধনা দিয়েছে কাশিয়াইশ পিংগলা বুধপুরা মফিজুর রহমান বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়।
শনিবার দুপুরে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে সংবর্ধিত ও প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন সংসদ সদস্য এনামুল হক এনাম।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, বিগত সময়ে শিক্ষাব্যবস্থাকে ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছিল। আমরা অতীত নিয়ে কথা কম বলতে চাই, আমাদের চিন্তা ভবিষ্যৎ নিয়ে। আমরা একটি সুন্দর, সমৃদ্ধ ও ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে চাই। নারী শিক্ষার ক্ষেত্রে আমাদের সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। নারীরা শিক্ষিত না হলে উন্নত ও সমৃদ্ধ জাতি গঠন সম্ভব নয়।
শিক্ষক ও অভিভাবকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, শিক্ষার্থীরা আগামীর দেশ গড়ার কারিগর। তারা যেন পড়াশোনার বাইরে কোনো অনলাইন জুয়া, মাদকাসক্তি ও কিশোর গ্যাংয়ে জড়িয়ে না পড়ে, সে জন্য শিক্ষক ও অভিভাবকদের সজাগ থাকতে হবে।
সংসদ সদস্য এনামুল হক এনাম আরও বলেন, আমি নির্দিষ্ট একটি দল থেকে নির্বাচিত হলেও আমি সবার এমপি। দলমত নির্বিশেষে সবার আহ্বানে আমি সাড়া দেব। আমি সবাইকে সঙ্গে নিয়ে সবার জন্য কাজ করতে চাই। আমাদের সবাইকে স্বাধীনতাবিরোধীদের ব্যাপারে সচেতন থাকতে হবে।
বিদ্যালয়ের সাবেক সভাপতি শামশুল আনোয়ার খানের সভাপতিত্বে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব খোরশেদুল আলম।
বিশেষ অতিথি ছিলেন পটিয়া থানার ওসি (তদন্ত) যুযুৎস যশ চাকমা, উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার অ্যাডহক কমিটির সদস্য সচিব মঈনুল আলম ছোটন, বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সদস্য মীর জাকের আহমদ, দক্ষিণ জেলা কৃষকদলের সভাপতি মহছিন চৌধুরী রানা, বিএনপি নেতা গাজী রেজাউল করিম ও আবুল বশর।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ এরফানের স্বাগত বক্তব্যের পর অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন মুজাফফরাবাদ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. ইউছুপ, হাইদগাঁও উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শ্যামল দে, মুজাফফরাবাদ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অমিতাভ দত্ত, শাহ আমির উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কামাল উদ্দীন তালুকদার এবং একই বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক সরওয়ার উদ্দীন। অনুষ্ঠানটি যৌথভাবে সঞ্চালনা করেন মেরি মল্লিক, লাভনী চৌধুরী ও কাওছার আক্তার।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রমের উন্নয়নে সংসদ সদস্য এনামুল হক এনামের অবদানের প্রশংসা করেন এবং ভবিষ্যতেও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির পাশে থাকার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠান শেষে অতিথিদের ফুলেল শুভেচ্ছা ও সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়। এ ছাড়া বিদ্যালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, রাজনৈতিক নেতা ও শিক্ষানুরাগীরা উপস্থিত ছিলেন।