
চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলার পাহাড়তলী এলাকায় দুর্বৃত্তদের গুলিতে যুবদল নেতা মাসুদ চৌধুরী নিহত হয়েছেন। তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের রাঙ্গুনিয়া উপজেলা শাখার সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলেন।
এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় রাঙ্গুনিয়াজুড়ে ব্যাপক বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। ঘটনার প্রতিবাদে শনিবার দুপুরে উপজেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়কে টায়ার জ্বালিয়ে ও ব্যারিকেড দিয়ে অবরোধ করেন যুবদল ও অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীরা।
নিহত মাসুদ চৌধুরী রাঙ্গুনিয়া উপজেলার বেতাগী ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান পেয়ারুল হক চৌধুরী স্বপনের ভাই বলে জানা গেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার দুপুরের দিকে রাউজানের পাহাড়তলী এলাকায় দুর্বৃত্তরা তাকে গুলি করে হত্যা করে। এই খবর ছড়িয়ে পড়লে রাঙ্গুনিয়া–কাপ্তাই সড়কসহ উপজেলার বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ শুরু করেন দলের নেতা-কর্মীরা।
তারা সড়কে টায়ার জ্বালিয়ে এবং ব্যারিকেড দিয়ে এই হত্যাকাণ্ডের তীব্র প্রতিবাদ জানান। একই সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি তোলেন তারা।
সড়ক অবরোধের কারণে ওইসব এলাকায় যান চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়। পরে খবর পেয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার কাজ শুরু করেন।
এই হত্যাকাণ্ডকে কেন্দ্র করে রাঙ্গুনিয়ার রাজনৈতিক অঙ্গনে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে তাদের তদন্ত চলছে। জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
এ বিষয়ে রাঙ্গুনিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জহির উদ্দিন জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে মাসুদ চৌধুরীকে মাথায় গুলি করা হয়েছে। তিনি নিজে ঘটনাস্থলে আছেন এবং তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানানো হবে বলে উল্লেখ করেন।