
চট্টগ্রামে জুলাই গণ–অভ্যুত্থান ঘিরে কোতোয়ালী থানায় দায়ের হওয়া একটি মামলায় আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের বেশ কয়েকজন নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দিয়েছে পুলিশ।
আজ বৃহস্পতিবার রাতে কোতোয়ালী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ইকবাল হোসেন বলেন বলেন, “২০২৪ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর কোতোয়ালী থানায় দায়ের করা ওই মামলায় অভিযোগপত্র দেওয়া হয়েছে। মাসখানেক আগে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়।” তবে নির্দিষ্ট তারিখ তিনি তাৎক্ষণিক জানাতে পারেননি।
অভিযোগপত্রে সাবেক তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ এবং সাবেক শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেলের নাম রয়েছে।
এছাড়া চট্টগ্রাম মহানগর যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক দিদারুল আলম দিদার, চট্টগ্রাম সিটি ছাত্রলীগের সভাপতি ইমরান আহমেদ এবং চট্টগ্রাম বিজ্ঞান কলেজের সাংগঠনিক সম্পাদক সাফওয়ান ইবনে শামসসহ আরও বেশ কয়েকজন রাজনৈতিক কর্মী ও সংগঠককে আসামি করা হয়েছে।
কোতোয়ালী থানার একজন কর্মকর্তা জানান, গত ৫ আগস্ট সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশত্যাগের পর এসব নেতা আত্মগোপনে আছেন অথবা বিদেশে পালিয়ে গেছেন।
অজ্ঞাত স্থান থেকে কিছু ব্যক্তি তাদের সাংগঠনিক কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন বলেও ওই কর্মকর্তা অভিযোগ করেন। দেশে অবস্থানরতদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে বলে তিনি জানান।
দেশ ছেড়ে যাওয়া ব্যক্তিদের ফিরিয়ে আনতে আন্তর্জাতিক আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোর সহযোগিতা নেওয়ার বিষয়টিও কর্তৃপক্ষ খতিয়ে দেখছে।
জুলাই আন্দোলন এবং রাজনৈতিক পালাবদলের পর আওয়ামী লীগের বর্তমান ও সাবেক নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে চলমান আইনি পদক্ষেপের সর্বশেষ ঘটনা এটি।
এর আগে ২০২৫ সালের ৩০ জুলাই জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে চট্টগ্রামের বহদ্দারহাটে শহীদুল ইসলাম নামের এক দোকান কর্মচারীকে গুলি করে হত্যা মামলায় সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাছান মাহমুদ, শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী, ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরীসহ ২৩২ জনকে আসামি করে অভিযোগপত্র দেয় পুলিশ।