সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩

যে ঘর ১৭ বছর ছিল: বিধিতে ঠিক কী লেখা আছে

শরীফুল রুকন | প্রকাশিতঃ ১৭ অগাস্ট ২০২৬ | ৫:৪৯ অপরাহ্ন


দরপত্রে কতজন প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন- এই হিসাব প্রকাশের কথা কোনো নতুন সংস্কার বলেনি। বলেছিল ২০০৮ সালের ক্রয়বিধিমালা, আর ২০২৫ সালের নতুন বিধিমালাও তা বাতিল করেনি। বদলেছে কেবল প্রকাশের ছকটি।

নিচে সংশ্লিষ্ট বিধিগুলোর মূল কথা, ক্রম অনুযায়ী।

পিপিআর ২০০৮, তফসিল-৬ ও বিধি ৩৭(১) – চুক্তি-অ্যাওয়ার্ড প্রকাশের ছকে ক্রম ২১, ২২ ও ২৩ ছিল যথাক্রমে দরপত্র দলিল বিক্রি, দাখিলকৃত দরপত্র ও গ্রহণযোগ্য দরপত্রের সংখ্যা। তা প্রকাশের কথা ছিল কেন্দ্রীয় ক্রয় দপ্তরের (তখন সিপিটিইউ) ওয়েবসাইটে।

পিপিআর ২০২৫, তফসিল-৯ – একই তিনটি সংখ্যা রয়ে গেছে ক্রম ১৭, ১৮ ও ১৯-এ; আর ক্রম ২০-এ সব গ্রহণযোগ্য দরদাতার নাম।

বিধি ৪৯(১)-এর শর্তাংশ – চুক্তিসম্পাদনের নোটিশ জারির “অব্যবহিত পরেই” এই তথ্য ক্রয়কারীর ও বিপিপিএর ওয়েবসাইটে “প্রকাশ করিতে হইবে”।

পিপিআর ২০২৫, তফসিল-১০ – চুক্তি-প্রকাশের নতুন ছক; ২৮টি ঘর, দরদাতা-সংখ্যা তার একটিও নয়। কার্যকর ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫।

বিধি ৪৯(২) ও তফসিল-২ – ১০ লাখ টাকার ঊর্ধ্বের ক্রয়ে চুক্তিস্বাক্ষরের তিন দিনের মধ্যে ঠিকাদারের প্রকৃত সুবিধাভোগী মালিকের নাম, শতাংশ ও দেশ বিপিপিএর ওয়েবসাইটে প্রকাশ বাধ্যতামূলক।

বিধি ৮০(১)(ঘ)-এর শর্তাংশ ও তফসিল-২ – পরিচালন বাজেটের ক্রয়ের ন্যূনতম ২৫ শতাংশ কেবল অতিক্ষুদ্র ও ক্ষুদ্র প্রতিষ্ঠান, নারী-মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান এবং নতুন প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সীমিত রাখতে হবে। ভাষাটি “পারিবে” নয়, “রাখিবে”।

বিপিপিএ আইন ২০২৩, ধারা ৯ – ক্রয় আইনের “প্রতিপালন নিশ্চিতকরণ, পরিবীক্ষণ”; “তথ্য, উপাত্ত ও তথ্যভাণ্ডার সংরক্ষণ ও ব্যবহার”; এবং প্রয়োজনে ক্রয়কারীর নথি “পরিদর্শন ও পর্যালোচনাকরণ” বিপিপিএর দায়িত্ব।

যা দাঁড়ায়। তফসিল-৯ সংখ্যাগুলো চাইছে, বিধি ৪৯(১) প্রকাশ করতে বলছে। অথচ প্রকাশের ছক তফসিল-১০-এ ঘরটিই নেই। একই বিধিমালার দুটি অংশ পরস্পরের বিপরীতে দাঁড়িয়ে আছে।

মূল প্রতিবেদন: ২৪৮ জন বনাম ২ জন: যে তুলনাটা আর কেউ করতে পারবেন না