চট্টগ্রাম: চট্টগ্রাম বন্দরে ‘অপারেশন আইরিন’ শেষ করেছে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতর। অবৈধ অস্ত্র, গোলাবারুদ, বিস্ফোরক, মাদক ও নিরাপত্তার ঝুঁকির জন্য হুমকি এমন পণ্যের ব্যবসা বা পরিবহন রোধকল্পে এ অভিযান চালানো হয়।
গত সোমবার ও মঙ্গলবার দিনভর বিজিবির ডক স্কোয়াড দিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে তল্লাশি চালানো হয়। তবে এই অভিযানে অবৈধ কিছুই পাওয়া যায়নি।
ওয়ার্ল্ড কাস্টমস অর্গানাইজেশনের অধীনে রিজোনাল ইনটেলিজেন্স লিয়েইজন অফিস ফর এশিয়া অ্যান্ড দ্য প্যাসিফিক (রাইলো এপি) সার্বিকভাবে এই অভিযানে সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করছে। বাংলাদেশ রাইলো এপির অত্যন্ত সক্রিয় সদস্য হিসেবে এই অভিযানে অংশ নিচ্ছে। চট্টগ্রাম বন্দরে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতর অভিযানের মূল কার্যক্রম পরিচালনা করে। এছাড়া বন্দর, কাস্টমস সহ অন্যান্য সরকারি সংস্থা অভিযানে সহায়তা করে।
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতরের উপ-পরিচালক শামীমুর রহমান বলেন, সোমবার থেকে চট্টগ্রাম বন্দরে বিজিবির ডগ স্কোয়াড দিয়ে অপারেশন আইরিন শুরু হয়। সোমবার অবৈধ কোন কিছু পাওয়া যায়নি। মঙ্গলবারও চট্টগ্রাম বন্দরের বিভিন্ন শেডে তল্লাশি চালিয়ে কিছুই মেলেনি। এ অভিযান চলাকালে কন্টেইনারে করে বন্দরে আসা বিভিন্ন পণ্যের কার্টনগুলো বিজিবির দুটি প্রশিক্ষিত কুকুর দিয়ে তল্লাশি করা হয়।
এদিকে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক হোসাইন আহমেদ জানান, বন্দর ব্যবহার করে কেউ যাতে অস্ত্র, গোলাবারুদ, মাদকদ্রব্য খালাস করতে না পারে চট্টগ্রাম বন্দরে অপারেশন আইরিন চালানো হয়। মঙ্গলবার চট্টগ্রাম বন্দরে এই অভিযান সমাপ্ত করা হয়।