
চট্টগ্রাম : সন্ত্রাসী, জঙ্গীগোষ্ঠী ও অগ্নিসংযোগকারীদের বিরুদ্ধে পুলিশের গ্রেফতার অভিযান আরো জোরদার করা প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক এবং দলের অন্যতম মুখপাত্র ড. হাছান মাহমুদ এমপি।
বৃহস্পতিবার (২৫ অক্টোবর) ঢাকা রিপোটার্স ইউনিটিতে বাংলাদেশ স্বাধীনতা পরিষদ আয়োজিত ‘ঐক্য ফ্রন্টের নামে দেশরিরোধী ষড়যন্ত্র রুখে দাড়াও’ শীর্ষক অালোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
‘সিলেটে জনসভা শেষে অনেককে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং সারাদেশে গ্রেফতার করা হচ্ছে’ বিএনপি নেতা রুহুল কবির রিজভীর সংবাদ সম্মলনে দেওয়া এমন বক্তব্যের কঠোর সমালোচনা করে তিনি বলেন, গ্রেফতার আরো হওয়া উচিৎ ছিলো। কারণ যে সমস্ত সন্ত্রাসী, জঙ্গীগোষ্ঠী ও অগ্নিসংযোগকারী বিএনপির ছত্রছায়ায় ২০১৩, ১৪, ১৫ সালে বাংলাদেশে অগ্নিসন্ত্রাস চালিয়েছিল তারা এখন আবার ঐক্যফ্রন্টের ব্যানারে মাঠে নেমেছে। তাই তাদেরকে পুলিশ গ্রেফতার করছে। সুতরাং এরা সবাই অাসামী। আসামীদের গ্রেফতার করলে উনারা (বিএনপি) সংবাদ সম্মেলন করেন। সরকারকে অনুরোধ জানাবো সন্ত্রাসী, জঙ্গীগোষ্ঠী ও অগ্নিসংযোগকারীদের বিরুদ্ধে এই গ্রেফতার অভিযান আরো জোরদার করার।
‘ব্যারিস্টার মঈনুল হোসেনকে রাজনৈতিক কারণে গ্রেফতার করা হয়েছে’ বিএনপি নেতা রুহুল কবির রিজভীর সংবাদ সম্মেলনে দেওয়া এমন বক্তব্যের কড়া সমালোচনা করে সাবেক বন ও পরিবেশমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ব্যারিস্টার মঈনুল হোসেনকে কি রাজনৈতিক কারণে গ্রেফতার করা হয়েছে? একজন নারীবিদ্বেষী মানুষের বিরুদ্ধে যখন মামলা হয় এবং তার পক্ষে যখন বিএনপি সংবাদ সম্মেলন করে তখন এটিই বলতে হয় বিএনপিও আজকে নারীবিদ্বেষীদের সাথে সুর মিলিয়েছে এবং নারী বিদ্বেষীদের পাশে দাঁড়িয়েছে। প্রকৃতপক্ষে রিজভী অাহমেদ ব্যারিস্টার মঈনুল হোসেনের পক্ষে সাফাই গেয়ে একজন নারীবিদ্বেষীর পাশে এবং নারীদের বিপক্ষে দাড়িয়েছেন।
এসময় তিনি হাস্যরস করে বলেন, অাগস্ট সেপ্টেম্বর মাসজুড়ে উনারা অনেক হাকডাক দিয়ে অক্টোবর মাসে একটি বড় অশ্বডিম্ভ পাড়লেন নাম দিলেন জাতীয় ঐক্য এবং এই ডিম্ভটা ফুটে নাই বরং ফেটে গেছে।
ঢেমরা থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট রফিকুল ইসলাম মাসুদের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট শামসুল ইসলাম টুকু এমপি, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হেদায়েতুল ইসলাম স্বপন, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক অাকতার হোসেন, বাংলাদেশ স্বাধীনতা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক শাহাদাত হোসেন টয়েল প্রমুখ।
একুশে/প্রেসবিজ্ঞপ্তি