বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০১৯, ৩ শ্রাবণ ১৪২৬

স্বাধীনতা পুরস্কারের জন্য অধ্যাপক খালেদের নাম প্রস্তাব করেন তথ্যমন্ত্রী

প্রকাশিতঃ সোমবার, এপ্রিল ১, ২০১৯, ৮:৫৬ অপরাহ্ণ

চট্টগ্রাম: স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সংবাদপত্র দৈনিক আজাদীর প্রয়াত সম্পাদক অধ্যাপক মোহাম্মদ খালেদকে মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কার দিতে প্রস্তাব দিয়েছিলেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

স্বাধীনতা পদক প্রাপ্তিতে সোমবার বিকেলে নগরের ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে চট্টগ্রাম উত্তর-দক্ষিণ-মহানগর আওয়ামী লীগ আয়োজিত ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের সংবর্ধনায় মন্ত্রী নিজেই এ কথা বলেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতা পদক ও অন্যান্য পদক দেওয়ার জন্য যে মন্ত্রীসভা কমিটি সে কমিটির আমিও একজন সদস্য। সে কমিটিতে প্রথমে একটি খসড়া তালিকা করা হয়। পরে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠানো হয় চূড়ান্ত করার জন্য। তিনি সংযোজন-বিয়োজন করেন। যখন ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ ভাইয়ের এই প্রস্তাবটি আসে, আমরা মনে করেছি এটা ভালো প্রস্তাব। মুক্তিযুদ্ধের সময় জীবনবাজি রেখে যে সমস্ত রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব মুক্তিযুদ্ধ করেছিলেন, তাদেরকে সম্মানিত করা আমি মনে করি রাষ্ট্রের একটি দায়িত্ব। সেই দায়িত্ব পালন করার জন্য ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনকে এই পুরস্কার দেয়া হয়েছে।

খসড়া প্রস্তাবে ২০০ জনের তালিকায় চট্টগ্রামের দৈনিক আজাদীর প্রয়াত সম্পাদক অধ্যাপক মোহাম্মদ খালেদের নাম ছিল না উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমি নিজে প্রস্তাবটি দিয়েছি। এরপর তথ্য মন্ত্রণালয়ের সচিবকে দিয়ে আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব দেয়া হয়। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সে প্রস্তাবটিও অনুমোদন করেছেন। বলা চলে, একেবারে তালিকার বাইরে থেকে তিনি এসেছেন। এতে করে ব্যক্তিগতভাবে আমি খুশী হয়েছি একজন যোগ্য লোকের মূল্যায়ন হওয়ায়।

প্রসঙ্গত ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে সরকার ১৯৭৭ সাল থেকে প্রতি বছর স্বাধীনতা পুরস্কার দিয়ে আসছে। পুরস্কারজয়ী প্রত্যেকে পেয়েছেন ১৮ ক্যারেট মানের পঞ্চাশ গ্রাম ওজনের একটি স্বর্ণপদক, তিন লাখ টাকার চেক ও একটি সম্মাননাপত্র।

জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে সাবেক ও বর্তমান দুই মন্ত্রীসহ ১২ জন চলতি বছর রাষ্ট্রীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা স্বাধীনতা পুরস্কার পেয়েছেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত ২৫ মার্চ রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে স্বাধীনতা পুরস্কার দেন।