সোমবার, ১৯ জানুয়ারি ২০২৬, ৬ মাঘ ১৪৩২

চবির ৩৩৯ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা

| প্রকাশিতঃ ২৭ জুলাই ২০১৯ | ৩:৪৬ অপরাহ্ন

চবি প্রতিনিধি : চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি)(২০১৯-২০)অর্থ বছরের বাজেট ঘোষণা করা হয়েছে। এই অর্থ বছরে সর্বমোট বাজেট বরাদ্দ হয়েছে ৩৩৯ কোটি ১৮ লক্ষ টাকা।

শনিবার (২৭ জুলাই) সকাল ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. এ আর মল্লিক প্রশাসনিক ভবনের সম্মেলন কক্ষে ৩১তম সিনেট সভায় এই বাজেট উপস্থাপন করেন ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার কে এম নুর আহমদ।

মঞ্জুরী কমিশন সুত্র জানায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রস্তাবিত ৫০৯ কোটি ৯৪ লক্ষ টাকা চাহিদার অনুকুলে বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্ভাব্য আয় ১৬ কোটি ৫০ লক্ষ টাকাসহ মোট ৩৩২ কোটি ৫০ লক্ষ টাকা বাজেট পাওয়া গেছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন থেকে।

সুত্রটি আরো জানায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব আয়ের সাথে সমন্ময় করে নীট বরাদ্দ পাওয়া গেছে ৩১ কোটি ৬০ লক্ষ টাকা।(২০১৯-২০)অর্থ বছরের বাস্তবতা যাচাই বাচাই করে বাজেট বরাদ্দ করা হয়েছে সর্বমোট ৩৩৯ কোটি ১৮ লক্ষ টাকা। যেখানে ঘাটতি রয়েছে ৬ কোটি ৬৮ লক্ষ্য টাকা।

ঘোষিত বাজেটে দেখা যায়, প্রতিবারের মতো এবারও বাজেটের বেশিরভাগ ২১২ কোটি ৭০ লাখ টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বেতন-ভাতা প্রদানে। যা মোট বরাদ্দের প্রায় ৬৩ শতাংশ। মোট পেনশন ব্যায় ৫৩ কোটি টাকা,পন্য ও সেবা (সাধারণ) ৪৭ কোটি ৫৫ লক্ষ, পন্য ও সেবা (মেরামত ও সংরক্ষণ) ব্যায় ৮ কোটি ৭৩ লক্ষ, বিশেষ মূলধন অনুদান ৫ কোটি, গবেষণা অনুদান ৪ কোটি ২০ লক্ষ, অন্যান্য অনুদিন ৮ কোটি, পরীক্ষকদের পারিতোষিক ব্যায়, ১০ কোটি, অধিকাল ভাতা ১ কোটি ৯০ লক্ষ, বিদ্যুৎ খরচ ৫ কোটি ৭২ লক্ষ, বাসা ভাড়া ও রেল ভাড়া ২ কোটি ১০ লক্ষ, গাড়ির জ্বালানি ব্যায় ৩ কোটি ২৫ লক্ষ, টেলিফোন বিল ৩০ লক্ষ, যানবাহন মেরামত ১ কোটি ১০ লক্ষ ও টেলোক্স/ইন্টারনেট/ফ্যাক্সের ব্যায় ধরা হয়েছে ৫০ লক্ষ টাকা।

বাজেট অধিবেশনে উপাচার্য (রুটিন দায়িত্বপ্রপ্ত) প্রফেসর ড. শিরীণ আখতার বলেন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের চলমান উন্নয়ন কর্মকাণ্ড অব্যাহত থাকবে এবং এ উন্নয়ন কর্মকাণ্ডকে আরো গতিশীল করা হবে।

তিনি আরো বলেন, আমার দায়িত্ব পালনকালে কোনো শিক্ষার্থী, শিক্ষক কিংবা শিক্ষিকা এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে কোনো ধরনের নিপীড়নমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না।

উপাচার্য বলেন, আমি সবেমাত্র চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের রুটিন দায়িত্ব গ্রহণ করেছি। আমি চাই বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড অব্যাহত থাকবে এবং উন্নয়ন কর্মকাণ্ডকে আরো গতিশীল করতে আমার আন্তরিক প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।

তিনি আরো বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক এবং প্রশাসনিক কর্মকাণ্ডকে পরিচালনার ক্ষেত্রে আমি সততা, ন্যায়-নিষ্ঠা এবং ন্যায্যতাকে সর্বাগ্রে অগ্রাধিকার দেব।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য (রুটিন দায়িত্বপ্রাপ্ত) প্রফেসর ড. শিরীণ আখতারের সভাপতিত্বে উক্ত সিনেট অধিবেশনে বাজেট উত্থাপন করেন ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার কে. এম.নূর আহামমেদ। এছাড়াও সিনেটে বক্তব্য রাখেন সিনেট সদস্য ও সাংসদ ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন, ওয়াসিকা আয়শা খান, মো. নজরুল ইসলাম চৌধুরী, মাহফুজুর রহমান দিবা, ইউসুফ আবদুল্লাহ হারুন প্রমুখ।

একুশে/আইএস/এসসি