সোমবার, ২৫ মে ২০২০, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭

সোশ্যাল স্টিগমা প্রতিরোধে বিশেষ ভূমিকা রাখবে জবির এই দুই ছাত্রী

প্রকাশিতঃ মঙ্গলবার, এপ্রিল ২৮, ২০২০, ১:২২ পূর্বাহ্ণ

জবি প্রতিনিধি : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সেভ ইয়ুথ বাংলাদেশের উদ্যোগে প্রদান করা হচ্ছে সেভ ইয়ুথ প্রমিজ ফেলোশিপ ২০২০। আর এই সেভ ইয়ুথ প্রমিজ ফেলোশিপ-২০২০ এর জন্য জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) দুইজন শিক্ষার্থী মনোনিত হয়েছেন। তারা হলেন, আইন বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ফাইরুজ অবন্তিকা ও রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী আজমেরী আলম নাতাশা।
জানা যায়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ভিত্তিক সেভ ইয়ুথ প্রোগ্রামের আওতায় ইন্টারন্যাশনাল ফাউন্ডেশন ফর ইলেক্টোরাল সিস্টেমস (আইএফইএস) এবং ইউকেএইড-এর সহযোগিতায় বাংলাদেশের ৯টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩২ জন শিক্ষার্থীকে ৬ মাস মেয়াদী এই ইয়ুথ ‘প্রমিজ ফেলোশিপ’ দেয়া হয়েছে।
ফেলোশিপ প্রাপ্ত ৩২ জন শিক্ষার্থী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবং জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ে বিভিন্ন বিভাগে অধ্যয়নরত।
সেভ ইয়ুথ প্রোগ্রামের মডারেটর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আইনুল ইসলাম বলেন, ‘এটি একটি সময়োচিত উদ্যোগ। সারাদেশে লকডাউনের কারণে এখন বিশ্ববিদ্যালয়সমুহে ছুটি চলছে। এই ফেলোশিপ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সামাজিক ভূমিকা পালনে উদ্ভুদ্ধ করবে। শিক্ষার্থীদের ভয়েসকে শক্তিশালী করবে এবং কোবিড-১৯ মোকাবিলায় তরুণদের সক্ষমতা বাড়াবে।’
ফেলোশিপ প্রাপ্তির প্রতিক্রিয়ায় ফাইরুজ অবন্তিকা বলেন, সেইভের সাথে এক বছর পথচলায় অনেকগুলো সুন্দর অভিজ্ঞতার মাঝে এটি একটি সুন্দরতম অর্জন বলে আমি মনে করি। এই পথচলায় সহযোগিতার জন‍্য আমি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি আমার বিভাগের সম্মানিত শিক্ষক শ্রদ্ধেয় নুরুন্নাহার ম‍্যাম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মানিত শিক্ষক ও ন‍্যাশনাল মডারেটর শ্রদ্ধেয় আইনুল স‍্যার এবং জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মানিত শিক্ষক শ্রদ্ধেয় লামিয়া ম‍্যামের কাছে।
আজমেরী আলম নাতাশা বলেন, ‘আমি মনে করি এই ফেলোশিপটা আমার জন্য কাজ করার একটা দারুণ সুযোগ। এর থেকে আমি  বেশ কিছু নতুন অভিজ্ঞতা অর্জন করতে যাচ্ছি এবং নতুন  কিছু শিখতে যাচ্ছি। যা আমাকে এখন এবং ভবিষ্যতে আমার কাজকে সাহায্য করবে বলে আমি আশাবাদী।’
উল্লেখ্য, উক্ত ফেলোশিপের অধীনে শিক্ষার্থীরা করোনাভাইরাস সংক্রান্ত মিথ্যা তথ্য, ঘৃণামূলক বক্তব্য এবং সোশ্যাল স্টিগমা প্রতিরোধে পাল্টা বার্তা প্রচারে বিশেষ ভূমিকা রাখবে। সার্বিকভাবে এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য তরুণদের বিভিন্ন সামাজিক সুরক্ষা কার্যক্রমে অংশগ্রহণে অনুপ্রাণিত করা এবং মানবিক, বিজ্ঞানমনস্ক এবং গবেষণালব্ধ তথ্য প্রচারে উৎসাহিত করা।