মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারি ২০২৬, ৭ মাঘ ১৪৩২

ডা. সাবরিনা ৩ দিনের রিমান্ডে

| প্রকাশিতঃ ১৩ জুলাই ২০২০ | ২:৪৪ অপরাহ্ন


ঢাকা : করোনাভাইরাসজনিত কোভিড-১৯ রোগের ভুয়া প্রতিবেদন দেয়ার মামলায় গ্রেফতার জোবেদা খাতুন হেলথকেয়ারের (জেকেজি) চেয়ারম্যান ডা. সাবরিনা আরিফকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত।

আজ (সোমবার) দুপুরে ঢাকা মহানগর হাকিম শাহিনুর রহমানের আদালতে নিয়ে ৪ দিনের রিমান্ড আবেদন করে তেজগাঁও থানা পুলিশ। পুলিশের রিমান্ড আবেদনের বিরোধিতা করে ডা. সাবরিনার পক্ষে জামিনের আবেদন করেন সাইফুল ইসলাম সুমনসহ কয়েকজন আইনজীবী। শুনানি শেষে বিচারক জামিন আবেদন নাকচ করে এই চিকিৎসককে তিন দিনের হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দেন।

করোনাভাইরাসের নমুনা পরীক্ষা না করেই রিপোর্ট দেয়ার অভিযোগে গতকাল ডা. সাবরিনা আরিফকে গ্রেফতার করে পুলিশ। গ্রেফতারের পর মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আবদুল মান্নান স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে ওই হাসপাতাল থেকে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। করোনাভাইরাস পরীক্ষা নিয়ে জালিয়াতির অভিযোগে এক ভুক্তভোগীর করা ওই মামলায় গ্রেফতার হয়ে কারাগারে আছেন সাবরিনার স্বামী আরিফুল হক চৌধুরীও।

জেকেজির বিরুদ্ধে অভিযোগ, সরকারের কাছ থেকে বিনামূল্যে নমুনা সংগ্রহের অনুমতি নিয়ে বুকিং বিডি ও হেলথকেয়ার নামে দুটি সাইটের মাধ্যমে টাকা নিচ্ছিল এবং নমুনা পরীক্ষা ছাড়াই ভুয়া সনদ দিত। এ বিষয়ে রাজধানীর কল্যাণপুরের একটি বাড়ির কেয়ারটেকারের অভিযোগের সত্যতা পেয়ে গত ২২ জুন জেকেজি হেলথ কেয়ারের সাবেক গ্রাফিক ডিজাইনার হুমায়ুন কবীর হিরু ও তার স্ত্রী তানজীন পাটোয়ারীকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

তাদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পরে প্রতিষ্ঠানটির সিইও আরিফুলকেও গ্রেপ্তার করা হয়। জেকেজি হেলথ কেয়ারের নমুনা সংগ্রহের যে অনুমোদন ছিল, তাও ২৪ জুন বাতিল করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

নতুন করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের পর নমুনা পরীক্ষার জন্য জেকেজি হেলথ কেয়ারকে দায়িত্ব দিয়েছিল স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। সাবরিনা আরিফ চৌধুরী জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট এবং হাসপাতালের একজন নিবন্ধিত চিকিৎসক। সরকারি প্রতিষ্ঠানে কাজ করা সত্ত্বেও তিনি জেকেজি হেলথকেয়ারের চেয়ারম্যান হিসেবে গণমাধ্যমে একাধিকবার সাক্ষাৎকার দিয়েছেন। পরে জেকেজি হেলথকেয়ারের জালিয়াতির খবর প্রচার হওয়ায় এ প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কোনো সম্পর্ক নেই বলে দাবি করেন তিনি।