
জান্নাতের পথ ও সীরাতে মুস্তাকীমের সন্ধান দিতেই আল্লাহ তায়ালা হযরত মুহাম্মদ (সা.) কে পাঠিয়েছেন এবং তাঁর নির্দেশিত পথে জীবন গঠন করার মাধ্যমেই মুক্তি সম্ভব। চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে আল-আমিন সংস্থার তাফসীরুল কুরআন মাহফিলের দ্বিতীয় দিবসে প্রধান অতিথির বক্তব্যে পটিয়া মাদরাসার মহাপরিচালক আল্লামা আবু তাহের নদভী এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, রাসূল (সা.) সাহাবীদেরকে ইসলামের যাবতীয় বিধিবিধান পুঙ্খানুপুঙ্খ শিখিয়ে গেছেন। সাহাবায়ে কেরাম (রা.) নিজেদের জীবনকে রাসূলের (সা.) আদর্শে সাজাতে এবং কিয়ামতের উম্মতের সুবিধার্থে রাসূলের (সা.) দরবারে চব্বিশ ঘণ্টাই পড়ে থাকতেন।
আল্লামা নদভী আরও বলেন, “রাসূল (সা.) একটি বাণী কিংবা আমলও যেন ছুটে না যায় সেজন্য সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতেন। আজ চৌদ্দশো বছর পর এসেও হাদীস ও সীরাতগ্রন্থের মাধ্যমে আমরা তা জানার সুযোগ পাচ্ছি। তাই আমাদের উচিৎ রাসূল সা. এর নির্দেশিত পথে জীবন গঠন করা।”
মাওলানা রিজওয়ান আরমানের সঞ্চালনায় তাফসীর মাহফিলে অধিবেশনভিত্তিক সভাপতিত্ব করেন আল্লামা মুফতী জসীমুদ্দীন, মাওলানা তাজুল ইসলাম, মাওলানা ওসমান সাঈদী, মাওলানা সোলাইমান ও হাবিবুল হক বিন খালেদ।
তাফসীর মাহফিলে বক্তারা আরও বলেন, সমাজ পরিবর্তনের জন্য শুধু সেবামূলক কাজ বা ক্যাম্পেইন করলেই হবে না, বরং তরুণ-তরুণীদের চারিত্রিক ও মানসিক পরিবর্তনের জন্য কার্যকরী পদক্ষেপ নিতে হবে। মোবাইলের মাধ্যমে যাবতীয় অশ্লীল কাজ থেকে তাদের বিরত রাখার সর্বোচ্চ চেষ্টা করতে হবে।
বক্তারা বলেন, “এক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি ভূমিকা পালন করতে পারে পবিত্র কুরআন-হাদীসের মাজলিস। আপনারা তরুণ-তরুণীদের চারিত্রিক ও আত্মিক উন্নয়নে ফলপ্রসূ কার্যক্রম হাতে নিন।”
তাফসীর মাহফিলে আরও আলোচনা করেন মুফতি রশিদুর রহমান ফারুক, মুফতি মাহমুদ হাসান বাবুনগরী, মুফতি মুস্তাকুন্নবী কাসেমী, মাওলানা আশরাফ আলী নিজামপুরী, মুফতি হারুন ইজহার, মাওলানা হাবিবুল্লাহ মাহমুদ কাসেমী, মাওলানা আনিসুর রহমান আশরাফী, মাওলানা মাহমুদুল হোসাইন, মুফতি আব্দুল আজিজ, মাওলানা আব্দুল্লাহ আল মারুফ, মাওলানা নজরুল ইসলাম, মাওলানা আহমদুল হক উবায়দী প্রমুখ।