
চট্টগ্রামের পটিয়ায় সাম্প্রতিক সময়ে চুরি ও ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধ বেড়ে যাওয়ায় নড়েচড়ে বসেছে প্রশাসন। অপরাধীদের শনাক্ত ও আইনের আওতায় আনতে পটিয়া সদর এলাকার গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে বসানো হচ্ছে ৩২টি উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন সিসি ক্যামেরা।
পুলিশ প্রশাসনের অনুরোধে পটিয়া পৌরসভা কর্তৃপক্ষ এসব ক্যামেরা স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে। রোববার সকাল থেকে প্রথম পর্যায়ে ১৬টি ক্যামেরা বসানোর কাজ শুরু হয়েছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, পটিয়া পৌর সদরের বাস স্টেশন, কলেজ গেইট ও থানার মোড় এলাকায় ক্যামেরা স্থাপনের কাজ চলছে। বাইপাস ও পৌর সদরের বিভিন্ন স্থানে সাম্প্রতিক অপরাধ কর্মকাণ্ডের পর স্থানীয়দের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল এলাকাটিকে সিসি ক্যামেরার আওতায় আনার।
সংশ্লিষ্টরা জানান, সম্প্রতি পটিয়া সদর এলাকায় ছিনতাই ও চুরিসহ বেশ কয়েকটি ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনায় নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগ এবং বিভিন্ন ছিনতাইকারী চক্রের জড়িত থাকার তথ্য পেয়েছে পুলিশ। অপরাধ সংগঠিত করে দ্রুত পালিয়ে যাওয়া দুর্বৃত্তদের চিহ্নিত করতেই এই প্রযুক্তিগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
পটিয়া পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা আমিনুল ইসলাম রায়হান বলেন, সিসি ক্যামেরা স্থাপনের ফলে অপরাধী শনাক্ত করা সহজ হবে। প্রশাসনের এই উদ্যোগের ফলে এলাকায় অপরাধ প্রবণতা কমে আসবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
পটিয়া পৌরসভার সহকারী প্রকৌশলী মিজানুর রহমান বলেন, পুলিশ প্রশাসনের অনুরোধে পৌরসভার পক্ষ থেকে ৩২টি সিসি ক্যামেরা বসানো হচ্ছে। এতে প্রায় ৫ লাখ টাকার বেশি ব্যয় হচ্ছে। প্রথম ধাপে ১৬টি ক্যামেরা বসানোর কাজ শুরু হয়েছে। পৌরসভার পক্ষ থেকে ক্যামেরা বসানো হলেও এর মনিটরিং করবে থানা পুলিশ।
এ বিষয়ে পটিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নুরুজ্জামান বলেন, অপরাধীদের যাতে সহজে শনাক্ত করা যায়, সেজন্যই সিসি ক্যামেরাগুলো বসানো হচ্ছে। পুলিশ নিয়মিত টহলের পাশাপাশি প্রযুক্তির সহায়তায় অপরাধ কমানোর উদ্যোগ নিয়েছে।
ক্যামেরাগুলো চালু হলে অপরাধীদের আইনের আওতায় আনার কাজ পুলিশের জন্য অনেকটা সহজ হবে বলে মনে করেন তিনি।