মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারি ২০২৬, ৭ মাঘ ১৪৩২

‘এই সংবর্ধনা আমি উৎসর্গ করছি বাংলার জনগণকে’

| প্রকাশিতঃ ২১ জুলাই ২০১৮ | ৫:৩৯ অপরাহ্ন

ন্নিউজ ডেস্ক : নিজেকে দেওয়া সংবর্ধনা বাংলাদেশের মানুষকে উৎসর্গ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মহাকাশে বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইটের সফল উৎক্ষেপণ, বাংলাদেশের স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণের যোগ্যতা অর্জন, অস্ট্রেলিয়ায় গ্লোবাল উইমেনস লিডারশিপ অ্যাওয়ার্ড পাওয়া এবং সর্বশেষ ভারতের কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডি লিট ডিগ্রি অর্জনসহ সরকারের বিভিন্ন অর্জনে অবদান রাখায় শেখ হাসিনাকে এই সংবর্ধনা দেয় তার দল আওয়ামী লীগ।

শনিবার বিকালে ঢাকার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে এই সংবর্ধনার অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনার উদ্দেশে একটি অভিনন্দনপত্র পড়ে শোনান আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক। এর আগে সাংস্কৃতিক পরিবেশনায় কণ্ঠশিল্পী ও সংসদ সদস্য মমতাজের গান এবং সাদিয়া ইসলাম মৌ’র নির্দেশনায় নৃত্যনাট্যে ছিল শেখ হাসিনার নেতৃত্বের প্রশস্তি।

এরপর বক্তৃতা দিতে দাঁড়িয়ে শুরুতেই কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গান উদ্ধৃত করে শেখ হাসিনা বলেন, “এ মনিহার আমায় নাহি সাজে..। জনগণ কতটুকু পেল সেটাই আমার কাছে সব থেকে বিবেচ্য বিষয়। এর বাইরে আমার আর কোনো চাওয়া পাওয়া নেই।

বক্তৃতায় বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যাকাণ্ডের পর ‘কঠিন পরিস্থিতির’ মধ্য দিয়ে চলা ও দল গোছানো এবং বাংলার মানুষের জীবনে পরিবর্তন আনার কথা তুলে ধরেন শেখ হাসিনা। বাবার স্বপ্ন বাস্তবায়নে নিজের পথচলার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘জাতির পিতা বলেছিলেন, বাংলার মানুষ যেন অন্ন পায়, বস্ত্র পায়, বাসস্থান পায়, শিক্ষা পায়, উন্নত জীবন পায়- জাতির পিতার সেই স্বপ্ন পূরণ করাই আমার লক্ষ্য। এই সংবর্ধনা আমি উৎসর্গ করছি বাংলার জনগণকে, বাংলার মানুষকে।’

এই সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও সংসদ উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী।

বিকালে এই অনুষ্ঠান হলেও এতে যোগ দিতে দুপুর থেকে বৃষ্টি উপেক্ষা করে জড়ো হতে থাকেন ক্ষমতাসীন দলটির নেতা-কর্মী ও সমর্থকরা। বেলা সাড়ে ৩টার সময় অনুষ্ঠানস্থলে উপস্থিত হন আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা। এসময় স্লোগানে স্লোগানে তাকে স্বাগত জানান নেতা-কর্মী-সমর্থকরা। রং-বেরংয়ের টুপি ও টি-শার্ট পরে এই সমাবেশে অংশ নেন আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীরা। ঢাক-ঢোল বাজিয়ে মিছিল নিয়ে আসেন অনেকে।

ইংরেজি বর্ণ ‘এল’ আকৃতির বিশাল মঞ্চের সামনে ২০ হাজার চেয়ার বসানো হয়। তবে তাতে স্থান সঙ্কুলান না হওয়ায় অনেকেই বসেন বাইরে। মৎস্য ভবন থেকে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের রমনার ভিআইপি গেইট পর্যন্ত ৪০টি তোরণ তৈরি করা হয় এই অনুষ্ঠান ঘিরে। তোরণগুলো ছিল প্রধানমন্ত্রীর ছবি ও উন্নয়নের ছবি দিয়ে সাজানো।

এছাড়া উদ্যানের মঞ্চের সামনের দিকে পশ্চিমপাশে করা হয় চিত্র প্রদর্শনী। যেখানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়ন অর্জনসহ শেখ হাসিনার অসংখ্য ছবি আঁকা ছিল।