মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারি ২০২৬, ৭ মাঘ ১৪৩২

না ফেরার দেশে মেধাবী খায়রুল

| প্রকাশিতঃ ২১ অগাস্ট ২০১৬ | ৪:১৯ অপরাহ্ন

Captureরংপুর: ক্লোন ক্যান্সার রোগে আক্রান্ত হয়ে প্রায় বছরখানেক ধরে মৃত্যু যন্ত্রনায় ভোগার পর অবশেষে না ফেরার দেশে চলে গেলেন খায়রুল ইসলাম। শুক্রবার সকাল নয়টায় নিজ বাড়িতে মারা যান তিনি। এ ঘটনায় তার গ্রামের বাড়ি নীলফামারীর জলঢাকা শিমুলবাড়ি ঘুঘুমারী এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। সে শিমুলবাড়ী বঙ্গবন্ধু ডিগ্রী কলেজ কর্মাস বিভাগের ছাত্র ছিল।

নিহত খায়রুলের বাবা আব্দুস সামাদ জানান, আমার ছেলে খায়রুল ইসলাম ছিল সবার প্রিয়। বন্ধু হিসেবেও ছিল সবার কাছের। গ্রামের ছোট বড় সবার আপনজন ছিল সে। গ্রামের স্কুল মাদ্রাসার গন্ডি পেরিয়ে, ২০০৭ সালে নীলফামারীর জলঢাকা শিমুলবাড়ী স্কুল থেকে এসএসসি পাশ করার পর শিমুলবাড়ি বঙ্গবন্ধু ডিগ্রী কলেজে কর্মাস বিভাগের ভর্তি হয়। এইচএসসি পাশ করার পর পড়ালেখার পাশাপাশি একটি বেসরকারী ফার্মে চাকুরি করতো।

খায়রুল দুইভাই তিন বোনের মধ্যে দ্বিতীয় ছিল সে।

খায়রুলে বাবা বলেন, বছর খানেক আগে সে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে প্রথমে ঢাকার একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে সিরাজগঞ্জ এনায়েতপুর ক্যান্সার মেডিকেলের সেই মরণ ঘাতক ক্লোন ধরা পড়ল। চিকিৎসকরা জানান, খায়রুল ক্যান্সার রোগে আক্রান্ত এরপর ধীরে ধীরে সে সুস্থ্য হয়ে উঠে। চলাফেরা করতে লাগলো সে। আবারো গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে বাড়িতে নিয়ে আসা হয়। এরপর বিভিন্ন জায়গায় চিকিৎসা নেয়া হয় । শেষ চেষ্টা চালিয়ে খাইরুলকে তার বাবা মা ধরে রাখতে পারলেন না।

এরপর শুক্রবার সকালে সবাইকে কাঁদিয়ে সে আজ না ফেরার দেশে। জুম্মার নামাজ বাদ জানাজা শেষে ঐতিহ্যবাহী ঘুঘুমারী বাজার কবরস্থানে চির নিদ্রায় শায়িত হয়।