মিরপুরের রূপনগরে পুলিশের অভিযানকালে নিহত মুরাদ ওরফে মেজর মুরাদ ওরফে জাহাঙ্গীর সম্পর্কে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেছেন, ‘শুনেছি সে জঙ্গিদের প্রশিক্ষক ছিল। তার বিস্তারিত পরিচয় সম্পর্কে জানার চেষ্টা চলছে।’
শুক্রবার রাতে অভিযানকালে আহত পুলিশ সদস্যদের দেখতে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে যান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। এ সময় তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন।
জঙ্গি অভিযানকালে আহত রূপনগর থানার পরিদর্শক তদন্ত শাহীন ফকির ও ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শহীদ আলমকে স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘জঙ্গিদের কাছে গ্রেনেড, পিস্তল ও চাপাতি ছিল। অভিযানের সময় তারা পুলিশের ওপর গুলি চালিয়েছে এবং তাদেরকে কুপিয়েছে।’
মন্ত্রী জানান, তিনি চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলেছেন। তারা জানিয়েছেন, আহত দুই ওসি দ্রুত সেরে উঠবেন। প্রয়োজনে আহত পুলিশ কর্মকর্তাদের বিদেশে পাঠানো হবে বলেও জানান মন্ত্রী।
এ সময় মন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন মিরপুরের সংসদ সদস্য আসলামুল হক এবং পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
এর আগে শুক্রবার রাত ৯টার পর রাজধানীর মিরপুরে রূপনগর হাউজিং কলোনিতে একটি জঙ্গি আস্তানায় অভিযান চালায় পুলিশ। এ সময় গোলাগুলিতে ‘জঙ্গি’ প্রশিক্ষক মুরাদ নিহত হন।
পুলিশের কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের উপ কমিকশনার মোহাম্মদ ছানোয়ার হোসেন বলেছেন, ‘মেজর’ মুরাদ ছিলেন ‘নব্য জেএমবি’র মাস্টার মাইন্ড এবং তামিম চৌধুরীর সেকেন্ড ইন কমান্ড। তার লাশ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।