
একুশে প্রতিবেদক : জয় দিয়ে বিপিএল’র ৬ষ্ঠ আসর শুরু করেছে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স। রোববার মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে সিলেট সিক্সার্সকে ৪ উইকেটে হারিয়েছে তারা।
শুরুটা ভালো হয়নি কুমিল্লার। মাত্র ৫ রানে ফেরেন ওপেনার এভিন লুইস। স্কোর বোর্ডে কোন রান যোগ করার আগেই ইমরুল কায়েসকে বোল্ড করেন পাকিস্তানি পেসার মোহাম্মদ ইরফান। এরপর অধিনায়ক স্টিভেন স্মিথকে সঙ্গে নিয়ে চাপ সামাল দেন ওপেনার তামিম ইকবাল। তবে পিচে বেশিক্ষণ স্থায়ী হতে পারেননি স্মিথ। আল আমিনের বলে উইকেটের পেছনে লিটন দাসের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরার আগে তিনি করেন ১৬ রান। শোয়েব মালিক বেশ সাবলীল খেলছিলনেন। কিন্তু ১৩ রানে লামিচানের শর্ট ডেলিভারিতে তুলে মারতে গিয়ে সীমানায় সাব্বির রহমানের তালু-বন্দী হন তিনি।
মালিক ফিরে গেলে নতুন করে চাপে পড়ে কুমিল্লা। এনামুল হক বিজয় (৫) ব্যর্থ হলে চাপটা আরো বাড়ে। টি-২০’র বড় বিজ্ঞাপন শহীদ আফ্রিদি মাঠে নামার কিছুক্ষণ পরই তার সঙ্গে ভুল বুঝাবুঝির কারণে রান আউট হয়ে ফিরে যান তামিম ইকবাল।
৩৪ বলে ৩৫ রান করে তামিম ফিরে গেলে দায়িত্বটা এসে পড়ে আফ্রিদির কাঁধে। মোহাম্মদ সাইফুদ্দীনকে সঙ্গে নিয়ে দায়িত্বটা ভালোভাবেই পালন করেছেন আফ্রিদি। দলকে এনে দিয়েছেন ৪ উইকেটের জয়।
এর আগে টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নামে সিলেট। তবে শুরুটা শুভ হয়নি তাদের। প্রথমেই বিপদে পড়েন তারা। মেহেদি হাসানের শিকার হয়ে ফেরেন লিটন কুমার দাস। শুরু থেকেই মেহেদী হাসান, শহীদ আফ্রিদের বলে স্বাচ্ছন্দ্য ছিলেন না অধিনায়ক ডেভিড ওয়ার্নারও।
দলীয় ২৩ রানের সময় তিনি রানআউট হয়ে ফেরেন ব্যক্তিগত ১৪ রানে। ১৯ রানে আফিফ হোসেনকে বোল্ড করেন সাইফুদ্দিন। দ্বিতীয় উইকেটে নামা তৌহিদ হৃদয় ২৪ বল পিচে ছিলেন। কিন্তু রান তুলতে না পারার চাপে শেষ পর্যন্ত উইকেটটাই খোয়াতে হয় তাকে। ৮ রানে হৃদয়কে ফিরিয়ে সিলেটের ওপর চাপ বাড়ান আফ্রিদি।
ভরসার প্রতিদান দিয়ে চাম সামলাতে পারেননি সাব্বির রহমানও। ৭ রানে মেহেদী হাসানের দ্বিতীয় শিকারে পরিণত হন তিনি। এরপর অলক কাপালিকে সঙ্গে নিয়ে লড়াই শুরু করেন নিকোলাস পুরান। ২৫ বলে ৪১ রান করে দলীয় শতক পার করান তিনি। ১৮তম ওভারে মোহাম্মদ শহীদের বলে আবু হায়দার রনির হাতে ক্যাচ দিয়ে বিদায় নেন তিনি। ১৯ বলে ১৯ রান করেন কাপালি।শেষ পর্যন্ত সিলেটকে থামতে হয় ১২৭ রানে।
এই ম্যাচে কুমিল্লার নেতৃত্ব দেন অস্ট্রেলিয়ার নিষিদ্ধ ক্রিকেটার স্টিভেন স্মিথ। তিনি বল টেম্পারিংয়ের কারণে এক বছর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে নিষিদ্ধ। আর সিলেটেরও অধিনায়ক আরেক অস্ট্রেলীয়। একই কারণে তিনিও নিষিদ্ধ।
একুশে/আরসি/এসসি