চট্টগ্রাম: ঈদুল আজহা উপলক্ষে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে পশু কোরবানির জন্য জায়গা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছিল। তবে নির্ধারিত এসব স্থানের মধ্যে হাতে গোনা কয়েকটি জায়গায় পশু কোরবানি হয়েছে। কিছু কিছু নির্ধারিত স্থান ছিল, যেখানে একটি পশুও জবাই হয়নি।
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন ৩৬০টি স্থান নির্ধারণ করে সেসব জায়গার বেশির ভাগই খালি পড়েছিল। বেশির ভাগ মানুষ কোরবানির পশু জবাই করেছে সড়ক, অলিগলি এবং বাড়ির আঙিনায়। এর ফলে আবর্জনা সংগ্রহ এবং পরিচ্ছন্নতা কাজে বেগ পেতে হচ্ছে কর্মীদের।
জানা গেছে, দু-একটি ছাড়া নির্ধারিত স্থানে পশু জবাই কার্যত হয়নি বললেই চলে। তবে সিটি করপোরেশন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কমিটিসংক্রান্ত স্থায়ী কমিটির সভাপতি কাউন্সিলর শৈবাল দাশ বলেন, মানুষ সচেতন হলে এটা সম্ভব হবে। তবে আমরা আশাবাদী, আস্তে আস্তে ভবিষ্যতে এই প্রবণতা বাড়বে। এবার ১০ থেকে ২০ শতাংশ স্থানে কার্যকর হয়েছে বলে এখনো পর্যন্ত খবর পেয়েছি।
নগরের ২১ নম্বর জামালখান ওয়ার্ডে পশু জবাইয়ের নির্ধারিত স্থান ছিল সাতটি। কিন্তু লোকপ্রশাসন কেন্দ্র মাঠ, শাহ ওয়ালিউল্লাহ ইনস্টিটিউট মাঠ, ন্যাশনাল প্রাইমারি স্কুল মাঠসহ কোথাও পশু জবাই হতে দেখা যায়নি। এই ওয়ার্ডের শতদল ক্লাবের মাঠও পশু জবাইয়ের জন্য নির্ধারিত ছিল। মাঠে না হলেও মাঠের আশপাশের সড়কে পশু জবাই করা হয়েছে কয়েকটি।