কাজী আরমান : বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ও সামাজিক আন্দোলনের অংশ হিসাবে নাগরিক সমাজ ও আন্তর্জাতিক এনজিও’র যৌথ প্রচেষ্টায় বাংলাদেশে আইনগত শান্তির প্রচারণা শুরু হয়েছে। এর অংশ হিসেবে জনসমর্থন ও সচেতনতার মাধ্যমে বৈদেশিক শান্তি বিনির্মাণের লক্ষে হেভেনলি কালচার ওয়ার্ল্ড পিস, রেস্টোরেশন অফ লাইট (যুক্তরাষ্ট্রের পাবলিক ইনফরমেশন এর অধিনস্থ একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা) বাংলাদেশে মিটিং ও ইভেন্টের আয়োজন করেছে।
ডিকলারেশন অব পিস এন্ড চিসেসন অফ ওয়ার (DPCW) এর ভিত্তিতে আন্তর্জাতিক আইনি সংস্থা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে HPWL এর Gi peace initiative এর সমর্থনে স্থানীয় তরুণদের সমন্বয়ে HWPL বাংলাদেশ পিস অ্যাডভোকেসি কমিটি গঠন করা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, DPCW কে শান্তি প্রতিষ্ঠার একটি আইনি ভিত্তি হিসাবে উন্নীত করার লক্ষ্যে বিশ্বের সব প্রান্ত থেকে গত ৯ মাস ধরে ৭ লাখ লোক স্বাক্ষর করেছে। HWPL এবং স্থানীয় যুব সংগঠনগুলো legislate peace campaign তথা HWPL এর উপর ভিত্তি করে বিশ্বের নাগরিকদের স্বাক্ষর নিয়ে এডভোকেসি আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে।
এর অংশ হিসেবে ২০১৬ সালে দেশে অনুষ্ঠিত দুইটি বিশেষ অনুষ্ঠানে প্রায় ১৬ হাজার বাংলাদেশী এ প্রচারণায় অংশগ্রহণ করে। প্রথম দফায় ৪টি স্কুলে ৬০০ যুবককে নিয়ে স্বাক্ষরতা ক্যাম্পেইন এর প্রথম ইভেন্ট শুরু হয়।
HPWL বাংলাদেশ এডভোকেসী কমিটির প্রথম ইভেন্টে উপস্থিত সদস্য এবং প্রশিক্ষকগণ শিক্ষার্থীদের মাঝে ঐচডখ এর গুরুত্ব প্রচারের উপর ঐক্যমত পোষণ করে। সামশুল হক স্কুল এন্ড কলেজ, ডক্টর মাহবুবুর রহমান মোল্লা কলেজ, সিদ্ধেশ্বরী গার্লস স্কুল এন্ড কলেজ এবং বাড্ডা আলাতুননেসা হাই স্কুলে কাজ করার মাধ্যমে প্রথম ইভেন্ট শেষ হয়। গত ২ মে এবং ১০ মে HPWL এর সমর্থনে এই স্বাক্ষরতা ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হয়।
সামশুল হক খান স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ জনাব মাহাবুবুর রহমান মোল্লা বলেন, এটি তাদেরকে বিশ্ব শান্তির গুরুত্ব বুঝতে এবং এই সংক্রান্ত কর্মপরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করতে অনুপ্রাণিত করেছে।
স্বাক্ষরতা প্রচারণার দিন এইচপিডাব্লিউএল-এর সাথে পিচ অব মুভমেন্ট এর উদ্দেশ্য পরিচিত করানোর লক্ষে এইচপিডাব্লিউএল’র সদস্য ব্রামান্দা প্রতাপ বরুয়া রিপন সংগঠনের চেয়ারম্যান ম্যান হিলি-এর পক্ষে বার্তা পাঠ করে শোনান।
ডিকলারেশন অব পিচ এন্ড চিসেসন অব ওয়ার এর সাথে সুসংগত প্রায়োগিক আইন প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে শামিল হওয়ার জন্য ম্যান হিলি আন্তর্জাতিক সমাজের প্রতি আহ্বান জানান।
এছাড়া ২০১৬ এর জুলাইয়ে অনুষ্ঠিত ২য় ইভেন্টে ঢাকাসহ দেশের ১৭ জেলার প্রায় দশ হাজার লোক অংশগ্রহণ করে। সংবাদ সম্মেলনের পর অংশগ্রহণকারীরা মিছিলে একসাথে বিশ্বশান্তির স্লোগান তুলে। PKSF এর চেয়ারম্যান ড. কাজী খলিকুজ্জামান এই ইভেন্টকে আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদ ও সংঘর্ষের বিরুদ্ধে নীরব প্রতিবাদ বলে উল্লেখ করেন এবং প্রতিটি দেশের জনসাধারনকে DPCW কে সবধরনের সমর্থন ও সহযোগিতা করার উপর গুরুত্বারোপ করেন।