
ঢাকা : অনলাইনে পণ্য কেনাবেচার প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) অনুসন্ধানে নামছে। গ্রাহকের কাছ থেকে নেওয়া অগ্রিম এবং মার্চেন্টের পাওনা ৩৩৮ কোটি ৬২ লাখ টাকা ‘আত্মসাৎ ও পাচারের অভিযোগ’ অনুসন্ধান করবে সংস্থাটি।
বৃহস্পতিবার কমিশন অনুসন্ধানের বিষয়ে এই সিদ্ধান্ত নেয়। একই সঙ্গে এই বিষয়ে অনুসন্ধান করতে দুই সদস্যের একটি অনুসন্ধান দলকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বলে সংস্থার উপপরিচালক (জনসংযোগ) মুহাম্মদ আরিফ সাদেক জানিয়েছেন।
অনুসন্ধান কর্মকর্তারা হলেন- দুদকের সহকারী পরিচালক মামুনুর রশীদ চৌধুরী ও উপসহকারী পরিচালক মুহাম্মদ শিহাব সালাম।
এর আগে প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে সরকারের চার প্রতিষ্ঠানকে চিঠি পাঠিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ, বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশন, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর এবং দুদকের কাছে পাঠানো বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে দুদক অনুসন্ধানের উদ্যোগ নেয়।
সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদনে উঠে আসে ইভ্যালির মোট দায় ৪০৭ কোটি টাকা। প্রতিষ্ঠানটি গ্রাহকের কাছ থেকে অগ্রিম নিয়েছে ২১৪ কোটি টাকা, আর মার্চেন্টদের কাছ থেকে বাকিতে পণ্য নিয়েছে ১৯০ কোটি টাকার।
স্বাভাবিক নিয়মে প্রতিষ্ঠানটির কাছে কমপক্ষে ৪০৪ কোটি টাকার চলতি সম্পদ থাকার কথা। কিন্তু সম্পদ আছে মাত্র ৬৫ কোটি টাকার। এরই প্রেক্ষিতে সম্প্রতি বাণিজ্য মন্ত্রণালয় চিঠি পাঠালে দুদক তদন্ত কমিটি গঠন করে।