শনিবার, ১৭ জানুয়ারি ২০২৬, ৪ মাঘ ১৪৩২

আশরাফুলদের বিধ্বস্ত করে তামিমের ১৫৭

| প্রকাশিতঃ ১৮ এপ্রিল ২০১৭ | ৩:৪৮ অপরাহ্ন

ঢাকা: আবাহনী ছেড়ে এবারই প্রথম মোহামেডানে তামিম ইকবাল যোগ দিয়েছেন ঢাকা লিগ খেলতে। তামিম মাঠে নামলেন মৌসুমে নিজের প্রথম ম্যাচ খেলতে। আর সেই ম্যাচে রেকর্ড গড়া ১৫৭ রানের বিধ্বংসী এক ইনিংস খেলে ফেললেন ড্যাশিং ওপেনার। বিকেএসপিতে অধিনায়কের ১২৫ বলে ১৮ চার ও ৭ ছক্কায় খেলা অসাধারণ ইনিংসে মোহামেডান পেরিয়েছে ৩০০।

মঙ্গলবার মোহাম্মদ আশরাফুলের কলাবাগান ক্রীড়াচক্রের বিপক্ষে দ্বিতীয় রাউন্ডের ম্যাচে আগে ব্যাট করে ৯ উইকেটে ৩০৭ রান তুলেছে তামিমের দল।

তামিমের রেকর্ড গড়া সেঞ্চুরিটা লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটে বাংলাদেশের ইতিহাসের যে কোনো ব্যাটসম্যানের জন্য ব্যক্তিগত সর্বোচ্চের নতুন ফলক। এর আগে লিস্ট ‘এ’তে তামিমের আছে ১২টি সেঞ্চুরি। সর্বোচ্চ রানের ইনিংসটি ছিল ১৫৪ রানের। ২০০৯ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে বিস্ফোরক সেই ইনিংসটিকে এবার ঘরের মাঠে পেছনে ফেলে দিলেন ২৮ বছর বয়সী বাঁহাতি ব্যাটসম্যান।

তামিমের ১২৫ স্ট্রাইক রেটের ইনিংসটা রীতিমতো কাঁদিয়ে ছেড়েছে আশরাফুলের বোলার দলকে। আশরাফুল নিজেই তামিমের সবচেয়ে বড় শিকার। ৫ ওভার বল করে ৫২ রান দিয়েছেন তিনি। উইকেট পাননি একটিও। নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে এবারই আবার ঢাকা লিগে ফিরেছেন আশরাফুল। প্রথম ম্যাচে ব্যাটে রান পাননি। পরের ম্যাচে তামিমের কারণে বড় দলটির বিপক্ষে বল হাতে এতো রানও দিলেন। অমিত প্রতিভাবান ব্যাটসম্যান আশরাফুল কি পারবেন তামিমের জবাব হয়ে মাথা উঁচু করে মাঠ ছাড়তে।

তামিম ফিফটি করেছিলেন ৬১ বলে। ১০০ করলেন ১০২ বলে। এক ছক্কা ও ৬টি বাউন্ডারি তখন। এরপর এমন হাত খুলে মারলেন যে দ্রুত লাফাতে লাফাতে দলের রানটা প্রতিপক্ষের জন্য পাহাড়ের মতো হয়ে দাঁড়াল। মোহামেডানের হয়ে শামসুর রহমান ৩৮, রনি তালুকদার ২০, মেহেদী হাসান মিরাজ ২১, কামরুল ইসলাম রাব্বি ২২ রান করেছেন।

গেল লিগের শেষ ম্যাচে আবাহনীর হয়ে প্রাইম ব্যাংকের বিপক্ষে তামিম খেলেছিলেন ১৪২ রানের ইনিংস। যেখানে শুরু করেছিলেন সেখান থেকেই এবারের লিগটা শুরু করলেন আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তিন সংস্করণেই দেশের সবচেয়ে বেশি রানের মালিক।