
মোহাম্মদ রফিক : চট্টগ্রামে সিআরবিতে হাসপাতাল নির্মাণকে কেন্দ্র করে মহানগর আওয়ামী লীগ নেতারা তুমুল বাকযুদ্ধে লিপ্ত হয়েছেন। কেউ আছেন হাসপাতাল নির্মাণের পক্ষে। কেউ বিপক্ষে। এই নিয়ে নগর আওয়ামী লীগের বিবদমান দুটি গ্রুপ এখন মুখোমুখি অবস্থানে।
পাশাপাশি একই ইস্যুতে জেলা আওয়ামী লীগের নেতারাও বিভক্ত হয়ে পড়েছেন বলে ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে।
দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এবং সংসদ সদস্য মোছলেম উদ্দিন আছেন হাসপাতাল গড়ার পক্ষে। অন্যদিকে আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য এবং সাবেক মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশারফ হোসেন শুরু থেকেই আছেন বিপক্ষে।
‘সিআরবি বাঁচাও’ আন্দালনে যুক্ত নেতাদের পদ ছাড়তে হবে- গত মঙ্গলবার দেওয়া নগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহাতাব উদ্দিন চৌধুরীর একটি বক্তব্য ঘিরে সিনিয়র নেতাদের মধ্যে তুমুল বাকযুদ্ধ চলছে। বিষয়টি মহানগর আওয়ামী লীগের পুরোনো দ্বন্দের বিষয়টি উসকে দিচ্ছে বলেও মন্তব্য সংশ্লিষ্টদের।
‘সিআরবি নিয়ে আন্দোলন করলে দলীয় পদ ছাড়তে হবে’ মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহাতাব উদ্দিন চৌধুরীর দেওয়া বক্তব্য সঠিক বলেই মনে করেন সাবেক সিটি মেয়র এবং সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক আ জ ম নাছির উদ্দিন। তিনি একুশে পত্রিকাকে বলেন, ‘মাহতাব ভাইয়ের বক্তব্য সঠিক। তিনি আমাদের মুরুব্বি, অভিভাবক। এখানে দলীয় শৃঙ্খলার একটি বিষয় আছে। যারা সিআরবি নিয়ে আন্দোলন করছেন তারা তো সংগঠনের পদ-পদবী ব্যবহার করছেন। এটা নিয়ে মানুষের মধ্যে একটা বিভ্রান্তি তৈরি হচ্ছে। মাহাতাব ভাই দলের কাস্টডিয়ান হিসেবে পদ-পদবী থেকে সরে গিয়ে আন্দোলন করতে বলেছেন। আপনারা দলীয় পদ ধারণ করে এটা করতে পারেন না। এ প্রকল্পের অনুমোদন তো মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দিয়েছেন।
সুতরাং সিআরবিতে যারা যুক্ত হয়েছেন, এটা তো স্ববিরোধীতা। দলীয় সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ভিন্নমত পোষণের সুযোগ নেই। মাহাতাব ভাই তো রাজনৈতিক শিষ্টাচার বহির্ভূত কোনও বক্তব্য দেননি। – যোগ করেন আ জ ম নাছির।
আরেক প্রশ্নের উত্তরে আ জ ম নাছির উদ্দিন বলেন ‘হাসপাতাল নির্মাণ প্রকল্পের অনুমোদন দিয়েছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী। তিনি আমাদের দলীয় প্রধানও। সুতরাং তিনি যে সিদ্ধান্ত দিয়েছেন সেটা আমাদের শিরোধার্য এবং মেনে নেওয়া বাঞ্ছনীয়। এখানে একটি রহস্যজনক বিষয় হচ্ছে, সিআরবি আন্দোলন নিয়ে যারা তৎপর তারা মানুষের ঘরে ঘরে গিয়ে প্যাডসর্বস্ব, নামসর্বস্ব স্বাধীনতা বিরোধীদের সংগঠনের সাথে যোগাযোগ করে তাদের বিবৃতি আদায় করছেন, এটার রহস্য কী?’
সাবেক এ সিটি মেয়র প্রশ্ন রেখে বলেন, ‘তারা (সিআরবি নিয়ে আন্দোলনে যুক্ত নগর আওয়ামী লীগের নেতারা) বলছে হাসপাতাল হচ্ছে সিআরবি’র শিরিষতলায়। এ ব্যাপারে গণমাধ্যমে নিউজও দিচ্ছেন। হাসপাতাল কি শিরিষতলায় হচ্ছে। সেটি তো হচ্ছে এনায়েত বাজার গোয়ালপাড়ার ছয় একর জায়গায়। অথচ তারা বারে বারে বলছে সিআরবি। তাদের তো যেটা সত্য সেটা বলা উচিত। তারা জনমনে বিভ্রান্তি তৈরি করছেন। হ্যাঁ, গোয়ালপাড়ায় হাসপাতাল করা নিয়ে কারো দ্বিমত থাকতে পারে। এটা গণতান্ত্রিক এখতিয়ার।’
এর আগে তো মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী সিআরবি নিয়ে আন্দোলনের পক্ষে ছিলেন। হঠাৎ পাল্টে গেলেন কেন, এমন প্রশ্নের উত্তরে সাবেক সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিন বলেন, ‘উনি তো সিআরবি নিয়ে লিখিত কোনও বক্তব্য দেননি। ওনি বলেছেন-পরিবেশ বিনষ্ট করে কোনও প্রকল্প যেন না হয়। এটা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীরই কথা। মাহাতাব ভাইয়ের বক্তব্যকে টুইস্ট করা হয়েছে। সিআরবি আন্দোলনে যুক্ত নগর আওয়ামী লীগের নেতারা বলছেন, তারা পদ-পদবী ব্যবহার করছেন না। কিন্তু পোস্টারে তো পদ লেখা আছে।’
এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে খোরশেদ আলম সুজন শুক্রবার বেলা আড়াইটার দিকে একুশে পত্রিকাকে বলেন, “যা হবার হয়ে গেছে। প্রোগ্রামটিও শেষ। এখন নতুন কী আছে বলেন। ছড়ায় জুতার বাড়ি শব্দটি নিয়ে কারো কোনও আপত্তি নেই। এটা শুধু মিডিয়ার লোকেরা বলছে। আপনাদের কাজ শুধু আমার দোষ খোঁজা। আমার ছড়াটি আপনারা যে দৃষ্টিকোণ থেকে দেখেন, সেভাবে পত্রিকায় লিখে দেন।’
প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সাবেক প্রশাসক এবং নগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি খোরশেদ আলম সুজন একুশে পত্রিকাকে বলেন, ‘আমি মনে করি এখানে কারো ব্যক্তিগত স্বার্থ নেই। এটা চট্টগ্রামের স্বার্থ। এ জায়গায় আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ। কারো কারো ভিন্নমত থাকতেই পারে। মাহাতাব ভাই বয়স্ক মানুষ। কেউ হয়তো ওনাকে ভুল বুঝিয়েছে। এজন্য তিনি পদ-পদবি ছেড়ে সিআরবি নিয়ে আন্দোলন করতে বলেছেন। আমি মনে করি চট্টগ্রামের কমন স্বার্থগুলো নিয়ে আমাদের ঐক্যবদ্ধ হওয়া উচিত। কারণ বাইরের মানুষ চট্টগ্রামে এসে খুঁটি গেড়েছে। চট্টগ্রামের সিংহভাগ সম্পত্তি রেলের। কিন্তু চট্টগ্রামের মানুষ সেসব জায়গা বরাদ্দ পায় না।’
সুজনও প্রচ্ছন্নভাবে হাসপাতালের নির্মাণের পক্ষে যারা তাদেরকে কাব্যে কাব্যে জুতার বাড়ির হুমকি দিয়েছেন। গেল ক’দিন ধরে ‘হাসপাতালের দোকানদারী, নষ্ট লোকের পকেট ভারি/জেগেছে আজ চাটগাঁবাসী, দেবে তাদের জুতার বাড়ি’ শীর্ষক ছান্দসিক স্লোগানে পোস্টার বানিয়ে তা সেঁটেছেন সিআরবিসহ নগরীর বিভিন্ন এলাকায়। এ নিয়েও উষ্মা তৈরি হয়েছে বিভিন্ন মহলে। দলের নেতৃবৃন্দরাও ভালোভাবে নেননি সুজনের এমন কথাকে। কেউ বলছেন, জুতার বাড়ি দেওয়ার সুজন কে? তিনি কি চট্টগ্রাম কিংবাংলাদেশের অথোরিটি? আবার কেউ কেউ বিষয়টাকে চট্টগ্রামপ্রীতির নামে সুজনের ‘স্টান্টবাজি’ বলেও মনে করছেন।
এ প্রসঙ্গে আ জ ম নাছির উদ্দীন উল্টো প্রশ্ন রাখেন- জুতার বাড়ি দেওয়ার তিনি কে? তিনি বলেন, ‘এটা অশোভন, অসুন্দর, রাজনৈতিক শিষ্টাচার-বহির্ভূত। যে কেউ যে কোনো কিছুর পক্ষে বা বিপক্ষে কথা বলতে পারেন। এটা তার এখতিয়ার। সবার মত প্রকাশের স্বাধীনতা আছে। কিন্তু অশালীন ভাষা, শব্দ প্রযোগ করতে পারেন না। কেউ কাউকে এভাবে আক্রমণ করতে পারেন না। এটা রাজনৈতিক শিষ্টাচার বহির্ভূত আচরণ। মানুষের পরিচয় আচরণে, ব্যবহারে। এর আগে এবিএম মহিউদ্দিন ভাই সম্পর্কে তার মুখ থেকে আপত্তিকর কথা শুনেছি। এমনকি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা সম্পর্কেও আপত্তিকর মন্তব্য তার মুখ থেকেই উচ্চারিত হয়েছে। তার জুতার বাড়ি শব্দটি প্রকারান্তরে কি প্রধানমন্ত্রীর গায়ে পড়েনি? বিবেকবান মানুষ হিসেবে এ ধরনের ভাষা পুরোপুরি অগ্রহণযোগ্য। কোনও সুস্থ বিবেকবান মানুষ থেকে এ ধরনের ভাষা প্রত্যাশা করা যায় না। এটা এক ধরনের এবনরমালিটি।’
এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে খোরশেদ আলম সুজন শুক্রবার বেলা আড়াইটার দিকে একুশে পত্রিকাকে বলেন, ‘যা হবার হয়ে গেছে। প্রোগ্রামটিও শেষ। এখন নতুন কী আছে বলেন। ছড়ায় জুতার বাড়ি শব্দটি নিয়ে কারো কোনও আপত্তি নেই। এটা শুধু মিডিয়ার লোকেরা বলছে। আপনাদের কাজ শুধু আমার দোষ খোঁজা। আমার ছড়াটি আপনারা যে দৃষ্টিকোণ থেকে দেখেন, সেভাবে পত্রিকায় লিখে দেন।’
এদিকে সিআরবি আন্দোলনে যুক্ত মহানগর আওয়ামী লীগের নেতাদের পদবি ছাড়তে মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহতাব উদ্দিন চৌধুরীর এমন নির্দেশনা এখতিয়ার-বহির্ভূত বলে মন্তব্য করে গত মঙ্গলবার গণমাধ্যমে বক্তব্য দেন খোরশেদ আলম সুজন। তিনি বলেন, ‘মাহাতাব ভাই যেটা বলেছেন সেটা খুব গুরুত্বপূর্ণ বিষয় না। তবে তিনি যে কথা বলেছেন, তা বলার এখতিয়ার তার নেই। তার এখতিয়ার কতটুকু, ক্ষমতা কতটুকু সেটা তিনি জানেন না বলেই এসব কথা বলেছেন। আগে মাহতাব ভাই আন্দোলনের পক্ষে ছিলেন। অদৃশ্য কারণে এখন বিপক্ষে চলে গেছেন। এই আন্দোলনের সঙ্গে দলের কোনও সম্পর্ক নেই। এটা জনগণের আন্দোলন।’
বক্তব্য জানতে বৃহস্পতিবার রাত ৯টার দিকে মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহাতাব উদ্দিন চৌধুরীর মুঠোফোনে কল করা হলে সেটি রিসিভ করেন তার ছেলে। এসময় তিনি বলেন, ‘আমার বাবা তো ফোনে কথা বলবেন না। ইন্টারভিউ নিতে হলে আপনি বাসায় আসুন।’
এ প্রসঙ্গে আ জ ম নাছির উদ্দীন উল্টো প্রশ্ন রাখেন- জুতার বাড়ি দেওয়ার তিনি কে? তিনি বলেন, ‘এটা অশোভন, অসুন্দর, রাজনৈতিক শিষ্টাচার-বহির্ভূত। যে কেউ যে কোনো কিছুর পক্ষে বা বিপক্ষে কথা বলতে পারেন। এটা তার এখতিয়ার। সবার মত প্রকাশের স্বাধীনতা আছে। কিন্তু অশালীন ভাষা, শব্দ প্রযোগ করতে পারেন না। কেউ কাউকে এভাবে আক্রমণ করতে পারেন না। এটা রাজনৈতিক শিষ্টাচার বহির্ভূত আচরণ। মানুষের পরিচয় আচরণে, ব্যবহারে। এর আগে এবিএম মহিউদ্দিন ভাই সম্পর্কে তার মুখ থেকে আপত্তিকর কথা শুনেছি। এমনকি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা সম্পর্কেও আপত্তিকর মন্তব্য তার মুখ থেকেই উচ্চারিত হয়েছে। তার জুতার বাড়ি শব্দটি প্রকারান্তরে কি প্রধানমন্ত্রীর গায়ে পড়েনি? বিবেকবান মানুষ হিসেবে এ ধরনের ভাষা পুরোপুরি অগ্রহণযোগ্য। কোনও সুস্থ বিবেকবান মানুষ থেকে এ ধরনের ভাষা প্রত্যাশা করা যায় না। এটা এক ধরনের এবনরমালিটি।’
এর আগে রাত সাড়ে ৮টার দিকে একই বিষয়ে বক্তব্য জানতে মুঠোফোনে কল করা হলে সেটি রিসিভ করেননি মহানগর আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি এবং সিআরবি রক্ষার আন্দোলনে গঠিত নাগরিক সমাজ, চট্টগ্রামের সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট ইব্রাহিম হোসেন চৌধুরী বাবুল। তবে বুধবার এ বিষয়ে গণমাধ্যমে দেওয়া বক্তব্যে নগর আওয়ামী লীগের এ নেতা বলেন, ‘সিআরবি রক্ষার আন্দোলন দলীয় শৃঙ্খলার বাইরে কোনো কাজ নয়। এটা এন্টি গভর্নমেন্ট কোনো আন্দোলনও নয়। এটা বিরোধী দলের কোনো আন্দোলন নয়। এটা চট্টগ্রামের মানুষের নৈতিক দাবি নিয়ে আন্দোলন। আমরা গণমানুষের রাজনীতি করি। সিআরবিকে নিয়ে যে একটা ষড়যন্ত্র হয়েছে, আইনের পরিপন্থী কাজ হয়েছে- সেই প্রেক্ষাপট প্রধানমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরতেই আমরা প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করছি। যাতে তিনি আসল বিষয়টি জানতে পারেন। একটি সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। কারণ তাকে অনেক কিছুই জানানো হয়নি।
এই আন্দোলনে দলের পারমিশন নেওয়ার কিছু নেই। এখানে যদি অপজিশন পার্টির কোনো আন্দোলন হতো, সেখানে যদি আমরা যেতাম, তাহলে একটা কথা ছিলো। দলীয় শৃঙ্খলার বাইরে যাওয়ার কথা আসতো। এটি দলীয় শৃঙ্খলার বাইরের কোনও কাজ না। মাহতাব ভাই নিজে এই আন্দোলনের সঙ্গে সম্পর্কিত ছিলেন। এখন তিনি কেনো সিআরবি রক্ষার আন্দোলনে গেলে দলীয় পদবি ছাড়ার কথা বলছেন- তা আমাদের বোধগম্য নয়।’
প্রসঙ্গত, গত মঙ্গলবার মহানগর আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভার একপর্যায়ে সিআরবি আন্দোলনে যুক্ত আওয়ামী লীগ নেতাদের প্রতি মাহতাব উদ্দিন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘দলীয় পদ-পদবী ব্যবহার করে সিআরবি নিয়ে আন্দোলন করা যাবে না। তাদেরকে পদ থেকে সরে যেতে হবে।’ তার এই বক্তব্য বুধবার গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়।
এ প্রসঙ্গে ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের একান্ত সহকারী ও চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক নূর খান গণমাধ্যমকে বলেন, ‘উনি শুরু থেকেই সিআরবিতে হাসপাতাল নির্মাণের বিরুদ্ধে। এখনও উনি কোনোভাবেই চান না সেখানে হাসপাতাল হোক। চট্টগ্রামের প্রাণ-প্রকৃতি রক্ষায় বরাবরই তিনি সোচ্চার ছিলেন। চট্টগ্রামের উন্নয়ন নিয়েও উনার দীর্ঘ পরিকল্পনা ও শ্রম রয়েছে।’
প্রসঙ্গত, ইঞ্জিনিয়ার মোশারফ হোসেন কিছুদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন। জানা গেছে, শুরু থেকে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের গ্রহণ করা হাসপাতাল নির্মাণ প্রকল্পের বিরোধিতা থেকে বিরত রয়েছেন নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আ জ ম নাছির উদ্দিনের অনুসারীরা। অপরদিকে এ বিষয়ে অনেকটা ‘নীরব’ আছেন শিক্ষা উপমন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেলও।