সোমবার, ৬ ডিসেম্বর ২০২১, ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৮

জয়ে সফর শুরু পাকিস্তানের

প্রকাশিতঃ শুক্রবার, নভেম্বর ১৯, ২০২১, ৬:০৪ অপরাহ্ণ


খেলাধুলা ডেস্ক : শেষ চার ওভারে পাকিস্তানের প্রয়োজন ছিল ৩২ রানের; ছিলো না অভিজ্ঞ কোনো ব্যাটসম্যান। বিপরীতে বাংলাদেশের বাকি ছিলো দিনের অন্যতম সেরা দুই বোলার শরিফুল-মোস্তাফিজের একটি করে ওভার। কিন্তু বাংলাদেশকে সিরিজে পিছিয়ে দিলো এই দুজনই। ১৮ ও ১৯ ওভারে তারা দুজনে দিলেন ৩০ রান। শেষটায় চার বল বাকি থাকতেই আমিনুল ইসলামকে ছক্কায় উড়িয়ে জয়ের উদযাপনে মাতেন সাদাব খান ও মোহাম্মদ নওয়াজ।

পাকিস্তানের বিপক্ষে মাঠে দর্শক ফেরার ম্যাচে অবশ্য এদিন ভালোই শুরু পেয়েছিল। মাঝে ব্যাকফুটে গেলেও ১৭ তম ওভার পর্যন্ত খেলায় ছিলো বাংলাদেশ। কিন্তু শেষটায় সাদাব-নওয়াজের পাওয়ার হিটিংয়ে বাংলাদেশ হার মানে। ১০ বলে ২১ রান করেন সাদাব এবং ৮ বলে ১৮ রান করে প্রায় হাত ফসকে যাওয়া ম্যাচে জয় তুলে নেয় পাকিস্তান।

রোমাঞ্চকর জয়ে পাকিস্তান তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে এগিয়ে গেল ১-০ ব্যবধোনে। সিরিজের পরের ম্যাচ একই মাঠে আগামীকাল শনিবার অনুষ্ঠিত হবে।

বিপজ্জনক খুশদিলকে ফিরিয়েছেন শরিফুল

দারুণ ব্যাটিংয়ে পাকিস্তানের জয়ের সম্ভাবনা দেখাচ্ছিলেন খুশদিল শাহ। ৩৫ বল থেকে ৩৪ রান করে অপেক্ষায় ছিলেন শেষের ঝলক দেখাতে। কিন্তু তা করতে দিলেন না শরিফুল ইসলাম। বাংলাদেশের জয়ের ক্ষেত্রে বিপজ্জনক সেই খুশদিলকে নুরুলের ক্যাচ বানিয়েছেন টাইগার পেসার শরিফুল।

সিরিজে এগিয়ে যেতে পাকিস্তানের এখনও ১৪ বলে প্রয়োজন ২১ রান। ক্রিজে আছেন সাদাব খান (৭ বলে ১৪ রান) এবং মোহাম্মদ নওয়াজ (০)।

‘খরুচে’ তাসকিনে ম্যাচে ফিরল বাংলাদেশ

দলীয় ২৪ রান থেকে পাকিস্তানকে টেনেছেন অভিজ্ঞ ফখর জামান আর খুশদিল শাহ। পাওয়ার প্লের ৬ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে ফেলা দলের পরের উেইকেট পড়ে ৮০ রানে। ৫৬ রানের ভয়ংকর জুটি গড়ে দলকে পথ দেখাচ্ছিলেন ফখর-খুশদিল। তবে তাদের আরও ভয়ংকর হতে দিলেন না ৪ ওভারে ৩১ রান দেওয়া তাসকিন। এখন পর্যন্ত তাসকিনই সবচেয়ে খরুচে বাংলাদেশি বোলারদের মাঝে। নিয়েছেন অবশ্য দুটি গুরুত্বপূর্ণ উইকেটও।

তাসকিনের বলে ৩৬ বলে ৩৪ রান করে নুরুলকে ক্যাচ দিয়ে ফিরেছেন ফখর। তাতে ফের ম্যাচে ফিরেছে টাইগাররা। পাকিস্তানকে জয়ের জন্য এখনও ২৬ বলে প্রয়োজন ৪০ রান। এখনও বাকি আছে মোস্তাফিজ ও শরিফুলের ওভার।

ফখর-খুশদিলে আশা পাকিস্তানের

নুরুলের বুদ্ধিদীপ্ত থ্রোতে অপ্রস্তুত মালিক ফিরলে চাপে পড়ে পাকিস্তান। এরপর থেকেই সফরকারীদের চেপে ধরে বাংলাদেশ। ব্যাটে রান না আসায় বাড়ছে পাকিস্তানের ওভারপ্রতি রানের গড়ও। জয়ের জন্য ফখরদের এখনও ৪৪ বলে দরকার ৬৭ রান। ক্রিজে তাদের আশা দেখাচ্ছেন ফখর জামান (২৮) ও খুশদিল শাহ (১৫)।

তবে বাংলাদেশকে জয়ের আশাও দেখাচ্ছে রান রেট। বাকি সাত ওভারে পাকিস্তানকে নিতে হবে ৮.৮৫ গড়ে রান। এখনও বাকি আছে দুর্দান্ত বোলিং করা মোস্তাফিজ ও শরিফুলের দুটি করে ওভার।

অপ্রস্তুত মালিককে বোকা বানালেন নুরুল

পাকিস্তানি অভিজ্ঞ ব্যাটার শোয়েব মালিককে কার্যত বোকাই বানিয়েছেন টাইগার উইকেটরক্ষক নুরুল হাসান সোহান। মেহেদির বলে হায়দার আলী ফিরলে চাপে পড়া দলকে টানতে আসেন শোয়েব। কিন্তু মোস্তাফিজের শেষ বলটি ব্যাটে লাগাতে ব্যর্থ হন পাকিস্তানি এই অলরাউন্ডার। আউট কিন্তু তাতে হননি। হয়েছেন রান আউট।

কিভাবে? হাতে বল যাওয়ার পর সরাসরি থ্রোতে স্টাম্প ভাঙেন নুরুল। তখনও ক্রিজে ঢোকেননি শোয়েব। তাকে বোকা বানিয়ে দূর থেকে থ্রোতে স্টাম্প ভাঙেন নুরুল। আউটের আবেদন করলে রিভিউ নেন আম্পায়ার। পরে জায়ান্ট স্কিনে ভেসে ওঠে আউট। তাতেই পাওয়ার প্লেতে মাত্র ২৪ রান তুলে ৪ উইকেট খোয়ায় পাকিস্তান। তাতে কার্যত চাপেও পড়েছে সফরকারীরা। বাকি ৭৫ বলে জিততে পাকিস্তানের প্রয়োজন ৯৭ রান। টাইগারদের দরকার আরো ৬ উইকেট।

তাসকিনের পর মেহেদির আঘাত

মিরপুরে পাকিস্তানের হাসান আলীর পর দাপট দেখাচ্ছে বাংলাদেশি পেসাররা। পাকিস্তানের অন্যতম ওপেনিং জুটিকে দলীয় ২২ রানের মাঝেই ফিরিয়েছেন মোস্তাফিজুর রহমান-তাসকিন আহমেদ। পরে নিজের দ্বিতীয় ওভারে হায়দার আলীকে শূন্য রানে এলবির ফাঁদে ফেলেছেন মেহেদি হাসান। ২ ওভার হাত ঘুরিয়ে মাত্র ৫ রান খরচ করেছেন এই ডানহাতি স্পিনার।

১২৮ রানের জবাবে রান খরায় ভুগছেন পাকিস্তানি ব্যাটাররা। এদিন পাওয়ার প্লের ৬ ওভারে ২৪ রান তুলতে পেরেছেন সফরকারীরা। হারিয়েছেন টপ অর্ডারের সেরা চার ব্যাটারকে।

২২ রানেই ফিরেছে পাকিস্তানের দুই ওপেনার

আরেকটু আগেই আউট হতে পারতো পাকিস্তানের অধিনায়ক বাবর আজম। কিন্তু সেটা হয়নি আম্পায়ারের সিদ্ধান্তে। রিপ্লেতে দেখা গেছে, তাসকিন আহমেদের বাউন্সার ব্যাট ছুয়েছিল। কিন্তু বাবরকে ফেরানোর আক্ষেপটা বেশি সময় দীর্ঘায়িত করলেন না তাসকিন। পরের বলেই ফেরালেন পাকিস্তানের অন্যতম সেরা বাবরকে।

তাসকিনের বলে শট খেলতে গিয়ে ইনসাইড হয়ে বোল্ড হন বাবর। এর আগে, বিশ্বকাপে অন্যতম জুটি এদিন পেরোতে পারে মাত্র ১৬ রান। পরে ২২ রানের মাথায় ফেরেন দুই ওপেনারই।

রিজওয়ানের স্টাম্প উপড়েছেন মোস্তাফিজ

বাংলাদেশ ব্যাটিংয়ে নেমে প্রথম বাউন্ডারি পেয়েছিল ৫.১ ওভারে। সেখানে পাকিস্তান প্রথম বাউন্ডারি তুলেছে ১.৪ ওভারেই। যদিও ১২৮ রান টার্গেটে এই পরিসংখ্যান অনেকটাই উদ্ভট তবুও পাকিস্তানি শক্তিশালী লাইন আপে আশা জাগাচ্ছে টাইগারদের বোলিং। ইতোমধ্যে পাকিস্তানের অন্যতম ওপেন জুটি ভেঙে দিয়েছেন মোস্তাফিজুর রহমান।

নিজের প্রথম ওভারে দুর্দান্ত শুরু করেছেন মোস্তাফিজ। ৩ রান দিয়ে মোহাম্মদ রিজওয়ানের (১১ রান) স্টাম্প উড়িয়ে দিয়েছেন এই বাঁ হাঁতি পেসার। দারুণ বোলিং করছেন আরেক পেসার তাসকিন আহমেদও।

পাকিস্তানের সামনে ১২৮ রানের টার্গেট

শেষ ওভারে হারিস রউফকে দুবার উড়িয়ে মারলেন মেহেদি হাসান ও তাসকিন আহমেদ। তাতেই পাকিস্তানের বিপক্ষে ১২৭ রানের লড়াকু সংগ্রহ দাড় করালো টাইগাররা। শেষের দিকে নামা মেহেদি হাসান ২০ বলে ২ ছয় আর ১ চারে করেন ৩০ রান। আর শেষ বলে মিড উইকেটের ওপর দিয়ে ছক্কা হাঁকানো তাসকিন থাকেন ৩ বলে ৮ রানে অপরাজিত।

পাকিস্তানের হয়ে দুর্দান্ত ছিলেন বিশ্বকাপে সেমিফাইনালে খলনায়ক বনে যাওয়া হাসান আলী। ৪ ওভারে ২২ রানে তিনি নিয়েছেন ৩ উিইকেট। দুটি উইকেট শিকার করেছেন স্পিনার মোহাম্মদ ওয়াসিম। বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ ৩৬ রান করেছেন আফিফ। নুরুল হাসান করেছেন ২৮ রান।

স্টাম্পড হয়ে ফিরলেন আফিফ

মোহাম্মদ নওয়াজের বলে রিভিউ নিয়ে বাঁচার পর অবশ্য দারুণ দুটি ছক্কা হাঁকিয়েছিলেন আফিফ হোসেন। চাপে পড়া বাংলাদেশ তখন ভরষা রাখছিল এই তরুণ তুর্কির ওপর। কিন্তু হতাশ করলো আফিফও!

পাকিস্তানি লেগ স্পিনার সাদাবকে এগিয়ে মারতে গিয়ে স্টাম্পড হয়ে ফিরলেন তিনি। তবে ফেরার আগে এখন পর্যন্ত দলীয় সর্বোচ্চ ৩৬ রান করেছেন এই বাঁ হাতি ব্যাটসম্যান।

চাপে পড়া দল ১৩ ওভারে এখনও তুলতে পেরেছে ৬২ রান। হারিয়েছে শুরুর ৫ উইকেট। ক্রিজে ৪ রানে আছেন নুরুল হাসান। তাকে সঙ্গ দিচ্ছেন মেহেদি হাসান।

মাহমুদউল্লাহকে ফেরালেন নওয়াজ

পাকিস্তানের বোলিংয়ের কাছে ধুঁকতে থাকা বাংলাদেশকে যা একটু ভরসা দেখাচ্ছিলেন অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান মাহমুদউল্লাহ। কিন্তু টাইগার অধিনায়ককে মাত্র ৬ রানেই থামিয়ে দিলেন মোহাম্মদ নওয়াজ।

নওয়াজের তৃতীয় ওভারের শেষ বলে ব্যাটে লাগাতে ব্যর্থ হন মাহমুদউল্লাহ। তবে কিপিংয়ে থাকা মোহাম্মদ রিজওয়ান আউটের উদযাপনে মাতেন। পরে আম্পায়ার রিভিউতে দেখা যায় মাহমুদউল্লাহর পায়ে লেগে বল প্রথমে স্টাম্প ভাঙে।

পাওয়ার প্লেতে বাংলাদেশ তুলল ২৫ রান!

মারমার কাটকাট সংস্করণের পাওয়ার প্লেতে ব্যাটে চার-ছক্কার ফুলঝুড়ি ছোটানোর পরিবর্তে যেন উইকেটে থিতু হতেই ব্যস্ত টাইগাররা! নড়বড়ে শুরুতে সাইফ-নাঈমরা ফিরেছেন শুরুর তিন ওভারেই। এরপর ৫০ স্টাইক রেটে ব্যাটিং করে ফিরেছেন তৃতীয়বার দলে সুযোগ পাওয়া নাজমুল হোসেন শান্ত।

পাকিস্তানের বিপক্ষে প্রথম ৬ ওভার শেষে বাংলাদেশ তুলতে পেরেছে মাত্র ২৫ রান! আর তাতেই ফিরেছেন নাঈম, অভিষিক্ত সাইফ এবং নাজমুল হোসেন শান্ত। উইকেটে রান করতে ধুকঁছে অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ (৩) ও আফিফ হোসেন (১৫ রান)।

বিশ্বকাপের ব্যর্থতা মিরপুরেও ধারাবাহিক!

​বিশ্বকাপের ওপেনিংয়ের ব্যর্থতা মিরপুরেও টেনে আনলেন টাইগার দুই ওপেনার। পাকিস্তানের বিপক্ষে প্রথম টি-টোয়েন্টিতে উদ্বোধনী ব্যাটিংয়ে আসেন নাঈম ও সাইফ হাসান। ৩ বলে মাত্র ১ রান করে নাঈম ফেরেন হাসান আলীর বলে। এরপর অভিষিক্ত সাইফ ধীর শুরু করে ফেরেন বাজে শটে।

পাকিস্তানের বিপক্ষে এখনও ৪ ওভার ব্যাটিং করে ১২ রান তুলতে পেরেছেন টাইগাররা। তবে দুই ওপেনার ফিরেছেন তিন ওভারেই ভেতরেই। দলীয় তিন রানে নাঈম ফেরার পর মোহাম্মদ ওয়াসিমের বলে সাইফ ফেরেন ১০ রানের মাথায়। পরে তৃতীয়বার দলে সুযোগ পাওয়া শান্ত ফেরেন টাইগারদের আরো হতাশ করে। ফেরার আগে শান্তর ব্যাট থেকে আসে ১৪ বলে ৭ রান। মোহাম্মদ ওয়াসিমের এটি ‍দ্বিতীয় শিকার।

নাঈমকে ফেরালেন হাসান আলী

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভরাডুবির পর নতুনদের নিয়ে নতুন শুরু করেছে বাংলাদেশ। তবে পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম ম্যাচেও ভালো শুরু পেলো না বাংলাদেশ। বিশ্বকাপে পাকিস্তান দলের খলনায়ক বনে যাওয়া হাসান আলী ফেরালেন মোহাম্মদ নাঈমকে। ফেরার আগে টাইগার ওপেনারের ব্যাট থেকে আসে ১ রান (৩ বল)।

টস জিতে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ, একাদশে আমিনুল

পাকিস্তানের বিপক্ষে চোটের কারণে নেই সাকিব আল হাসান ও তামিম ইকবাল। মুশফিককে দেওয়া হয়েছে বিশ্রামে। লিটন আর সৌম্য বাদ পড়েছেন বাজে ফর্মের কারণে। শক্তিশালী পাকিস্তানের বিপক্ষে আজ তরুণ এক দল নিয়েই নামছে টাইগার অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ।

পাকিস্তানের বিপক্ষে তিন ম্যাচের সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টিতে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নামছে বাংলাদেশ। টাইগাররা এদিন তিন পেসার ও এক লেগ স্পিনার নিয়ে মাঠে নেমেছে। বহুদিন পর একাদশে সুযোগ পেয়েছেন লেগ স্পিনার আমিনুল ইসলাম বিপ্লব ও বাঁহাতি ব্যাটার নাজমুল হোসেন শান্ত। অভিষেক হয়েছে ওপেনার সাইফ হাসানের। পাকিস্তানের ঘোষিত ১২ সদস্যের একাদশ থেকে বাদ পড়েছেন শাহিন শাহ আফ্রিদি।

টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে বাংলাদেশের বিপক্ষে ১২ ম্যাচের ১০টিতে জিতেছে পাকিস্তান। সর্বশেষ দুবার ঘরের মাঠে টি-টোয়েন্টিতে পাকিস্তানের মুখোমুখি হয়ে, দুবারই জিতেছিলো বাংলাদেশ। ২০১৫ সালে দ্বিপাক্ষিক সিরিজে একমাত্র টি-টোয়েন্টি ম্যাচ এবং ২০১৬ সালে এশিয়া কাপে জিতেছিলো বাংলাদেশ। এছাড়া বাকি সব ম্যাচেই হার মেনেছিল টাইগাররা।

বাংলাদেশ একাদশ: মাহমুদউল্লাহ (অধিনায়ক), সাইফ হাসান, মোহাম্মদ নাঈম, নাজমুল হোসেন, আফিফ হোসেন, নুরুল হাসান, মেহেদী হাসান, আমিনুল ইসলাম, মোস্তাফিজুর রহমান, শরীফুল ইসলাম, তাসকিন আহমেদ।

পাকিস্তান একাদশ: বাবর আজম (অধিনায়ক), শাদাব খান (সহ-অধিনায়ক), ফখর জামান, হায়দার আলি, হ্যারিস রউফ, মোহাম্মদ রিজওয়ান, মোহাম্মদ ওয়াসিম জুনিয়র, হাসান আলি, খুশদিল শাহ, মোহাম্মদ নওয়াজ ও শোয়েব মালিক।