মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারি ২০২৬, ৭ মাঘ ১৪৩২

মিতু হত্যা মামলায় বাবার নারাজি খারিজ

| প্রকাশিতঃ ৬ মার্চ ২০২২ | ৭:২৭ অপরাহ্ন


চট্টগ্রাম : সাবেক পুলিশ সুপার বাবুল আক্তারের স্ত্রী মাহমুদা খানম মিতু খুনে তার বাবার দায়ের করা দ্বিতীয় মামলায় পিবিআই’য়ের দায়ের করা চূড়ান্ত প্রতিবেদন গ্রহণ করেছেন আদালত।

একই সঙ্গে দ্বিতীয় মামলা তথা মিতুর বাবার দায়ের করা মামলার সকল তথ্য ও উপাত্ত প্রথম মামলায় একীভূত করার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। দ্বিতীয় মামলার বাদীর দায়ের করা নারাজি পিটিশন খারিজ করে দেন আদালত।

রোববার চট্টগ্রাম অতিরিক্ত চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আবদুল হালিম এর আদালত এসব আদেশ দিয়েছেন বলে জানান মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পিবিআই ইন্সপেক্টর আবু জাফর মোহাম্মদ ওমর ফারুক।

এর আগে গত ২২ ফেব্রুয়ারি পিবিআইয়ের চূড়ান্ত প্রতিবেদনের ওপর নারাজি পিটিশনটি দাখিল করেন মিতুর বাবা মোশাররফ হোসেন। গত ২৫ জানুয়ারি মাহমুদা খানম মিতু হত্যাকাণ্ডে তার বাবা মোশাররফ হোসেনের দায়ের করা দ্বিতীয় মামলায় চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করে পিবিআই। সেখানে থাকা তথ্য উপাত্ত বাবুল আক্তারের মামলায় একীভূত করতে আবেদন জানানো হয়।

এর আগে গত ৯ জানুয়ারি মিতুর বাবার করা মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে থাকা বাবুলকে তার নিজের করা মামলাতেও গ্রেপ্তার দেখাতে আদেশ দেন আদালত। গত বছরের ৩০ ডিসেম্বর আদালতের কাছে সংক্রান্ত আবেদনটি করে মামলার তদন্তকারী সংস্থা পিবিআই।

২০১৬ সালের ৫ জুন সকালে পাঁচলাইশ থানাধীন ওআর নিজাম রোডে ছেলেকে স্কুলবাসে তুলে দিতে গিয়ে গুলি ও ছুরিকাঘাতে খুন হন মিতু। এই ঘটনায় তখন বাবুল আক্তার বাদী হয়ে পাঁচলাইশ থানায় অজ্ঞাত পরিচয় তিনজনকে আসামি করে একটি মামলা করেন।

সেই সময় বাবুল আক্তার দাবি করেন, জঙ্গিরাই তার স্ত্রীকে গুলি করে হত্যা করেছে। উক্ত মামলা ডিবি পুলিশ হয়ে তদন্তের দায়িত্ব পায় পিবিআই। তদন্ত শেষে সংস্থাটি ২০২১ সালের ১২ মে আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দেয়। সেটিতে বলা হয়, বাবুল আক্তারই স্ত্রী মিতুকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করেন।

বাবুলের মামলায় পিবিআই যেদিন আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করে সেদিন পাঁচলাইশ থানায় মিতু খুনের ঘটনায় বাবুল আক্তারসহ ৮ জনকে আসামি করে বাবুলের শ্বশুর মিতুর বাবা মোশারফ হোসেন নতুন একটি মামলা করেন। শ্বশুরের করা সেই মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, বাবুল আক্তারই পরিকল্পিতভাবে স্ত্রী মিতুকে লোক লাগিয়ে হত্যা করে।