শুক্রবার, ১২ আগস্ট ২০২২, ২৮ শ্রাবণ ১৪২৯

আত্মহত্যার নেপথ্যে অনেক ‘খুনি’

প্রকাশিতঃ ১৮ জুলাই ২০২২ | ১০:১৯ পূর্বাহ্ন


আবছার রাফি : সব ধর্মেই আত্মহত্যাকে নিরুৎসাহিত করা হয়েছে। ধর্মমতে আত্মহনন করা মহাপাপ। আইনও আত্মহত্যাকে নিরুৎসাহিত করে। আত্মহত্যায় সহায়তা বা প্ররোচিত করা বাংলাদেশের আইনেও শাস্তিযোগ্য অপরাধ। দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ৩০৬ ধারা অনুযায়ী, কোনো প্রাপ্ত বয়স্ক মানুষকে আত্মহত্যায় সহায়তা করা ব্যাক্তির ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং জরিমানা হতে পারে। তারপরও মানুষ আত্মহত্যা করছে, আর অনেক ক্ষেত্রে এই আত্মহত্যায় কেউ না কেউ প্ররোচনা দিচ্ছে।

গত ২৯ জুন চট্টগ্রামের কর্ণফুলী উপজেলায় নিজ ডায়রিতে শেষ কথা লিখে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জয় চ্যাটার্জি (৪৮)। তিনি লিখে রেখে গেছেন, আমার মৃত্যুর জন্য কেউ দায়ী নয়, আমি বাবা-মার কাছে যাচ্ছি। জয়ের ডায়েরিতে আরও লেখা ছিল, বোন, আমার কাছে ৮ জন ব্যক্তি ২৫ লাখ টাকার মতো পাবে। আমার মৃত্যুর পর সরকার থেকে যে টাকাগুলো পাবি সেগুলো দিয়ে তা পরিশোধ করে দিস। এই ‘একাকীত্ব’ জীবন আর ভালো লাগছে না।

জয় চ্যাটার্জির আত্মহত্যা সেই পুরনো প্রশ্নটিকে সামনে নিয়ে এসেছে আবার- মানুষ কেন নিজের জীবনকেও শেষ করে দিতে চায়? এটা কি ঠেকানোর কোনো উপায় নেই? জয় চ্যাটার্জির আত্মহত্যার কিন্তু পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। আত্মহত্যার ঘটনা সারা বিশ্বেই ঘটছে প্রতিদিন, ঘটছে বাংলাদেশেও। ২০২১ সালের জুনে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এক প্রতিবেদনে জানায়, সারা বিশ্বে বছরে অন্তত সাত লাখ তিন হাজার মানুষ আত্মহত্যা করে। প্রতিবেদনে বলা হয়, সবচেয়ে বেশি আত্মহত্যা হয় নিম্ন ও মধ্য আয়ের দেশে। ডাব্লিউএইচও-র প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিশ্বে প্রতি চল্লিশ সেকেন্ডে একজন মানুষ আত্মহত্যা করে।

অন্যদিকে বিবিএস-এর জরিপ বলছে বাংলাদেশে বছরে আত্মহত্যা করছেন প্রায় ১৩ হাজার মানুন। গড়ে প্রতিদিন মারা যাচ্ছেন ৩৫ জন। পুলিশ সদর দপ্তরের হিসাবে বাংলাদেশে প্রতিবছর গড়ে ১০ হাজার মানুষ শুধু ফাঁসিতে ঝুলে ও বিষ খেয়ে আত্মহত্যা করেন।

এদিকে তরুণদের সংগঠন আঁচল ফাউন্ডেশন ২০২১ সালের মার্চ মাসে এক প্রতিবেদনে জানায়, করোনাকালে এক বছরে সারা বাংলাদেশে ১৪ হাজার ৪৩৬ জন আত্মহত্যা করেছেন। ২০২০ সালের ৮ মার্চ থেকে ২০২১ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ৩টি জাতীয় পত্রিকা, ১৯টি স্থানীয় পত্রিকা, হাসপাতাল ও থানা থেকে সংগৃহীত তথ্যের ভিত্তিতে প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়। আঁচল ফাউন্ডেশনের ২০২১ সালের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২০ সালের ৮ মার্চ থেকে ২০২১ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে যে ১৪ হাজার ৪৩৬ জন আত্মহত্যা করেছেন, তাদের মধ্যে নারীর সংখ্যাই বেশি। মোট আত্মহত্যার ৫৭ শতাংশ, অর্থাৎ ৮ হাজার ২২৮জনই ছিলেন নারী।

আঁচল ফাউন্ডেশনের সেই প্রতিবেদনে আত্মহত্যাপ্রবণ বয়সের ধারণাও উঠে আসে। সেখানে বলা হয়, আত্মঘাতী হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে ২০ থেকে ৩৫ বছর বয়সি ছিলেন ৪৯ শতাংশ, ৫ থেকে ১৯ বছর বয়সি ৩৫ শতাংশ এবং ৩৬ থেকে ৪৫ বছর বয়সি ১১ শতাংশ। সেই সময় সবচেয়ে কম আত্মহত্যা করেছিলেন ৪৬ থেকে ৮০ বছর বয়সিরা- ৫ শতাংশ। ২০২০ সাল থেকে ২০২১ সালের মধ্যে সবচেয়ে বেশি আত্মহত্যা হয়েছে পারিবারিক সমস্যার কারণে। ওই সময়ে মোট আত্মহত্যার ৩৫ শতাংশই ছিল পারিবারিক সমস্যাজনিত কারণে। এর বাইরে ২৪ শতাংশ সম্পর্কে টানাপোড়েনের কারণে এবং যথাক্রমে ৪ ও ১ শতাংশ আর্থিক সংকট ও লেখাপড়া নিয়ে দুর্ভাবনা বা পরীক্ষায় ব্যর্থতার কারণে কারণে আত্মহত্যা করেছিল। তবে ৩২ শতাংশ মানুষের আত্মহত্যার কারণ থেকে যায় অপ্সাত। এই তথ্যগুলোও আঁচল ফাউন্ডেশনের।

সমাজবিজ্ঞানী অধ্যাপক ড. নেহাল করিম মনে করেন আর্থিক ও সামাজিক বৈষম্য মানুষকে হতাশায় ফেলে দিচ্ছে আর এই হতাশা থেকে আত্মহত্যার প্রবণতা বাড়ছে। এটা শুধু বাংলাদেশে নয় সারাবিশ্বের চিত্র এর বাইরে ব্যক্তিগত ও পারিবারিক কারণেও মানুষ আত্মহত্যার দিকে ধাবিত হচ্ছে। নিজেকে যখন কেউ অপ্রয়োজনীয় মনে করেন, জীবন অর্থহীন মনে করেন তখন আত্মঘাতী হন। তবে এইসব কারণের মূল উপাদান রাষ্ট্র ও সমাজেই বেশি।

তিনি বলেন, এই করোনায় মানুষের সংকট বেড়েছে। বিচ্ছিন্নতা বেড়েছে। জীবন নিয়ে সংশয় বেড়েছে। বেড়েছে দারিদ্র, হতাশা, শূন্যতা। এটা দূর করার কার্যকর ব্যবস্থা পরিবার সমাজ ও রাষ্ট্র নেয়নি। যার ফল আত্মহত্যা বেড়ে যাওয়া। পরিবার রাষ্ট্র ও সমাজকে দায়িত্ব নিতে হবে। দেশে মানসিক স্বাস্থ্যকে গুরুত্ব দিতে হবে। কাউন্সেলিং-এর সুবিধা বাড়াতে হবে। সমাজ থেকে বৈষম্য দূর করতে হবে।

এদিকে গত বছর বাংলাদেশে ১০১ জন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছেন। তরুণদের সংগঠন আঁচল ফাউন্ডেশন তাদের জরিপে এই তথ্য জানিয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির প্রধান তানসেন রোজ জানান, ‘করোনার সময় তরুণদের মধ্যে বিচ্ছন্নতা বেড়েছে। ক্যারিয়ার নিয়ে অনিশ্চয়তা বেড়েছে। আর পরিবারগুলো যারা আর্থিক চাপে পড়েছে তাদের চাপ পড়েছে পরিবারের তরুণ সদস্যদের ওপর। একাকিত্বে প্রযুক্তির অপব্যবহার তাদের চরম হতাশার মধ্যে ফেলেছে। যার নির্মম পরিণতি আমরা দেখেছি। তরুণদের পাশে দাঁড়াতে হবে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কউন্সেলিং ব্যবস্থা বাড়াতে হবে। আর তাদের হতাশার জায়গাগুলো দূর করে তাদের সাহসী এবং আত্মবিশ্বাসী করতে হবে। তাদের তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করা যাবে না। যাবে না অবহেলা করা।

রোাগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইডিসিআর) বলছে, কোভিড অতিমারির সময় বাংলাদেশে পরিচালিত কয়েকটি গবেষণায় ৪৬ শতাংশের মধ্যে বিষন্নতা, ৩৩ শতাংশের মধ্যে দুশ্চিন্তার লক্ষণ পাওয়া গেছে।

জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের সহযোগী অধ্যাপক ডা. হেলাল উদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘করোনায় যারা বিষাদ বা হতাশার শিকার হয়েছেন তারা সবাইতে আত্মহত্যা করেননি। সুতরাং এখানেই জীবনের প্রতি ভালোবাসার গল্প আছে। আমাদের সেটাই বড় করে দেখানো উচিত। তারা তো হতাশাকে জয় করেছেন। যারা আত্মহত্যা করেছেন তাদের মধ্যে যথাসময়ে এই জীবনবোধ জাগাতে পারলে দুঃখজনক পরিণতি দেখতে হতো না।’

সহযোগী অধ্যাপক ডা. হেলাল উদ্দিন আহমেদ বলেন, আবার ফেসবুকে ঘোষণা দিয়ে আত্মহত্যার একটি ঘটনা যখন প্রচার পায় তখন অন্যদের প্রভাবিত করে। আত্মহত্যার কারণ বিশ্লেষণ করে যদি পক্ষে যুক্তি তুলে ধরা হয় তাহলে আরেকজন আত্মহত্যার যুক্তি খুঁজে পায়। তাই আমাদের সবার সতর্ক হওয়া প্রয়োজন। মানসিক স্বাস্থ্যও যে শারীরিক স্বাস্থ্যের মতই গুরুত্বপূর্ণ তা অনেকেই বুঝতে পারেন না। পৃথিবীতে নগরেই আত্মহত্যা বেশি ঘটে। বাংলাদেশেও তার প্রভাব পড়ছে। প্রযুক্তি মানুষকে যেমন সচেতন করে তেমনি আত্মহত্যাপ্রবণ করফ। ফেসবুকে ঘোষণা দিয়ে আত্মহত্যার মধ্যে কেউ ‘বীরত্ব’ খুঁজে পেতে পারেন বলে মনে করেন এই মনোচিকিৎসক।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) সমাজতত্ত্ব বিভাগের সাবেক অধ্যাপক ড. ওবায়দুল করিম একুশে পত্রিকাকে বলেন, আমাদের সমাজের বেশিরভাগ মানুষ সমাজের আইন-কানুন জানেন এবং মানেন। কিন্তু প্রত্যেক সমাজে কিছু কিছু মানুষ আছে যারা সমাজের আইন-কানুন মানতে চায় না। তারাই হচ্ছে অপরাধী। আইনকে যারা ভায়োলেট করে তারাই ক্রিমিনাল। এখন আত্মহত্যাও কিন্তু অপরাধ। আপনি যদি আত্মহত্যা করেন সেটাও অপরাধ। কিন্তু দুর্ভাগ্য হচ্ছে হচ্ছে তাকে আর আইনের কাঠগড়ায় দাঁড় করানো যায় না। যদি সম্ভব হতো তাহলে অবশ্যই দাঁড় করানো যেত। কারণ আপনি নিজেকে নিজে হত্যা করতে পারেন না। সুতরাং আমাদের সমাজে যেমন কিছু লোক অপরাধী আছে; তারা কেন অপরাধ করে? কারণটা হচ্ছে: সোশ্যাল, ইকোনমিক এবং কালচার। ক্রিমিনোলজিস্ট, সাইকোলজিস্টদের মাঝে একটা বিষয়ে বিতর্ক আছে যে, কিছু মানুষ আছে তারা জন্মগতভাবেই অপরাধী হয়ে জন্মায়, যাদের সংখ্যাটা কম। তবে অনেকে সোশ্যালজিস্ট, সোশ্যাল ক্রিমিনোলজিস্ট মনে করেন, না- মানুষ জন্মগতভাবে অপরাধী হয়ে জন্মায় না। সম্ভাবনা থাকে না। সমাজ, অর্থনীতি, রাজনীতি তাদের বাধ্য করে। তারা সেভাবে গ্রোআপ হয়, সেভাবে সোশ্যালাইজড হয়। সমাজে যদি অপরাধীর সংখ্যা বেশি হয় তাহলে সমাজটা পিছিয়ে পড়ে নানা দিক থেকে। আর সংখ্যা কম হলে সমাজের উন্নয়নটা সুন্দরভাবে হয়।

তিনি আরও বলেন, আত্মহত্যার কারণ হচ্ছে- রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সামাজিক ও মানসিক। এই চারটা কারণের বাইরে সাধারণত কেউ আত্মহত্যা করে না। সোশ্যালজিস্ট ডুর্খেইম বলেছেন, মানুষ আত্মহত্যা করে এনামিক সিচুয়েশনের কারণে। এর অর্থ হচ্ছে, যখন একজন ব্যক্তির পরিবার ভালো লাগবে না, তার ভাই-বোন, আত্মীয়-স্বজন ভালো লাগবে না, যখন তার বন্ধু-বান্ধব ভালো লাগবে না, তখন তার সামাজিক আইন-কানুন ভালো লাগবে না। এগুলো থেকে সে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এগুলোকে সে প্রতিপক্ষ মনে করে। এই যে একজন বা একদল মানুষের এরকম মানসিক অবস্থা, তাকে বলা হয় এনামিক সিচুয়েশন। এই সিটুয়েশন যখন তৈরি হয় তখন সে অপরাধ করবে অথবা সে ওই বিচ্ছিন্ন প্রতিপক্ষ থেকে মুক্ত হওয়ার জন্য সে আত্মহত্যা করতে পারে। এই যে বিচ্ছি্ন্ন হওয়া, কেন হয়? সামাজিক, অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক ও মানসিক কারণে। তাহলে আমাদেরকে এই কারণগুলো এডজাস্ট করতে হবে। পৃথিবীর কোনো মানুষ এমনি এমনি আত্মহত্যা করে না। নিশ্চয়ই কোনো কারণ থাকে। সমাজে একটা শিশু জন্মগ্রহণের পর সে তো বেঁচে থাকতে চায়, সে তো সমাজে বড় হতে চায়, সমাজের সঙ্গে মানিয়ে চলতে চায় কিন্তু কোনো কারণে সে পথভ্রষ্ট হয়। সেটা হতে পারে বন্ধু-বান্ধবে প্ররোচিত করলো। সুতরাং এই যে বিচ্ছিন্নতাবোধ, এটা কাটাতে হবে।

অধ্যাপক ড. ওবায়দুল করিম বলেন, ছেলে-মেয়েরা কেন স্কুল যায়, অ্যাসেম্বেলি করে; নিশ্চয়ই নিয়ম শেখার জন্য, শৃংঙ্খলা শেখার জন্য। অ্যাসেম্বলিতে যখন জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয় তখন সবাই দাঁড়িয়ে যায়, স্যালুট দেয়। কেন? আমাদের ভেতর ঐক্যবোধ, রাষ্ট্রের যে চেতনা সেটাকে সমুন্নত রাখার জন্য, যাতে সে সেভাবে গড়ে উঠে। তাতে আমাদের দেশের প্রতি একটা মমত্ববোধ জাগে। এভাবে যে সোশ্যালাইজেশনটা, তা যদি আপনি না করাতে পারেন তাহলে অবক্ষয় তৈরি হবে। এটা শিক্ষার সাথে বেশি বেশি সম্পর্কিত। আমাদের দেশের অনেক ছেলে-মেয়ে তো লেখাপড়ার সুযোগ পাচ্ছে। তাদেরকে এডুকেশনের ভেতর নিয়ে আসতে হবে। তাদেরকে সোশ্যাল এক্সিসটেন্স, সমাজের আইন-কানুন তার প্রতিপক্ষ হতে পারবে না। তার সহগামী হতে হবে। সে মনে করবে যে, এগুলা আমার জন্য তৈরি করা হয়েছে। আমি এসব মেনে চলব। আমি একজন সুস্থ নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠবো। এগুলো যদি চালু থাকে তাহলে অপরাধগুলো কমে আসে।

আত্মহত্যা ভিন্ন ভিন্ন দেশে ভিন্ন ভিন্ন কারণে ঘটে উল্লেখ করে তিনি বলেন, একটাতে হয়তো থাকে বিচ্ছিন্নতাবোধ। আরেকটাতে দেখা যাচ্ছে, অতি প্রাচুর্য্য। সে আর জীবনকে উপভোগ করতে পাচ্ছে না। জীবন সম্পর্কে ভীতশ্রদ্ধ হয়ে পড়ে। সে নিজের অস্থিত্বকে নিজের প্রতিপক্ষ মনে করছে। তখন সে জীবন থেকে মুক্তি চাইতে পারে, এজন্য সামাজিক, অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিক ও মানসিক কারণগুলো দেখতে হবে। এনজিওগুলো ভালো ভূমিকা রাখতে পারে এক্ষেত্রে। ওয়াজ-মাহফিলে আত্মহত্যাকে ফোকাস করে বক্তব্য দেওয়া যেতে পারে। যে-কোনো দেশের উন্নতির পেছনে তরুণদের ভূমিকা প্রচুর। তাই সুস্থ তরুণের সংখ্যা বাড়াতে হবে। এই মুহূর্তে আত্মহত্যার ক্রমবর্ধমান হার নিয়ে সরকারের বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া দরকার।