শুক্রবার, ১২ আগস্ট ২০২২, ২৮ শ্রাবণ ১৪২৯

জয়ের স্বপ্ন দেখিয়ে হেরে গেল বাংলাদেশ

প্রকাশিতঃ ৩০ জুলাই ২০২২ | ৮:৫৪ অপরাহ্ন


খেলাধুলা ডেস্ক : ২০৬ রানের পাহাড় সমান লক্ষ্য তাড়া করা তরুণ টাইগার দলের জন্য চ্যালেঞ্জিং হবে তা অনুমেয় ছিল। বাজে বোলিংয়ের খেসারত হিসেবে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে প্রথম টি-টোয়েন্টিতে ১৭ রানের ব্যবধানে হেরেছে নুরুল হাসান সোহানের দল। বিশাল এই লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ১৮৮ রানে থামে সফরকারীদের ইনিংস।

জয়ের জন্য শেষ চার ওভারে দরকার ছিল ৬০ রান। ১৭তম ও ১৮ ওভারে সোহান-মোসাদ্দেক মিলে ২৮ রান তুললে জেতার জন্য দুই ওভারে দরকার পড়ে ৩২ রান। তখনও জয়ে চোখ ছিল টাইগারদের। কিন্তু ১৯তম ওভারে ৪ রান এলে ম্যাচ থেকে অনেকটা ছিটকে পড়ে টাইগাররা। আর শেষ ওভারে এসেছে মাত্র ১০ রান।

জিম্বাবুয়ের দেয়া ২০৬ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই সাজঘরে ফেরেন ওপেনার মুনিম শাহরিয়ার। আউট হওয়ার আগে করেন মাত্র ৪ রান। পরে বিজয়কে সঙ্গে নিয়ে ইতিবাচক ব্যাটই করছিলেন আরেক ওপনোর লিটন কুমার দাস। কিন্তু ভাগ্য সহায় না হওয়ায় রান আউট হয়ে ফেরেন ব্যক্তিগত ৩২ রানে। বিজয় ফেরেন ২৬ রানে। আর আফিফের সংগ্রহ মাত্র ১০ রান।

পঞ্চম উইকেটে জয়ের ক্ষুদ্র প্রয়াস চালান বাঁ-হাতি ব্যাটার নাজমুল হোসেন শান্ত ও দলনেতা নুরুল হাসান সোহান। কিন্তু জয়ের জন্য সেটা পর্যাপ্ত ছিল না। ২৫ বলে ৩৭ রান করে প্যাভিলিয়নে ফেরেন শান্ত। এছাড়া ১০ বল খেলে ১৩ রান করতে পেরেছেন মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত।

এদিকে শেষ পর্যন্ত লড়ে যান দলীয় অধিনায়ক নুরুল হাসান সোহান। শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থাকেন ৪২ রানে। আর শূন্যরানেই অপরাজিত থাকেন নাসুম আহমেদ।

এর আগে ম্যাচের শুরুতে টস জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন জিম্বাবুইয়ান অধিনায়ক ক্রেইগ এরভিন। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে ইনিংসের তৃতীয় ওভারেই ওপেনারকে হারায় স্বাগতিকরা। মোস্তাফিজুর রহমানের করা বলে নাজমুল হাসান শান্তর হাতে ক্যাচ তুলে দেন রেগিস চাকাভা। আউট হওয়ার আগে করেন ৮ রান।

আরেক ওপেনার ও দলনেতা ক্রেইগ এরভিন ব্যক্তিগত ২১ রানে মোসাদ্দেক হোসেনের বলে বোল্ড আউট হয়ে সাজঘরে ফিরেছেন। পরের উইকেটে ব্যাট করতে নেমে দুর্দান্ত খেলছিলেন দলের অভিজ্ঞ ক্রিকেটার শেন উইলিয়ামস। কিন্তু ব্যাট হাতে বেশিক্ষণ টিকে থাকতে পারেননি তিনি। মোস্তাফিজুর রহমানের বোল্ড হওয়ার আগে মাত্র ১৯ বল খেলে করেন ৩৩ রান।

এদিকে চতুর্থ উইকেট জুটিতে বাংলাদেশি বোলারদের রীতিমতো শাসন করতে থাকেন সিকান্দার রাজা ও ওয়েসলি ম্যাধভেরে। এ সময় দুজন মিলে গড়েন অপ্রতিরোধ্য ৯১ রানের জুটি। তাতেই পাহাড় সমান রান সংগ্রহ করে স্বাগতিকরা। এই দুই ব্যাটারই অর্ধশতকের দেখা পেয়েছেন।

৪৬ বলে নয় চারের মারে ৬৭ রান তুলে রিটায়ার্ড হার্ট হন ম্যাধভেরে। এদিকে শেষ পর্যন্ত খেলে যান সিকান্দার রাজা। মাত্র ২৬ বলে সাতটি চার ও চারটি ছয়ে ৬৫ রান করে অপরাজিত থাকেন তিনি। এদিকে রায়ার্ন বাল কোনো রান না করেই মাঠ ছাড়েন। জিম্বাবুয়ের ইনিংস থামে ২০৫ রানে।