
আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ঢাকায় রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভের বক্তব্যের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র ম্যাথু মিলার বলেছেন, যারা প্রতিবেশী দেশকে আক্রমণ করে নারী-শিশুসহ অসহায় মানুষদের নির্বিচারে হামলা করছে, সেই রাশিয়ার অন্য দেশের হস্তক্ষেপ নিয়ে কথা বলা উচিত নয়।
মঙ্গলবার (১৩ সেপ্টেম্বর) মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের নিয়মিত ব্রিফিংয়ে লাভরভের ঢাকা সফরকালে দেওয়া বক্তব্যের বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে এমন মন্তব্য করেন মিলার।
মুখপাত্র বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের নীতি সম্পর্কে আমি বলব, যুক্তরাষ্ট্র এবং বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের লক্ষ্য হচ্ছে একটি অবাধ, মুক্ত, সমৃদ্ধ, নিবিড় এবং নিরাপদ ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চল গড়ে তোলা। এটাই এ অঞ্চলের ব্যাপারে আমাদের অবস্থান।
বাংলাদেশের কয়েকজন সাংবাদিকদের গ্রেপ্তার, বিচার ও হয়রানির অভিযোগ প্রসঙ্গে মিলার বলেন, এর আগেও এ বিষয়ে আমরা বেশ কয়েকবার কথা বলেছি।
যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বাস করে যে, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় সাংবাদিকরা উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করেন। তাদের কার্যক্রমের মাধ্যমে দুর্নীতি উন্মোচিত হয় এবং জনগণের তথ্য জানার অধিকার নিশ্চিত হয়। নিত্যদিনের যেসব বিষয় জনগণের জীবনকে প্রভাবিত করে সে সম্পর্কে তাদের অবগত করতে সাংবাদিকদের সুযোগ দিতে হবে। আপনারা এখানে যেমন প্রতিদিন আমার কাছ থেকে জবাবদিহিতার বিষয়টি নিশ্চিত করতে চান, ঠিক তেমনি সাংবাদিকদেরকে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের জবাবদিহিতার আওতায় নিয়ে আসার বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে।
অপর এক প্রশ্নের জবাবে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র বলেন, নয়াদিল্লিতে জি-২০ সম্মেলনের ফাঁকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের আনুষ্ঠানিক বৈঠকগুলোর বিষয়ে হোয়াইট হাউজ বিবৃতি দিয়েছে।
এর আগে গত ৭ সেপ্টেম্বর দুই দিনের সফরে ঢাকায় আসেন সের্গেই লাভরভ।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী একে আব্দুল মোমেনের সঙ্গে বৈঠকের পর যৌথ সংবাদ সম্মেলনে রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ বলেন, আমরা লক্ষ্য করেছি কিছু আন্তর্জাতিক খেলোয়াড়রা বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে নাক গলাচ্ছে। একটি নির্দিষ্ট দলের ওপর চাপ প্রয়োগ করছে- যেটা সম্পূর্ণ বৈষম্যমূলক আচরণ ও অগ্রহণযোগ্য।